
এসএসসি পরীক্ষা: ”তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা”। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (এক কথায়)
তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা : জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
১. প্রশ্ন: শামসুর রাহমান কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ১৯২৯ সালের ২৩শে অক্টোবর।
২. প্রশ্ন: কবির পৈতৃক নিবাস কোন গ্রামে?
উত্তর: নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার পাড়াতলী গ্রামে।
৩. প্রশ্ন: শামসুর রাহমান কোন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন?
উত্তর: ঢাকার পোগোজ স্কুল থেকে।
৪. প্রশ্ন: তিনি কত সালে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন?
উত্তর: ১৯৪৭ সালে।
৫. প্রশ্ন: শামসুর রাহমান কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন?
উত্তর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
৬. প্রশ্ন: শামসুর রাহমানের পেশা কী ছিল?
উত্তর: সাংবাদিকতা।
৭. প্রশ্ন: শামসুর রাহমান মূলত কোন জীবনের রূপকার বা রূপকার হিসেবে পরিচিত?
উত্তর: মধ্যবিত্ত নাগরিক জীবনের।
৮. প্রশ্ন: 'বন্দী শিবির থেকে' এটি কার কাব্যগ্রন্থ?
উত্তর: শামসুর রাহমানের।
৯. প্রশ্ন: শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে'।
১০. প্রশ্ন: কবির কবিতায় সার্থকভাবে কী বিধৃত হয়েছে?
উত্তর: মধ্যবিত্ত নাগরিক জীবনের প্রত্যাশা, হতাশা, বিচ্ছিন্নতা ও সংগ্রাম।
১১. প্রশ্ন: শামসুর রাহমানের একটি শিশুতোষ কবিতার বইয়ের নাম কী?
উত্তর: তাঁর বেশ কিছু শিশুতোষ কবিতা রয়েছে (যেমন: এলাটিং বেলাটিং)।
১২. প্রশ্ন: কবির অনন্যসাধারণ কবি-কীর্তির জন্য প্রাপ্ত একটি বড় পুরস্কারের নাম লেখ।
উত্তর: একুশে পদক (বা বাংলা একাডেমি পুরস্কার)।
১৩. প্রশ্ন: শামসুর রাহমান কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ১৭ই আগস্ট, ২০০৬ সালে।
১৪. প্রশ্ন: 'রৌদ্র করোটিতে' কার লেখা কাব্য?
উত্তর: শামসুর রাহমানের।
১৫. প্রশ্ন: শামসুর রাহমান কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ঢাকা শহরে।
১৬. ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর: শামসুর রাহমান।
১৭. স্বাধীনতা আসবে বলে কার কপাল ভাঙল?
উত্তর: সাকিনা বিবির।
১৮. কার সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল?
উত্তর: হরিদাসীর।
১৯. শহরের বুকে কোন রঙের ট্যাঙ্ক এলো?
উত্তর: জলপাই রঙের।
২০. ট্যাঙ্কগুলো কীভাবে এলো?
উত্তর: দানবের মতো চিৎকার করতে করতে।
২১. স্বাধীনতা আসবে বলে কী কী উজাড় হলো?
উত্তর: ছাত্রাবাস ও বস্তি।
২২. যত্রতত্র খই ফোটাল কারা?
উত্তর: রিকয়েললেস রাইফেল আর মেশিনগান।
২৩. স্বাধীনতা আসবে বলে ছাই হলো কী?
উত্তর: গ্রামের পর গ্রাম।
২৪. বিধ্বস্ত পাড়ায় কিসের ওপর দাঁড়িয়ে কুকুর আর্তনাদ করল?
উত্তর: প্রভুর বাস্তুভিটার ভগ্নস্তূপে।
২৫. অবুঝ শিশু কার লাশের ওপর হামাগুড়ি দিল?
উত্তর: পিতা-মাতার লাশের ওপর।
২৬. থুথুড়ে বুড়ো কোথায় বসে আছেন?
উত্তর: উদাস দাওয়ায়।
২৭. থুথুড়ে বুড়োর চুল কীভাবে নড়ছে?
