
ডিজিটাল বাংলাদেশ
আধুনিক প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ
অথবা, ডিজিটাল বাংলাদেশ
অথবা, দিনবদলের পালায় বাংলাদেশ
প্রারম্ভ : বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের অব্যাহত জয়যাত্রার এক যুগান্তকারী যুগ। একদা গুহাবাসী, অরণ্যচারী মানুষ বিজ্ঞানের বদৌলতে আজ ছুটে চলেছে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে অভাবনীয় বেগ, সভ্যতার অগ্রযাত্রাকে করেছে দ্রæততর ও বহুমাত্রিক। ঘুচিয়ে দিয়েছে দূর-দূরান্তরের ব্যবধান। মানুষকে দিয়েছে অনিঃশেষ সম্ভাবনার অপ্রতিরোধ্য জয়যাত্রা। আর এই জয়যাত্রায় শামিল হতেই বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এ পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও পা দিয়েছে ডিজিটাল সিঁড়ির সম্ভাবনাময় দিগন্তে। স্বাধীনতার ৪৩ বছর অতিক্রান্ত করেছে বাংলাদেশ, কিন্তু এর উন্নতি বলতে তেমন কিছু আজও দেখা যায় নি। আর তাই সরকার বাংলাদেশকে বিশ্বের সাথে পায়ে পায়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ হিসেবে পরিণত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যার অর্থ হলো উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে সনাতন পদ্ধতির স্থলে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির প্রয়োগ। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমেই একদিন গড়ে উঠবে স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ।
উন্নত ও প্রযুক্তি: আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নতির শীর্ষ সোপানে পদার্পণের প্রতিযোগিতা চলছে আজ সারা বিশ্বে। হিং¯্র পশুপাখি আর প্রকৃতির বিরূপ আচরণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানুষ যে প্রযুক্তির আশ্রয় নিয়েছিল তা আজ সমৃদ্ধি লাভ করেছে সর্বত্র। জার্মান, ফ্রান্স, মালয়েশিয়া, জাপান, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীনসহ পৃথিবীর বহুদেশ আজ প্রযুক্তিকে তাদের উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছে।
আধুনিক জীবন ও প্রযুক্তি : আধুনিক বিশ্ব সমাজের মানুষ এখন সম্পূর্ণভাবে প্রযুক্তিনির্ভর। বৃহত্তর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আছে প্রযুক্তি সক্রিয় ও প্রত্যক্ষ ভূমিকা। কৃষি, শিল্প, চিকিৎসা, শিক্ষা, বিনোদন যেদিকে তাকানো যায় সেখানেই দেখা যায় প্রযুক্তির অপ্রতিরোধ্য আধিপাত্য। একথা এখন ধ্রæবতারার মতো সত্য যে, মানুষের জীবনে প্রযুক্তির বিকল্প নেই। প্রযুক্তিহীন মানুষ আর এখন আর সামনে এগুতে পারবে না, এটাই চরম বাস্তবতা।
বাংলাদেশের ডিজিটাল ভাবনা : ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বর্তমানে বাংলাদেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে প্রধান আলোচ্য বিষয়। সবার মনে একটিই কৌতূহল, কেমন হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ। ইংরেজি‘ উরমরঃধষ’ শব্দের ব্যবহারিক অর্থ হলো কম্পিউটার প্রযুক্তির সাথে সম্পর্ক স্থাপন বা সংযুক্ত হওয়া। মূলত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ Ñএর অর্থ হলো একটি আই.সি.টি (ওহভড়ৎসধঃরড়হ ধহফ ঈড়সঢ়ঁঃরহম ঞবপমহড়ষড়মু.) অর্থাৎ তথ্য ও কম্পিউটার ভিত্তিক প্রযুক্তি; যার লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ প্রতিষ্ঠা করার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের আধুনিকায়ন করা যেখানে অন লাইনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপি সংযুক্ত থাকবে বাংলাদেশর মানুষ। যেখানে এদেশের সকল সরকারি, আধাসরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের কার্য সম্পাদন করবে। এটিই হলো ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপরেখা।
ডিজিটাল করণের উদ্দেশ্য : ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য হলো সরকার, ব্যবসায়Ñবাণিজ্য, কৃষি উৎপাদন, শিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নতি সাধনের ওপর জোর দেওয়া, যার মাধ্যমে একদিন বাস্তব রূপ লাভ করবে স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ।
