
HSC 2025 Bangla 2nd Paper Question and Full Solution – Jashore Board | এইচএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্র প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৫
এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৫
যশোর বোর্ড
বাংলা দ্বিতীয় পত্র
বিষয় কোড: ১০২
সময়-৩ ঘণ্টা পূর্ণমান-১০০
১। ক) উদাহরণসহ ম-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখ।
উত্তর: নিচে ম-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখা হলো:
১। শব্দের আদিতে ব্যঞ্জনে যুক্ত ম-ফলা থাকলে, সে ‘ম’ উচ্চারিত হয় না । তবে ম-ফলা যুক্ত ব্যঞ্জনে যে স্বরধ্বনি থাকে, তা সানুনাসিক উচারিত হয় যেমন: শ্মশান (শঁশান্), স্মারক (শাঁরোক্), স্মরণ (শঁরোন্), স্মৃতি (সৃঁতি) ইত্যাদি।
২। শব্দের মধ্যে বা অন্তে ম-ফলা-যুক্ত ব্যঞ্জনের ম উচ্চারিত হয় না, ব্যঞ্জনটির উচ্চারণ দ্বিত্ব ঘটে এবং ব্যঞ্জনে যুক্ত স্বরটির উচ্চারণ আনুনাসিক হয়। যেমন: ভস্ম (ভশশোঁ), রশ্মি ( রোশ্শিঁ), আত্মা ( আত্তাঁ), পদ্ম (পদ্দোঁ) ইত্যাদি।
৩। শব্দের মধ্যে বা অন্তে ‘গ, ঙ, ট, ণ, ন, ম এবং ল’-এর সঙ্গে ম যুক্ত হলে, সে ম উচ্চারিত হয়। যেমন : যুগ্ম (জুগ্মো), বাগ্মী (বাগ্মি),
চিন্ময় (চিন্ময়্), বাল্মীকি (বাল্মিকি) ইত্যাদি।
৪। সংযুক্ত ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত ম-ফলা উচ্চারিত হয় না, তবে সংযুক্ত ব্যঞ্জনে যুক্ত স্বরধ্বনিটি আনুনাসিক উচ্চারিত হয়। যেমন : সূক্ষ্ম (শুক্খোঁ), লক্ষ্মী ( লোক্খিঁ ) ইত্যাদি।
৫। বাংলায় কতিপয় ম-ফলা যুক্ত সংস্কৃত শব্দ আছে, যাদের ম-ফলা উচ্চারিত হয়। যেমন : কুষ্মাণ্ড (কুশ্মান্ডো), সুস্মিতা (শুশ্মিতা), স্মিত (স্মিতো) ইত্যাদি।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ:
|
প্রদত্ত শব্দ |
শুদ্ধ উচ্চারণ |
|
অধ্যক্ষ |
ওদ্ধোক্খো |
|
আবৃত্তি |
আবৃত্তি |
|
অদ্বিতীয় |
অদ্দিতিয়ো |
|
ঐকতান |
ওইকোতান্ |
|
সহস্র |
শহোস্স্রো |
|
স্মরণীয় |
শরোনিয়ো, |
|
জ্ঞাপন |
গ্যাঁপোন্ |
|
স্মর্তব্য |
শর্তোব্বো। |
২। ক) বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম লেখ।
উত্তর : তৎসম শব্দে ‘ণ’- এর ব্যবহার বিধিকে ণ-ত্ব বিধান বলে। অন্য কথায়, যে রীতি অনুসারে বাংলা তৎসম শব্দের বানানে ‘ন’ (দস্তন্য)-এর স্থানে ‘ণ’- এর ব্যবহার হয়, তাকে ‘ণ-ত্ব বিধান বলে। যেমন : ঋণ, রণ, কারণ, ভাষণ ইত্যাদি। নিচে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম আলোচনা করা হলো :
(i) ঋ, র, ষ এবং ক্ষ - এর পরে ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়। যেমন : ঋণ, রণ, কারণ, ভাষণ, ক্ষণ ইত্যাদি।
(ii) ঋ, র, ষ -এর পরে যদি স্বরবর্ণ, ক এবং প - বর্গীয় বর্ণ, য য় ব হং থাকে তবে পরবর্তী দন্তন্য ‘ন’ মূর্ধন্য -‘ণ হয়। যেমন : কৃপণ,
হরিণ, রামায়ণ, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
