
এইচএসসি বাংলা বানানের নিয়ম
এইচএসসি বাংলা বানানের নিয়ম
প্রশ্ন ১: বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানের নিয়ম অনুসারে ই-কার ব্যবহারের ৫টি নিয়ম। (দিবো-১৬,১৭)
উত্তর : নিচে বাংলা বানানে 'ই' কার ব্যবহারের ছয়টি নিয়ম আলোচনা করা হলো:
- ভাষা ও জাতিবাচক শব্দের শেষে 'ই' কার ব্যবহৃত হবে। যেমন : বাঙালি, ইরানি, ইংরেজি, ফারসি ইত্যাদি।
- বিশেষণবাচক আলি প্রত্যয় যুক্ত শব্দের শেষে 'ই' কার হবে। যেমন : চৈতালি, গীতালি, সোনালি ইত্যাদি।
- ক্রিয়াবাচক শব্দে 'ই' কার ব্যবহৃত হবে। যেমন : করি, খেলি, চলি, বলি ইত্যাদি।
(iv) প্রাণিবাচক অ-তৎসম শব্দে 'ই'-কার হবে। যেমন : হাতি, তিমি, চিংড়ি, মুরগি ইত্যাদি।
(v) স্ত্রীবাচক অ-তৎসম শব্দে 'ই' কার হবে। যেমন : মাসি, পিসি, দিদি, বিবি ইত্যাদি।
(vi) 'ইন' বা 'ঈ' প্রত্যয়ের শেষে বর্ণ বা শব্দ যুক্ত হলে 'ঈ' কারের বদলে 'ই' কার ব্যবহৃত হবে।
যেমন : প্রতিযোগী+তা > প্রতিযোগিতা, প্রতিদ্বন্দ্বী+তা > প্রতিদ্বন্দ্বিতা, সহযোগী+তা > সহযোগিতা ইত্যাদি।
(vii) কর্তা বা ব্যক্তিবাচক অ-তৎসম শব্দে ই-কার হবে। যেমন : কেরানি, মৌলবি, ঢাকি ইত্যাদি।
প্রশ্ন ২ : বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী অ-তৎসম শব্দের বানানের ৫টি নিয়ম লেখ। (চবো,ব, বো. ১৬, সিবো-১৭)
অথবা, বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী অ-তৎসম শব্দের বানানের পাঁচটি নিয়ম লিখ।
অথবা, প্রমিত বাংলা বানানের ৫টি নিয়ম লেখ। (য, বো. ১৬, চ. বোর্ড ১৯)
অথবা, বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের যে কোনো ৫টি নিয়ম লেখ। (ঢাবো, কুবো, রাবো-১৬, রাবো, ববো-১৭)
অথবা, আধুনিক বাংলা বানানের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। অথবা, বাংলা বানানের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
উত্তর : নিচে বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের অ-তৎসম শব্দের ৫টি নিয়ম আলোচনা করা হলো
(i) সকল অ-তৎসম শব্দেই শুধু হ্রস্ব স্বর অর্থাৎ 'ই-কার' এবং 'উ-কার' ব্যবহৃত হবে। যেমন : বাড়ি, পাখি, গাড়ি, মুলো, পুজো ইত্যাদি।
স্ত্রীবাচক ও জাতিবাচক শব্দেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। যেমন : নানি, চাচি, বাঙালি ইত্যাদি।
(ii) অ-তৎসম শব্দের বানানে 'ণ' ব্যবহার হবে না। যেমন : হর্ন, হান্টার, প্রিন্টার, কর্নেল ইত্যাদি।
(iii) অ-তৎসম শব্দের বানানে কখনই 'ষ' এর ব্যবহার হবে না। যেমন : মাস্টার, স্টেশন, পোস্টার ইত্যাদি।
(iv) বিশেষণ পদ সাধারণভাবে পরবর্তী পদের সাথে যুক্ত হবে না। যেমন : সুনীল আকাশ, লাল গোলাপ, সুন্দরী মেয়ে ইত্যাদি।
(v) হস চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জন করতে হবে। যেমন : কাত, চটফট, কলকল, তছনছ ইত্যাদি।
(vi) না-বাচক না এবং নি-এর প্রথমটি (না) স্বতন্ত্র পদ হিসেবে এবং দ্বিতীয়টি (নি) সমাসবদ্ধ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। যেমন : করি না কিন্তু করিনি।
প্রশ্ন ৩ : আধুনিক বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম লিখ।
উত্তর : নিচে আধুনিক বাংলা বানানের ৫টি নিয়ম আলোচনা করা হলো:
(i) সকল অ-তৎসম শব্দেই শুধু হ্রস্ব স্বর অর্থাৎ 'ই-কার' এবং 'উ-কার' ব্যবহৃত হবে। যেমন : বাড়ি, পাখি, গাড়ি, মুলো, পুজো ইত্যাদি।