কৃষি ক্ষেত্রে : বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। বাংলাদেশের কৃষিকে বাদ দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা কখনই সম্ভব হবে না। আর তাই স্বপ্নের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কৃষিকে করে তুলতে হবে প্রযুক্তিনির্ভর। জমি কর্ষণ থেকে শুরু করে শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে প্রযুক্তিকে সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে পারলে ৬গুন বেশি উৎপাদন সম্ভব। তাই কৃষির প্রাণভূমি বাংলাদেশকে ডিজিটাল করে এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার জন্য কৃষিতে আনতে হবে প্রযুক্তির মায়াবী ছোঁয়া।
শিক্ষা ও ডিজিটাল বাংলাদেশ : যেকোনো দেশের উন্নয়নে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে থাকে শিক্ষা। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে করতে হবে প্রযুক্তি নির্ভর। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকসহ শিক্ষা ব্যবস্থার সকল স্তরে ডিজিটাল ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান পদ্ধতি চালু করতে হবে। এই জন্য সারা দেশব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ বিস্তৃত করতে হবে। ভর্তি ও ফলাফলসহ যাবতীয় শিক্ষাকার্যক্রমই করতে হবে ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে : রোগ নিরাময়ের পূর্বশর্ত হলো সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়। এটির নির্ভুল সমাধান একমাত্র কম্পিটার প্রযুক্তির মাধ্যমেই সম্ভব। তাছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পেলে হয়তো ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে চিকিৎসা হবে দুর্গম স্থানে থাকা কোনো মুমূর্ষ রোগীর।
বিনোদনের ক্ষেত্রে : বিনোদনের ক্ষেত্রে বর্তমান যুগের ছেলেমেয়ের কাছে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক একমাত্র জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূর দেশের কারও সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন, খেলাধুলা প্রভৃতি এখন ‘ক্লিক’ শব্দ মাত্র। স্বপ্নের বাংলাদেশের প্রতিটি স্থানেই হয়তো একদিন বসবে বিনোদনের মিলনমেলা।
যোগাযোগ ক্ষেত্রে : বর্তমান বিশ্বকে বলা হয় এক এষড়নধষ ারষষধমব. কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর ইন্টারনেট, অনলাইন, ফোন, ফ্যাক্স প্রভৃতির মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যোগাযোগ স্থাপন এখন কিছু সময়ের ব্যাপার মাত্র। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠলে দেশের প্রতিটি মানুষ বিশ্বকে তথ্য প্রযুক্তি মহাসড়কে তার জ্ঞানের চাকাকে সচল করতে সমর্থ হবে। যা দেশের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।
অফিস আদালতে : প্রশাসনিক গতিময়তা আনয়নের লক্ষ্যে সর্বপ্রথম যে কাজটি করা একান্ত প্রয়োজন তা হলো অফিস আদালতে কম্পিউটার প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার। এক্ষেত্রে সি সি ক্যামেরা অফিস আদালতের দুর্নীতি ও স্বজন প্রীতি দূর করে কর্মে গতি ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমে অফিস আদালতের একগুয়েমি কাজেও আসতে পারে স্বাচ্ছন্দ্য, যা কাজের গতিকে ত্বরান্বিত করবে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করা : বর্তমান জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিরাপত্তার বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ হিসেবে স্বীকৃত। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলে জাতির উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হয়। কারণ নিরাপত্তা হীনতায় কোনো জাতিই দেশের সুষম উন্নয়ন আনতে পারে না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়নে ডিজিটাল বাংলাদেশের কম্পিউটার প্রযুক্তি রাখতে পারবে অগ্রণী ভূমিকা।
প্রকাশনার ক্ষেত্রে : কম্পিউটার প্রযুক্তি অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশের প্রকাশনা খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রকাশনা জগতে কম্পিউটার এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত করেছে। নির্ভুল তথ্য এবং সঠিক বানান নির্ণয়ে কম্পিউটার প্রযুক্তি সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
ব্যাংকিং ব্যবস্থার ক্ষেত্রে : বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কম্পিউটারের অবদান অকল্পনীয়। কোটি কোটি টাকার লেনদেনের নির্ভুল হিসাবÑনিকাশ মানুষের পক্ষে অসম্ভব এবং সময়সাপেক্ষ ছিল, তা বর্তমান কম্পিউটার প্রযুক্তি করছে সব্যসাচীর মতো। তাছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে বৈদেশিক লেনদেন, এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকার ঝুঁকিমুক্ত লেনদেন বর্তমান বাংলাদেশকে ভবিষ্যৎ ডিজিটাল বাংলাদেশেরই আভাস দান করছে।