(iii ) ট-বর্গীয় বর্ণের ট ঠ ড ঢ এর পূর্বে ন থাকলে তা ণ-তে রূপান্তরিত হয়ে যুক্তবর্ণ রূপে ব্যবহৃত হয়। যেমন : কণ্টক, কণ্ঠ, ভণ্ড, কাণ্ড ইত্যাদি।
(vi) প্র, পরা, পরি , নির - এই উপসর্গগুলো যদি কোন শব্দের সাথে যুক্ত হয় এবং সেই শব্দের শুরুতে যদি দস্তন্য ‘ন থাকে, তবে দন্তন্য ‘ন’ মূর্ধন্য -‘ণ’ তে রূপান্তরিত হয়। যেমন : প্র + নাম = প্রণাম, পরা + নত = পরাণত, নির + নয় = নির্ণয় ইত্যাদি।
(v) কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন : লবণ, বাণী, গণ, নিপুণ ইত্যাদি।
(vi) সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ ভিন্ন ভিন্ন বোঝালে এই নিয়ম কার্যকর হয় না। যেমন : ত্রিনয়ন, সর্বনাম ইত্যাদি।
(vii) অতৎসম শব্দের বানানে ‘ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম প্রযোজ্য নয়। যেমন : ইরান, কোরআন, আয়রন, প্রিন্টার, ইত্যাদি।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখ:
|
অশুদ্ধ বানান |
শুদ্ধ বানান |
|
আবিস্কার |
আবিষ্কার |
|
প্রতিদ্বন্দিতা |
প্রতিদ্বন্দ্বিতা |
|
শহীদমিনার |
শহিদমিনার |
|
উশৃঙ্খল |
উচ্ছৃঙ্খল |
|
নুন্যতম |
ন্যূনতম |
|
নিশিথিনী |
নিশীথিনী |
|
মুমুর্ষু |
মুমূর্ষু |
|
সায়াহু |
সায়াহ্ন। |
৩। ক) ক্রিয়াপদ কাকে বলে? উদাহরণসহ ক্রিয়াপদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।
উত্তর: নিচে উদাহরণসহ ক্রিয়া পদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করা হলো:
ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে, বাক্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে এবং গঠন বিবেচনায় ক্রিয়াকে নানা ভাগে ভাগ করা যায়।
ক. ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়া দুই প্রকার:
১. সমাপিকা ক্রিয়া
২. অসমাপিকা ক্রিয়া:
নিচে এদের পরিচয় দেওয়া হলো:
১. সমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়া দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন: ভালো করে পড়াশোনা করবে।
২. অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া ভাব সম্পূর্ণ করতে পারে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।যেমন: ভালো করে পড়াশোনা করলে ভালো ফল হবে।
অসমাপিকা ক্রিয়া তিন ধরনের: (i) ভূত অসমাপিকা,
(ii) ভাবী অসমাপিকা এবং
(iii) শর্ত অসমাপিকা।
যথা:
ভূত অসমাপিকা: সে গান করে আনন্দ পায়।
ভাবী অসমাপিকা: সে গান শিখতে রাজশাহী যায়।
শর্ত অসমাপিকা: গান করলে তার মন ভালো হয়।
খ. বাক্যের মধ্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে ক্রিয়া তিন প্রকার:
১. অকর্মক ক্রিয়া:
২. সকর্মক ক্রিয়া :
৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া:
নিচে এদের পরিচয় দেওয়া হলো:
১. অকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন: সুমন ঘুমায়।এই বাক্যে কোনো কর্ম নেই।