স্ত্রীবাচক ও জাতিবাচক শব্দেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। যেমন : নানি, চাচি, বাঙালি ইত্যাদি।
(ii) অ-তৎসম শব্দের বানানে 'ণ' ব্যবহার হবে না। যেমন : হর্ন, হান্টার, প্রিন্টার, কর্নেল ইত্যাদি।
(iii) অ-তৎসম শব্দের বানানে কখনই 'ষ' এর ব্যবহার হবে না। যেমন : মাস্টার, স্টেশন, পোস্টার ইত্যাদি।
(iv) রেফ ( র্ম ) এর পর ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব হবে না। যেমন :কর্তা, কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।
(v) শব্দের শেষে বিসর্গ ব্যবহার হবে না। যেমন : মূলত, কার্যত, বস্তুত ইত্যাদি।
(vi) হস চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জন করতে হবে। যেমন: কাত, চটপট, কলকল, তছনছ ইত্যাদি।
(vii) সমাসবদ্ধ পদ একসাথে লিখতে হবে। যেমন: জটিলতামূলক, বিজ্ঞানসম্মত, সংবাদপত্র ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৪ : বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে তৎসম শব্দের বানানের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। (ঢাবো, রাবো-১৯)
উত্তর : নিচে বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের তৎসম শব্দের ৫টি নিয়ম আলোচনা করা হলো:
i. তৎসম অর্থাৎ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অবিকৃত সংস্কৃত শব্দের বানান যথাযথ ও অপরিবর্তিত থাকবে। কারণ এসব শব্দের বানান ও ব্যাকরণগত প্রকরণ ও পদ্ধতি নির্দিষ্ট রয়েছে। যেমন: চন্দ্র, হস্তী, পক্ষী ইত্যাদি।
ii. যে সমস্ত তৎসম শব্দে ই, ঈ বা উ, ঊ উভয়ই শুদ্ধ , সে সব শব্দে কেবল ই বা উ এবং তার কার চিহ্ন বা ব্যবহৃত হবে। যেমন - কিংবদন্তি, ভঙ্গি, শ্রেণি, উর্ণা, উষা ইত্যাদি।
|
|
|
|
|
|
iii. সন্ধির ক্ষেত্রে ক, খ, গ, ঘ পরে থাকলে পদের অন্তস্থিত ম স্থানে অনুস্বার (ং) লেখা যাবে। যেমন- অহংকার, ভয়ংকর, সংগীত, শুভংকর। তবে অঙ্ক, অঙ্গ, আকাঙ্ক্ষা , গঙ্গা প্রভৃতি সন্ধিবদ্ধ নয় বলে ঙ স্থানে ং হবে না।
iv. সংস্কৃত ইন-প্রত্যয়ান্ত শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারান্ত রূপ সমাসবদ্ধ হলে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সেগুলোতে হ্রস্ব ই-কার হবে। যেমন:
গুণী- গুণিজন, প্রাণী- প্রাণিবিদ্যা ইত্যাদি।
v. রেফ ( র্ম ) এর পর ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব হবে না। যেমন : কর্তা, কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।
vi. শব্দের শেষে বিসর্গ ব্যবহৃত হবে না। যেমন : মূলত, কার্যত, বস্তুত ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৫: বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ই, উ, ক্ষ, শ এবং রেফ (') ব্যবহারের নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। (সকল বোর্ড -১৮)
উত্তর : নিচে বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ই, উ, ক্ষ,শ এবং রেফ (র্ম) ব্যবহারের নিয়ম উদাহরণসহ উপস্থাপিত হলো:
- সকল অ-তৎসম শব্দেই শুধু হ্রস্ব স্বর অর্থাৎ 'ই-কার' ব্যবহৃত হবে। যেমন : বাড়ি, পাখি, গাড়ি, ইত্যাদি।
- সকল অ-তৎসম শব্দেই শুধু হ্রস্ব স্বর অর্থাৎ 'উ-কার' ব্যবহৃত হবে। যেমন : পুজো, মুলো, চুন ইত্যাদি
