
NTRCA College : বাংলা ভাষার পরিচয়: বাংলার ভাষার উদ্ভব সম্পর্কে বিভিন্ন পণ্ডিতদের মতামত
প্রশ্ন: বাংলার ভাষার উদ্ভব সম্পর্কে বিভিন্ন পণ্ডিতদের মতামত আপনার মতের পক্ষে যুক্তি দিন।
আলোচনা: পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় সত হাজার ভাষা রয়েছে। এর মধ্যে বাংলা একটি অন্যতম ভাষা। মাতৃভাষা হিসেবে ভাষা ব্যবহারকারীর দকে থেকে বাংলা পৃথিবীতে এখন পঞ্চম ভাষা। বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ সম্পর্কে ভাষা গবেষক ও পণ্ডিতদের মধ্যে যথেষ্ট মতপার্থক্য বিদ্যমান। এই সম্পর্কে বেশ কিছু মতবাদ রয়েছে। আমরা আলোচ্য নিবন্ধে তিনটি মতবাদ পরীক্ষা করে বাংলা ভাষার উদ্ভব সম্পর্কে সিদ্ধান্তে উপনীত হতে সচেষ্ট হবো। মতবাদ তিনটি হলো নিম্নরূপ:
১. সংস্কৃত পণ্ডিতদের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটেছে সংস্কৃত ভাষা থেকে। তাঁরা বাংলাকে সংস্কৃতের দুহিতা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
৩. বাংলাসহ ভারতীয় বিভিন্ন ভাষা নিয়ে গবেষণা করেন ভাষা গবেষক জর্জ গ্ৰীয়ারসন। তাঁর ভাবশিষ্য হলেন পণ্ডিত ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। পণ্ডিত সুনীতিকুমার মনে করেন বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে মাগধী প্রকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশের মধ্য দিয়ে। তার এই মতকে সমমর্তন করেন ভাষাবিজ্ঞানী ড. হুমায়ুন আজাদ।
২. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে জাত গৌড়ীয় অপভ্রংশের মধ্য দিয়েই বাংলা ভাষার উৎপত্তি। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতামত কনিষ্ঠতম এবং অধিক যুক্তিযুক্ত। তিনি অন্য মতামতগুলোকে যুক্তি দিয়ে খণ্ডন করে নিজের মতামত প্রদান করেছেন। আমরা বাংলাভাষার উৎপত্তি বিষয়ক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতামতকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করি ।
প্রথম মত বিচার: সংস্কৃত পণ্ডিতগণ মনে করেন বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষার দুহিতা। অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষা হলো মা এবং বাংলা ভাষা হলো তার মেয়ে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ নিম্নরূপ যুক্তি দিয়ে এই মতকে ভ্রান্ত প্রমাণ করেনছেন।
১. ভাষা বিকাশের ধারায় আমরা বাংলার পূর্বে যে ভাষা দেখি তার নাম দেওয়া হয়েছে অপভ্রংশ। অপভ্রংশের পূর্বের যে রূপ তার নাম প্রাকৃত। সংস্কৃত ভাষা প্রাকৃত যুগেরই সমসাময়িক সাহিত্যিক ভাষা। পণ্ডিতদের জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্য চর্চার ভাষা ছিল সংস্কৃত। কিন্তু একই সময়ে মানুষের মুখের ভাষা ছিল প্রাকৃত। অর্থাৎ সংস্কৃত যুগ বলে ভাষার ইতিহাসেন নতুন কোন যুগ কল্পনা করা অসম্ভব।