২. সকর্মক ক্রিয়া : বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।যেমন: আইমান বই পড়ছে। এই বাক্যে 'পড়ছে' হলো সকর্মক ক্রিয়া। 'বই' হলো 'পড়ছে' ক্রিয়ার কর্ম।
৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন: শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন। এই বাক্যে 'দিলেন' একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া। 'কী দিলেন' প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম ('বই'), আর 'কাকে দিলেন' প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম ('ছাত্রকে')।
গ. গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া পাঁচ রকম:
১. সরল ক্রিয়া: একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়াটি সম্পন্ন করে, তাকে সরল ক্রিয়া বলে। যেমন: আদিলা লিখছে। আইমান মাঠে খেলছে। এখানে লিখছে ও খেলছে এগুলো সরল ক্রিয়া।
২. প্রযোজক ক্রিয়া: কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। যেমন: স্যার আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন; রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায় এখানে 'করাচ্ছেন' ও 'খাওয়ায়' প্রযোজক ক্রিয়া।
৩. নামক্রিয়া: বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের শেষে -আ বা -আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে নামক্রিয়া বলে। যেমন : বিশেষ্য চমক শব্দের সঙ্গে-আনো যুক্ত হয়ে হয় চমকানো: আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়; বিশেষণ কম শব্দের সঙ্গে-আ যুক্ত হয়ে হয় কমা: বাজারে সবজির দাম কমছে না; ধ্বন্যাত্মক ছটফট শব্দের সঙ্গে-আনো যুক্ত হয়ে হয় ছটফটানো: জবাই করা মুরগি উঠানে ছটফটায়।
৪. সংযোগ ক্রিয়া: বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়। যেমন:
করা ক্রিয়া যোগে: গান করা, গরম করা, ঠনঠন করা, ব্যাট করা;
কাটা ক্রিয়া যোগে: সাঁতার কাটা, বিপদ কাটা; হওয়া ক্রিয়া যোগে:
উদয় হওয়া, বড়ো হওয়া, রাজি হওয়া;
দেওয়া ক্রিয়া যোগে: কথা দেওয়া, মন দেওয়া, দোষ দেওয়া;
ধরা ক্রিয়া যোগে: ভাঙন ধরা, মরচে ধরা, ক্যাচ ধরা;
পাওয়া ক্রিয়া যোগে: লজ্জা পাওয়া, কষ্ট পাওয়া, বৃদ্ধি পাওয়া;
খাওয়া ক্রিয়া যোগে: আছাড় খাওয়া, মার খাওয়া, ডিগবাজি খাওয়া;
মারা ক্রিয়া যোগে: উঁকি মারা, পকেট মারা।
৫. যৌগিক ক্রিয়া: অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে। যেমন: মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা, হেসে ওঠা, উঠে পড়া, পেয়ে বসা, সরে দাঁড়ানো, বেঁধে দেওয়া, বুঝে নেওয়া, বলে ফেলা, করে তোলা, চেপে রাখা ইত্যাদি।
অথবা, খ) নিম্নরেখ যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ কর:
i) মাথার উপরে জ্বলিছে সূর্য।
ii) সুখ কে না চায়?
iii) ম্লান আলোকে ফুটলি কেনো গোলক চাঁপার ফুল?