(iii) অতৎসম শব্দে ক্ষ-এর পরিবর্তে খ লিখতে হবে। যেমন: খিদে, খুদ, খুদে ইত্যাদি।
- ইংরেজি ও ইংরেজি মাধ্যম থেকে আগত s ধ্বনির জন্য স’ এবং -sh, sion, -tion প্রভৃতি বর্ণগুচ্ছ বা ধ্বনির জন্য শ’ ব্যবহৃত হবে।
যেমন : মিশন, সেশন, স্টেশন ইত্যাদি।
- রেফ (র্ম) এর পর ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব হবে না। যেমন : কর্তা, কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৬ :ণ-ত্ব বিধান কাকে বলে ? ণ-ত্ব বিধানের নিয়মগুলো আলোচনা কর।
উত্তর : তৎসম শব্দে ‘৭’- এর ব্যবহার বিধিকে ণ-ত্ব বিধান বলে। অন্য কথায়, যে রীতি অনুসারে বাংলা তৎসম শব্দের বানানে ‘ন’ (দস্তন্য)-এর স্থানে ‘ণ’- এর ব্যবহার হয়, তাকে ‘ণ-ত্ব বিধান বলে। যেমন : ঋণ, রণ, কারণ, ভাষণ ইত্যাদি। নিচে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম আলোচনা করা হলো :
- ঋ, র, ষ এবং ক্ষ - এর পরে ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়। যেমন : ঋণ, রণ, কারণ, ভাষণ, ক্ষণ ইত্যাদি।
ii. ঋ, র, ষ -এর পরে যদি স্বরবর্ণ, ক এবং প - বর্গীয় বর্ণ, য য় ব হং থাকে তবে পরবর্তী দন্তন্য ‘ন’ মূর্ধন্য -‘ণ হয়। যেমন : কৃপণ,
হরিণ, রামায়ণ, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
iii. ট-বর্গীয় বর্ণের ট ঠ ড ঢ এর পূর্বে ন থাকলে তা ণ-তে রূপান্তরিত হয়ে যুক্তবর্ণ রূপে ব্যবহৃত হয়। যেমন : কণ্টক, কণ্ঠ, ভণ্ড, কাণ্ড ইত্যাদি।
vi. প্র, পরা, পরি , নির - এই উপসর্গগুলো যদি কোন শব্দের সাথে যুক্ত হয় এবং সেই শব্দের শুরুতে যদি দস্তন্য ‘ন থাকে, তবে দন্তন্য ‘ন’ মূর্ধন্য -‘ণ’ তে রূপান্তরিত হয়। যেমন : প্র + নাম = প্রণাম, পরা + নত = পরাণত, নির + নয় = নির্ণয় ইত্যাদি।
- কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন : লবণ, বাণী, গণ, নিপুণ ইত্যাদি।
(vi) সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ ভিন্ন ভিন্ন বোঝালে এই নিয়ম কার্যকর হয় না। যেমন : ত্রিনয়ন, সর্বনাম ইত্যাদি।
- অতৎসম শব্দের বানানে ‘ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম প্রযোজ্য নয়। যেমন : ইরান, কোরআন, আয়রন, প্রিন্টার, ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৭: ষ-ত্ব বিধান কাকে বলে ? ষ-ত্ব বিধানের নিয়মগুলো লিখ।
উত্তর : তৎসম শব্দে 'ষ' এর ব্যবহার বিধিকেই 'ষ-ত্ব বিধান' বলে। অন্য কথায়, যে রীতি অনুসারে তৎসম শব্দের বানানে 'স' স্থলে 'ষ' হয় তাকে ষ-ত্ব বিধান' বলে। নিচে 'ষ-ত্ব বিধান'-এর নিয়মগুলো আলোচনা করা হলো:
i. রেফ (র্ষ ) এবং ঋ বা ঋ-কারের পরে 'ষ' হয়। যেমন : বর্ষ, বর্ষণ, ঋষি, কৃষি, কৃষক ইত্যাদি।
ii ট’ বর্গীয় বর্ণের ‘ট’ ও ‘ঠ’ এর পূর্বে 'ষ' সংযুক্ত হয়। যেমন : কষ্ট, দুষ্ট, প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি।
iii. অ-আ ভিন্ন স্বর, ক এবং র-এর পরবর্তী বিভক্তি বা প্রত্যয়ের স মূর্ধন্য 'ষ' হয়। যেমন : কল্যাণীয়ে + সু = কল্যাণীয়েষু, প্রীতিভাজনে +
সু = প্রীতিভাজনেষু।
iv. ই-কারান্ত ও উ-কারান্ত (অধি, অনু, অভি, নি, পরি, প্রতি, সু) উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুর 'স' রূপান্তরিত হয়ে 'ষ' হয়। যেমন : অধি + স্থান = অধিষ্ঠান, অনু + সঙ্গ = অনুষঙ্গ, অভি + সেক = অভিষেক, সু + সম = সুষম।