সংবাদ মাধ্যম : ইন্টারনেটের সাহায্যে বর্তমানে একটি পত্রিকা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রকাশিত হচ্ছে। ফলে এখন পত্রিকা মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে অতিসত্বর। তাছাড়াও ওয়েব সাইডের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদও আমরা ঘরে বসেই পেয়ে যাচ্ছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হলে হয়তো আমরা ডিজিটাল পত্রিকাও পেয়ে যাবো হাতের কাছে।
শেয়ার বাজার: শেয়ার বাজারের লেনদেন এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পণ্যের ক্রয়Ñবিক্রয়ের হিসাব রাখতেও এখন ব্যবহৃত হচ্ছে কম্পিউটার প্রযুক্তি। অনলাইনের মাধ্যমে এখন ঘরে বসেও লেনদেনের বিষয়টি অতি সহজেই করে নেয়া যাচ্ছে। যা ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনলাইন তথ্যকেন্দ্র স্থাপন : তথ্য প্রাপ্তি মানুষের মৌলিক অধিকার। আর এই অধিকার নিশ্চিত করা যাবে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে। আর এটি সম্ভব একমাত্র অনলাইন তথ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে। যার মাধ্যমে প্রতিটি মানুষ সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ ও সেবা গ্রহণ করতে পারবে। যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য একান্ত আবশ্যক এবং প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
একটি আশঙ্কার কথা : বাঙালি কর্মঠ, পরিশ্রমী আর সৃজনশীল জাতি হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু ডিজিটালাইজেশন বাঙালিকে অলস জাতি হিসেবে পরিণত করতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। যে জাতি এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বীরের বেশে অর্জন করেছিল স্বাধীনতা, সেই জাতি আজ অলসতার দায়ে অভিযুক্ত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। তবে এ অভিযোগ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সারা বিশ্বের প্রযুক্তিনির্ভরশীল দেশ সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের অভিমত। মানুষ নিজের সৃষ্ট প্রযুক্তি দিয়ে কাজ করাতে করাতে এক সময় সেই পরিণত হবে তার প্রযুক্তির ক্রীতদাসে। কথাটাকে একটু ঘুরিয়ে দেখলেই দেখা যাবে সত্যটা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতেও সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হলে ডিজিটাল প্রযুক্তি মানুষের কাজ কেড়ে নিলে বেকারের মিছিলে ভরে যাবে দেশ। অন্যদিকে এক শ্রেণীর আরামপ্রিয় মানুষ হয়ে পড়বে গৃহবন্দি। ডিজটাল শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা বই পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করবে, ফলে জাতি প্রকৃত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়বে। তবে এটি নির্ভর করবে ডিজিটাল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনার উপর। প্রযুক্তির ব্যবস্থাপনা যথাযথ হলে এই আশঙ্কা হয়তো সত্য হবে না। আর আমরা এই স্বপ্নই দেখি।
আশার মায়াবী আলো: ডিজিটাল বাংলাদেশ কি বাংলাদেশের জন্য অকল্যাণ বয়ে আনবে? অবশ্যই না। কেননা, প্রতিটা বিষয়েরই আছে ভালো-মন্দ, সাদা-কালো, কল্যাণ-অকল্যাণের দিক। আমরা এর কোনটা নিব এটাই মুখ্য। আমরা যদি প্রযুক্তি ও মানুষকে সমন্বয় করতে পারি তবে সমৃদ্ধিশালী দেশ গঠনে সক্ষম হবো। কর্মক্ষেত্রে যদি মানুষ কর্মের সুযোগ পায় তবে তারা কাজে যেমন আনন্দ পাবে তেমনি তারা হয়ে উঠবে একেক জন দক্ষকর্মী। তাই শত আঁধারের মধ্যেও আমরা স্বপ্ন দেখি ডিজিটালময় সুন্দর সমৃদ্ধ বাংলাদেশের।
উপসংহার : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তত হয় নি। সর্বক্ষেত্রে এখানে যদি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় তবে বাংলাদেশের উন্নয়ন সুনিশ্চিত। প্রযুক্তির ব্যবহার সুনিশ্চিত করতেই বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছে। আর এ লক্ষ্য যদি বাস্তবায়ন হয়, তবে দারিদ্যের আঁধার পেরিয়ে আমরা উপনীত হবো আলোক-উজ্জ্বল সমৃদ্ধির এক স্বপ্ন রাজ্যে। সেই স্বপ্ন আমরা সবাই দেখবো। কারণ, মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়ো।
+88 01713 211 910