iv) হে মহান, তোমাকে অভিবাদন।
v) তোমায় দেখে প্রীত হলাম।
vi) কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা।
vii) যথা ধর্ম, তথা জয়।
viii) এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে।
পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ করা হলো:
i) অনুসর্গ
ii) বিশেষ্য
iii) বিশেষণ
iv) আবেগ
v) ক্রিয়া
vi) ক্রিয়াবিশেষণ
vii) যোজক
viii) ক্রিয়াবিশেষণ
৪। ক) উপসর্গের সংজ্ঞা দাও। উপসর্গ ব্যবহার করে পাঁচটি শব্দ গঠন কর।
উত্তর: উপসর্গ:যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে।
যেমন: অ+কাজ = অকাজ, সু+দিন সুদিন, দূর+দিন দুর্দিন ইত্যাদি।
উপসর্গ ব্যবহার করে পাঁচটি শব্দ গঠন করা হলো:
১. প্র+হার=প্রহার
২. অপ+রূপ=অপরূপ
৩. পরি+সীমা=পরিসীমা
৪. সম+পূর্ণ=সম্পূর্ণ
৫. নি+খাদ-নিখাদ
অথবা, খ) ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে কোনো পাঁচটি)
|
প্রদত্ত শব্দ |
ব্যাসবাক্য |
সমাসের নাম |
|
সোনারতরী |
সোনার তরী |
অলুক তৎপুরুষ |
|
সমন্বয়ক |
সমন্বয় করে যে |
উপপদ তৎপুরুষ |
|
মহানবি |
মহান যে নবি |
কর্মধারয় |
|
মূকাভিনয় |
মুক সেজে অভিনয় |
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় |
|
গায়ে-হলুদ |
গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে |
বহুব্রীহি |
|
সেতার |
সে (তিন) তার আছে যার |
বহুব্রীহি |
|
ভবনদী |
ভব রূপ নদী |
রূপক কর্মধারয় |
|
তোমরা |
সে ও তুমি |
দ্বন্দ্ব |
৫। ক) বাক্য কাকে বলে? অর্থ অনুসারে বাক্যের প্রকারভেদ আলোচনা কর।
উত্তর: অর্থ অনুযায়ী বাংলা বাক্যকে প্রধানত সাত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. নির্দেশক বা নির্দেশাত্মক বাক্য,
২. প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নাক্মক বাক্য,
৩. অনুজ্ঞাসূচক বাক্য,
৪. ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য,
৫. কার্যকারণাত্মক বাক্য,
৬. সংশয়সূচক বা সন্দেহদ্যেতক বাক্য,
৭. বিস্ময়সূচক বাক্য।
নিচে উদাহরণসহ এদের পরিচয় দেওয়া হলো:
১. নিদের্শক বা নির্দেশাত্মক বাক্য: এই বাক্যকে নির্দেশমূলক নির্দেশসূচক, নির্দেশাত্মক বিবৃতিমূলক প্রভৃতি নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে । যে বাক্যে কোন বক্তব্য সাধারণভাবে বিবৃতি বা নির্দেশ করা হয়ে থাকে , তাকে নির্দেশাত্মক বাক্য বলে। যেমন: তাসনীম কবিতা পছন্দ করে। আলভী মিথ্যা কথা বলে না।
নিচে উদাহরণসহ এদের পরিচয় দেওয়া হলো:
ক. অস্তিবাচক বাক্য ও খ. নেতিবাচক বাক্য
এদের পরিচয় দেয়া হলো:
ক. অস্তিবাচক বাক্য: যে বাক্যে কোন ঘটনা ভাব বা বক্তব্যে অস্তিত্ব বা হাঁসূচক অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে অস্তিবাচক বাক্য বলে। যেমন: তিথি রবীন্দ্রসঙ্গীত পছন্দ করে।
খ. নেতিবাচক বাক্য: যে বাক্যে কোন ঘটনায় কাজে বা ভাবে অস্বীকৃতি অনস্তিত্ব, নিষেধ বা না-সূচক অর্থ বোঝায়, তাকে নেতিবাচক বাক্য বলে।
যেমন: তিথি রবীন্দ্রসঙ্গীত অপছন্দ করে না। তাসনীম মানুষকে ঘৃণা করে না।
২. প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নাত্মক বাক্য: এই বাক্যকে প্রশ্নমূলক, প্রশ্নসূচক জিজ্ঞাসাত্মক বাক্যও বলা হয়ে থাকে। যে বাক্যে কোন কিছু জিজ্ঞাসা বা প্রশ্নসূচক অর্থ প্রকাশ পায় তাকে প্রশ্নবোধক বাক্য বলে। যেমন: তুমি কোন ক্লাসে পড়? কোন ফুল তোমার পছন্দ?