উত্তর: বাতাসে।
২৮. মোল্লাবাড়ির বিধবা কী ধরে দাঁড়িয়ে আছে?
উত্তর: দগ্ধ ঘরের নড়বড়ে খুঁটি।
২৯. অনাথ কিশোরীটি কেমন ছিল?
উত্তর: হাড্ডিসার।
৩০. অনাথ কিশোরীর হাতে কী ছিল?
উত্তর: শূন্য থালা।
৩১. সগীর আলী পেশায় কী ছিলেন?
উত্তর: কৃষক।
৩২. সগীর আলী কোন জায়গার জোয়ান কৃষক ছিলেন?
উত্তর: শাহবাজপুরের।
৩৩. জেলেপাড়ার সবচেয়ে সাহসী লোকটার নাম কী?
উত্তর: কেষ্ট দাস।
৩৪. মেঘনা নদীর দক্ষ মাঝির নাম কী?
উত্তর: মতলব মিয়া।
৩৫. মতলব মিয়া কী বলে নৌকা চালায়?
উত্তর: ‘গাজী গাজী’ বলে।
৩৬. রুস্তম শেখ পেশায় কী ছিলেন?
উত্তর: ঢাকার রিকশাওয়ালা।
৩৭. কার ফুসফুস এখন পোকার দখলে?
উত্তর: রুস্তম শেখের।
৩৮. কার পদভারে নতুন পৃথিবীর জন্ম হতে চলেছে?
উত্তর: রাইফেল কাঁধে তেজি তরুণের।
৩৯. তেজি তরুণরা কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে?
উত্তর: বনে জঙ্গলে।
৪০. ‘খাণ্ডবদাহন’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: মহাভারতের খাণ্ডব বন দহন সংক্রান্ত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।
৪১. ‘রক্তগঙ্গা’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর: প্রচুর রক্তপাত।
৪২. নিশান উড়িয়ে আর কী বাজিয়ে স্বাধীনতা আসবে?
উত্তর: দামামা বাজিয়ে।
৪৩. স্বাধীনতা আসবে বলে কারা অধীর প্রতীক্ষা করছে?
উত্তর: বাংলার সর্বস্তরের মানুষ।
৪৪. ‘উদাস দাওয়ায়’ কে বসে আছেন?
উত্তর: থুথুড়ে এক বুড়ো।
৪৫. ‘রিকয়েললেস রাইফেল’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: পশ্চাৎক্ষেপণহীন শক্তিশালী রাইফেল।
৪৬. বুড়োর চোখের নিচে কিসের ঝিলিক দেখা যায়?
উত্তর: অপরাহ্ণের দুর্বল আলোর।
৪৭. কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তর: বন্দী শিবির থেকে।
৪৮. স্বাধীনতা কার জন্যে আসবে?
উত্তর: শোষিত ও নির্যাতিত বাঙালি জাতির জন্যে।
৪৯. ‘দাহন’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: পোড়ানো বা দহন করা।
৫০. ‘নিশান’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: পতাকা।
৫১. ‘দিগ্বিদিক’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সব দিক।
৫২. কবি স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য আর কতবার কী দেখতে চেয়েছেন?
উত্তর: খাণ্ডবদাহন।
৫৩. স্বাধীনতা কবিতাটিতে কিসের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তোলার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: জ্বলন্ত ঘোষণার।
৫৪. অনাথ কিশোরীটি কোথায় বসে আছে?
উত্তর: পথের ধারে।
৫৫. ‘তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা’— এটি কবির কেমন আকাঙ্ক্ষা?
উত্তর: অদম্য ও দৃঢ় আকাঙ্ক্ষা।
(মুসা স্যার )
( প্রফেসর ড. এ. আই. এম. মুসা)
বিএ (সম্মান) এমএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিএইচডি. জা. বি.
ভূতপূর্ব : সহযোগী অধ্যাপক, রংপুর সরকারি কলেজ, রংপুর
গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা
সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ, রংপুর
বিভাগীয় প্রধান, সরকারি পিসি কলেজ, বাগেরহাট
অধ্যক্ষ, তারাগঞ্জ সরকারি কলেজ, রংপুর।
+88 01713 211 910