|
|
v. ক, খ, প, ফ - এদের আগে ইঃ (বা ই-কার ঃ ) অথবা উঃ ( উ-কার ঃ) থাকলে সন্ধির ফলে বিসর্গের জায়গায় সর্বদা মূর্ধন্য 'ষ' বসবে। যেমন : আবিঃ + কার = আবিষ্কার, পরিঃ + কার = পরিষ্কার, নিঃ + ফল = নিষ্ফল, দুঃ + কর = দুষ্কর, চতুঃ + পদ = চতুষ্পদ।
তবে, ইঃউঃ- এর স্থানে যদি অঃআঃ থাকে তাহলে 'ষ' হবে না, 'স' হবে। যেমন :তিরঃ + কার = তিরস্কার, পুরঃ + কার = পুরস্কার, ভাঃ + কর = ভাস্কর ইত্যদি।।
vi. কতগুলো তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে স্বভাবতই 'ষ' হয়। যেমন : ভাষা, ভাষ্য, আষাঢ়, পাষাণ, পৌষ, ষণ্ড, পাষণ্ড, আভাষ ইত্যাদি।
vii. আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি শব্দে কখনও 'ষ' হবে না। যেমন: আরবি: নকশা, মুশকিল, শয়তান, ফসল ইত্যদি।
ইংরেজি : কমিশন, মেশিন, স্যার , সিলেবাস ইত্যাদি।
ফার্সি : খুশি, খোশ, চশমা, খানসামা ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৮ : বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দ লেখার ৫টি নিয়ম লেখ।
উত্তর : বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর বানান বিভিন্ন নিয়মে লেখা হয়ে থাকে। এদের ৫টি নিয়ম নিচে দেয়া হলো:
i বাংলায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষার ধ্বনি পদ্ধতি অনুযায়ী লিখতে হবে। যেমন - হাসপাতাল, কাগজ, হাজার ইত্যাদি।
কিন্তু ইসলাম ধর্মের ‘যা’, ‘যাল’, ‘যোয়াদ’ এর বানানে ‘য’ ব্যবহার করতে হবে। যেমন: আযান, অযু, নামায ইত্যাদি।
ii. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের অবিকৃত উচ্চারণের ক্ষেত্রে ‘এ’ বা ‘এ’-কার ব্যবহৃত হবে। যেমন -এন্ড, নেট, বেড ইত্যাদি।
iii. বিদেশি শব্দের বিকৃত বা বাঁকা উচ্চারণে অ্যা বা Ô¨vÕ ব্যবহৃত হবে। যেমন : অ্যাবসার্ড, ক্যাসেট ইত্যাদি।
iv. বিদেশি শব্দের প্রতিবর্ণীকরণে কখনও ঈ/ী, ঊ/ূ -কার ব্যবহৃত হবে না। যেমন; আলমারী > আলমারি, একাডেমী > একাডেমি ইত্যাদি।
v. ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যে সমস্ত বানান ব্যবহৃত হয় তা হুবহু মানতে হবে। যেমন: ইদ > ঈদ, ইসা > ঈসা ইত্যাদি।
vi. ইংরেজি St এর স্থানে বাংলায় ‘স্ট লিখতে হবে। যেমন :স্টেশন, স্টোভ, স্টেডিয়াম ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৯ : বাংলা বানানে উ-কার ব্যবহারের ৫টি নিয়ম লেখ।
উত্তর : বাংলা বানানে ‘উ-কার ব্যবহারের ৫টি নিয়ম নিচে দেয়া হলো:
i. দেশি, বিদেশি ও তদ্ভব শব্দে উ-কার ব্যবহৃত হয়। যেমন : দেশি শব্দ - কুলা, বাদুড় ; বিদেশি শব্দ - সুদ, মুনাফা, মুলতবি ; তদ্ভব শব্দ -
পূজা>পুজো, মূলা>মুলো ইত্যাদি।
ii. উক, উয়া, উনি ইত্যাদি প্রত্যয় নিষ্পন্ন শব্দের মধ্যাংশে উ-কার ব্যবহৃত হয়। যেমন: পেট+উক=পেটুক, পড়+উয়া=পড়ুয়া, চাল+উনি=চালুনি ইত্যাদি।
iii. ক্রিয়াবচক শব্দে ‘উ'-কার ব্যবহৃত হয়। যেমন : করুন, পড়ন, বসুন ইত্যাদি।
iv. উ-কারান্ত উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দে সর্বদাই উ-কার হয়। যেমন: অনুষঙ্গ, অনুশীলন, সুশীল ইত্যাদি।
v. তৎসম শব্দের তদ্ভব শব্দরূপের বিকল্প উ-কার হবে। যেমন: ঊনবিংশ>উনিশ, চূর্ণ>চুন ইত্যাদি।
-০-
+88 01713 211 910