৩. অনুজ্ঞাসূচক বাক্য : এই বাক্যকে আজ্ঞাসূচক, আজ্ঞাবাচক, অনুজ্ঞাবাচক, আদেশসূচক বাক্যও বলা হয়ে থাকে। যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, নিষেধ, প্রস্তাব ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায় তাকে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে। যেমন:
আদেশ: কাছে এস।
উপদেশ: সদা সত্য কথা বলবে।
অনুরোধ: দয়া করে আমার কাজটা করে দেবেন।
নিষেধ:অপরের নিন্দা করো না।
প্রস্তাব: চল, খেলা দেখে আসি।
৪. প্রার্থনাসূচক বাক্য: এই বাক্যকে ইচ্ছাসূচক, ইচ্ছাবোধক বাক্যও বলা হয়ে থাকে। যে বাক্যে ইচ্ছা, প্রার্থনা, উচ্ছ্বাস ইত্যাদি অর্থ প্রকাশিত হয় তাকে প্রার্থনাসূচক বাক্য বলা হয়ে থাকে। যেমন:
আমি যদি জন্ম নিতাম কালিদাসের কালে।
৫. কার্যকারণাত্মক বাক্য: এই বাক্যকে শর্তসূচক, শর্তসাপেক্ষ বাক্য বলা হয়ে থাকে। যদি, যদ্যপি প্রভৃতি অব্যয়যোগে যে বাক্য গঠিত এবং যাতে কারণ, নিয়ম , শর্ত, স্বীকৃতি ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে কার্যকারণাত্মক বাক্য বলা হয়ে থাকে। যেমন:
কষ্ট না করেলে কেষ্ট মেলে না। (শর্ত)
মন দিয়ে পড়াশোনা না করলে পাশ করা যায় না।(নিয়ম)
৬. সন্দেহদ্যোতক বাক্য: এই বাক্যের অন্য নাম, সন্দেহাত্মক, সংশয়সূচক বাক্য। যে বাক্যে বক্তব্য বিষয় সম্পর্কে সন্দেহ, সংশয়, সম্ভাবনা, অনুমান, অনিশ্চয়া ইত্যাদি প্রকাশ করা হয় তাকে সন্দেহদ্যোতক বাক্য বলা হয়ে থাকে। যেমন:
বোধ হয়, তাসনীম আজ আসবে।
সম্ভবত আগামীকাল পরীক্ষার ফল আসবে।
৭. বিস্ময়সূচক বাক্য: যে বাক্যে বিস্ময়, হর্ষ, শোক, ঘৃণা, ক্রোধ, ভয় ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করা হয়, তাকে বিস্ময়বোধক বাক্য বলা হয়। যেমন:
বিস্ময়: কী ভয়ংকর কথা!
হর্ষ: ছন্দে ছন্দে দুলি আনন্দে আমি বনফুল গো!
ঘৃণা: ছি ছি! এমন বাজে আচরণ করলে কী করে?
অথবা, খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুযায়ী বাক্যান্তর কর (যে কোনো পাঁচটি):
|
প্রদত্ত বাক্য |
বাক্যান্তর |
|
i) জয় হোক তবজয়। (নির্দেশাত্মক) |
তোমার জয় হবে। |
|
ii) চলো ঘুরে আসি। (প্রশ্নবাচক) |
চলো, ঘুরে আসা যায় না? |
|
iii) আমার বন্ধু হরিশ। (জটিল) |
যে আমার বন্ধু, তার নাম হরিশ। |
|
iv) লোকে যা বলে তাতে কান দিওনা। (যৌগিক) |
লোকে বলবে কিন্তু তাতে কান দিও না । |
|
v) তুমি অধম, তাই বলে আমি উত্তম হব না কেন? (সরল) |
তুমি অধম বলে আমি উত্তম হব না কেন? |
|
vi) দেশের সেবা করা কর্তব্য। (অনুজ্ঞাবাচক) |
দেশের সেবা করো। |
|
(vii) ফুলটি খুব সুন্দর। (বিস্ময়সূচক) |
ফুলটি কী সুন্দর! |
|
viii) ঘরে এলে খাতির করব না কেনো? (অস্তিবাচক) |
ঘরে এলে খাতির করব। |
৬। ক) যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ:
|
অশুদ্ধ বাক্য |
শুদ্ধ বাক্য |
|
i) সমুদয় পক্ষীরাই নীড় বাঁধে। |
সব পাখিই নীড় বাঁধে। |
|
ii) বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর। |
বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। |
|
iii) বাক্যটির উৎকর্ষতা প্রশংসনীয়। |
বাক্যটির উৎকর্ষ প্রশংসনীয়। |
|
iv) ঐক্যতান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা। |
'ঐকতান' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা। |
|
v) এক পৌষে শীত যায় না। |
এক মাঘে শীত যায় না। |
|
vi) ঘড়িকে হাতে দাও। |
হাতে ঘড়ি দাও। |
|
vii) মধুমিতা এমন রূপসী যেন অপ্সরী। |
মধুমিতা এমন রূপসি যেন অপ্সরী। |
|
viii) বাংলা বানান আয়ত্ব করা বেশ কঠিন। |
বাংলা বানান আয়ত্ত করা বেশ কঠিন। |
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগগুলো শুদ্ধ করে লেখ:
জীবন বৃক্ষের শাখায় যে ফুল ফোটে তাই মনুসতত্ত্ব। বৃক্ষের গোড়ায় জল ঢালতে হবে এই ফুলের দিকে লক্ষ্য রেখে। শুধু মাটির রশ টেনে গাছটা মোটা হয়ে উঠবে এই ভেবে কোনো মালী গাছের গোড়ায় জল ঢালে না। সমাজ ব্যবস্থাকেও ঠিক করতে হবে। মানুষকে খাইয়ে দাইয়ে মোটা করে তুলবার জন্য নয়, মানুষের অন্তরে মূল্যবোধ তথা সুন্দর্য্য, প্রেম ও আনন্দ সম্বন্ধে চেতনা জাগিয়ে তুলবার উদ্দেশ্য।
উত্তর: জীবনবৃক্ষের শাখায় যে ফুল ফোটে, সেটিই মনুষ্যত্ব। বৃক্ষের গোড়ায় জল ঢালতে হবে এই ফুলের দিকে লক্ষ্য রেখে। শুধু মাটির রস টেনে গাছ মোটা হবে—এই ভেবে কোনো মালী গাছের গোড়ায় জল ঢালে না। সমাজব্যবস্থাও ঠিক করতে হবে। মানুষকে খাইয়ে দাইয়ে মোটা করে তোলার জন্য নয়, মানুষের অন্তরে মূল্যবোধ, সৌন্দর্য, প্রেম ও আনন্দের চেতনা জাগিয়ে তুলবার উদ্দেশ্যে।
৭। ক) যে কোনো দশটি শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ লেখ:
|
প্রদত্ত শব্দ |
পারিভাষিক রূপ |
|
Optional |
ঐচ্ছিক |
|
Graduate |
স্নাতক; |
|
File |
নথি |
|
Equation |
সমীকরণ |
|
Radio |
বেতার |
|
Training |
প্রশিক্ষণ |
|
Secretary |
সচিব |
|
Quota |
যথাংশ |
|
Forecast |
পূর্বাভাস |
|
Theory |
তত্ত্ব |
|
Note |
মন্তব্য |
|
Myth |
পুরাণ |
|
Galaxy |
ছায়াপথ। |
|
Nebula |
নীহারিকা |
|
Tax |
কর |
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর:
A patriot is a man who loves his country, works for it and is willing to fight and die for it. Every soldier is bound to do his duty, but the best soldiers do more than this. They risk their lives because they love the country. They are the best friends of the people.
বঙ্গানুবাদ:
একজন দেশপ্রেমিক হলো সেই ব্যক্তি, যে নিজের দেশকে ভালোবাসে, দেশের জন্য কাজ করে এবং প্রয়োজনে দেশের জন্য যুদ্ধ করতে ও জীবন দিতে প্রস্তুত থাকে। প্রতিটি সৈনিকেরই কর্তব্য পালন করা বাধ্যতামূলক, কিন্তু শ্রেষ্ঠ সৈনিকেরা এর চেয়েও বেশি কিছু করে। তারা দেশের প্রতি ভালোবাসার কারণেই নিজের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলে। এরা জনগণের প্রকৃত বন্ধু।
৮। ক) তোমার এইচ, এস, সি পরীক্ষার পূর্বরাতের একটি দিনলিপি লেখ।
উত্তর: নিচে এইচএসসি পরীক্ষার পূর্বরাতে একটি দিনলিপি উপস্থাপন করা হলো :
এইচ.এস.সি পরীক্ষার পূর্বরাতের দিনলিপি
৮ জুলাই, ২০২৫
রাত ১০টা ৩০ মিনিট
আজকের দিনটি ছিল চরম উত্তেজনা আর চাপের মধ্য দিয়ে কাটানো এক স্মরণীয় দিন। কারণ আগামীকাল শুরু হচ্ছে এইচ.এস.সি পরীক্ষা—বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়। প্রথম পরীক্ষাটি বাংলা প্রথম পত্র।
সকালে ঘুম থেকে উঠেই পড়ার টেবিলে বসেছিলাম। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ দাশ—সব কবিতা আর গদ্য অংশ আবারও ঝালাই করলাম। মনে হচ্ছে কত কিছু ভুলে গেছি, আবার কত কিছু মনে পড়ে যাচ্ছে। এই টানাপোড়েনেই কেটে গেল পুরো দিনটা।
আম্মু বারবার এসে জিজ্ঞেস করছেন—“পড়া ঠিকঠাক হয়েছে তো?” আব্বু বললেন—“উৎকণ্ঠিত হলে চলবে না, আত্মবিশ্বাস রাখো।” ছোট বোন আমার জন্য শুভকামনা জানিয়ে চকলেট দিল।
বিকেলে বারান্দায় দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। মনে হচ্ছিল, এই সন্ধ্যা আমার জীবনের একটা মোড় ঘোরানোর মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে থাকবে। সন্ধ্যায় বাংলা স্যার ফোন করে বললেন, “প্রশ্ন সহজ-জটিল যাই হোক, মন দিয়ে পড়ো ও উত্তর দাও, ইনশাআল্লাহ ভালো হবে।”
রাতের খাবার মাকে জোর করে খেলাম। এখন পরীক্ষার প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড আর কলম-পেন্সিল গুছিয়ে রাখছি। মাঝে মাঝে বুক ধড়ফড় করছে, আবার নিজেকেই বলছি—“তুই পারবি!”
এই রাত শুধু একটি পরীক্ষার আগের রাত নয়, বরং স্বপ্নপূরণের পথে আমার প্রথম পদক্ষেপ। আগামীকাল যেন সুন্দরভাবে লিখতে পারি, এই কামনাতেই ঘুমাতে যাচ্ছি।
অথবা, খ) 'পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ'-এ শিরোনামে প্রতিবেদন রচন কর।
উত্তর: নিচের লিংকে
৯। ক) ফেসবুকে অধিক সময় না দেওয়ার জন্য ছোটভাইকে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি।
উত্তর: নিচের লিংকে :
অথবা, খ) তোমার এলাকায় ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে পৌরসভা মেয়র অথবা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যানের কাছে একটি আবেদনপত্র লেখ।
১০। ক) সারমর্ম লেখ: ১০
এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ,
মৃত আর ধ্বংসস্তুপ পিঠে চলে যেতে হবে আমাদের
চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল।
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
উত্তর: কবিতাংশে কবি নতুন শিশুর আগমনে ভবিষ্যতের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, জীর্ণ ও ধ্বংসস্তুপে পরিণত এই পৃথিবী নতুন প্রজন্মের উপযোগী নয়। তাই পুরনো প্রজন্ম হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো, যতদিন দেহে প্রাণ আছে, ততদিন প্রাণপণে সমাজ ও পৃথিবীর জঞ্জাল দূর করে নবজাতকের জন্য একটি সুন্দর, বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলা। এটি নতুন শিশুর কাছে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার।
অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর:
প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয় কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় না।
উত্তর: নিচের লিংকে-
১১। ক) সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার কথোপকথন তুলে ধর।
উত্তর: নিচের লিংকে
অথবা, খ) প্রদত্ত সংকেত অবলম্বনে 'লোভের পরিণাম' শীর্ষক একটি ক্ষুদে গল্প রচনা কর।
গল্প সংকেত: স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি ফলের বাগান করে শামীম..
উত্তর: লোভের পরিণাম
স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে শামীম তার পৈতৃক জমিতে একটি ফলের বাগান গড়ে তোলে। প্রথমদিকে সে গাছপালার পরিচর্যা করত নিয়মিত, কীটনাশক ব্যবহারে সচেতন ছিল এবং জৈব সার প্রয়োগে গুরুত্ব দিত। দুই বছর পর বাগানে ফল ধরতে শুরু করে। আম, পেয়ারা, লিচু, কাঁঠাল—সবই হয়েছিল দারুণ। শামীমের পরিশ্রমে লোকজনও প্রশংসা করত, অনেকেই তার বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেরাও বাগান করতে শুরু করে।
এক মৌসুমে শামীমের ফল অনেক দাম পেয়েছিল। লাভ দেখে তার মনে লোভ জাগে—কীভাবে আরও বেশি ফল পাওয়া যায়, কীভাবে আরও দ্রুত গাছ বড় হয়। এই ভাবনায় সে ধীরে ধীরে রাসায়নিক সার আর কীটনাশকের ব্যবহার বাড়িয়ে দেয়। কৃষি অফিসের পরামর্শ না নিয়েই শুরু করে মাটি-পরিবর্তন, অতি দ্রুত ফল ধরার জন্য অপ্রয়োজনীয় হরমোন প্রয়োগ।
শুরুর দিকে ফল বড় হলেও স্বাদ ও গুণমানে ঘাটতি পড়ে। বাজারে তার ফল বিক্রি কমে যায়। কিছু ফল খেয়ে কয়েকজন ক্রেতা অসুস্থ হলে স্থানীয় প্রশাসন তার বাগান পরীক্ষা করে এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের প্রমাণ পায়। কৃষি বিভাগ থেকে তার নামে সতর্কীকরণ নোটিশ জারি হয় এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।
পরিণামে শামীমের বাগান সরকারি নজরদারির আওতায় চলে যায় এবং তার সম্মান ও আয়ের প্রধান উৎসটি ধ্বংস হয়ে পড়ে।
একসময় পরিশ্রমী কৃষক হিসেবে পরিচিত শামীম আজ শুধুই উদাহরণ—লোভে পড়ে নিয়ম ভাঙার পরিণাম কত ভয়াবহ হতে পারে, তা সবার কাছে স্পষ্ট করে দেয়।
১২। নিচের যে কোনো একটি বিষয় অবলম্বনে প্রবন্ধ রচনা কর:
ক) অধ্যবসায়
উত্তর : নিচের লিংকে-
খ) মানব কল্যাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
উত্তর : নিচের লিংকে-
গ) নারীর ক্ষমতায়ন
উত্তর : নিচের লিংকে-
ঘ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা
উত্তর : নিচের লিংকে-
৩) স্বদেশপ্রেম।
উত্তর : নিচের লিংকে-
প্রশ্নটি সমাধান করেছেন-
ড. এ. আই. এম. মুসা
অধ্যাপক-বাংলা
onlinereadingroombd.com
ভূতপূর্ব শিক্ষ : রংপুর সরকারি কলেজ, রংপুর।
সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ, রংপুর।
সরকারি পিসি কলেজ, বাগেরহাট।
+88 01713 211 910