২. প্রাকৃত ভাষার পূর্বে যে রূপ পাওয়া যায় তার নাম প্রাচীন প্রাকৃত। প্রাচীন প্রাকৃতের সাহিত্যিক রূপ আমরা পালি ভাষায় প্রত্যক্ষ করি।
৩. প্রাচীন প্রাকৃতের তথা পালির পূর্বের ভাষার রূপের নাম প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা। এ সময়ের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে আদিম প্রাকৃত বলা হয়েছে। তাই দেখা যায় সংস্কৃতের সাথে বাংলা ভাষার কোন প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। এই সম্পর্কে যে নেই তা তা কয়েকটি প্রচলিত বাংলা শব্দের উদাহরণ দিয়ে স্পষ্ট করা যেতে পারে। যেমন:
|
ক্রম |
সংস্কৃত |
বাংলা |
প্রাকৃত |
|
১ |
পিতা |
বাপ |
বপ্প |
|
২ |
মাতা |
মা |
মাআ |
|
৩ |
ভগিনী |
বোন |
বহিনী |
|
৪ |
নাসিকা |
নাক |
নক্ক |
|
৫ |
হস্ত |
হাত |
হথ |
|
৬ |
বৃক্ষ |
গাছ |
গচ্ছ |
উল্লিখিত ছক থেকে স্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, প্রাকৃত শব্দগুলোর ক্রম বিবর্তনেই আমার আমরা বাংলা শব্দগুলো পেয়েছি। শব্দের ক্ষেত্রে প্রাকৃতের পূর্বে একটি ভাষা স্তর কল্পনা করা যায় কিন্তু এসব শব্দ সংস্কৃত থেকে যে আসে নি তা নিশ্চিত করে বলা যায় ।
তাই আমরা বলতে পারি সংস্কৃত থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়নি। অর্থাৎ বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষার দুহিতা নয়।
দ্বিতীয় মত বিচার: এই মতবাদ অনুযায়ী বাংলা ভাষা অসমিয়া, উড়িয়া এবং বিহারি ভাষাসমূহের সহোদর শ্রেণির। এই সমস্ত ভাষার মূল একই। এ পর্যন্ত স্বীকার করা যুক্তিযুক্ত। কিন্তু ড. সুনীতিকুমার বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশের মধ্য দিয়ে উৎপন্ন বলে যে সমস্ত যুক্তি দিয়েছেন তা নিচে উপস্থাপন করা হলো:
১. আস্তে, কাস্তে ইত্যাদি শব্দ ছাড়া অন্য সমস্ত বাংলা শব্দের ক্ষেত্রে বানানে তালব্য-শ, দন্ত্য-স, মূর্ধন্য-ষ এই তিন প্রকার (শ, স, ষ) থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণে কেবল ‘শ’-এর উচ্চারণ দেখা যায় । যেমন-- সে, আষ (অমিষ জাত), আঁশ (অংশু জাত)-এই তিন স্থানেই শ’-কারের উচ্চারণ লক্ষ করা যায়। এরূপ সবিশেষ' শব্দে তিন ধরনের (স, শ, ষ) থাকলেও কেবল শ’-এর উচ্চারণ লক্ষ করা যায়। মাগধী প্রাকৃতেও এই লক্ষণ দেখা যায়।
২. মাগধী প্রাকৃতে কর্তায় ‘এ’ কার হয়। বাংলায়ও কোন কোন স্থানে কর্তায় ‘এ’ কার দেখা যায়। যেমন: লোকে বলে। ছাগলে কী খায়? ইত্যাদি।
৩. মাগধী প্রাকৃতের ‘মড়’ শব্দ থেকে বাংলার ‘মড়া’ শব্দটি এসেছে।
ড. সুনীতিকুমার মাগধী ভাষার সাথে বাংলা ভাষার উপযুক্ত সাদৃশ্যের কারণে বাংলা ভাষার উৎপত্তি মাগধী ভাষা থেকে উদ্ভব হয়েছে বলে মনে করেন।
এ কথা সত্য যে যে, মাগধী প্রাকৃতে তিনটি (শ, স, ষ)-এর স্থলে ‘শ’ উচ্চারিত হয়। আবার ‘র’ স্থলে ‘ল’ হয়। যেমন: ‘রস্যে‘ থেকে ‘লশৌ’।
কিন্তু বাংলাতে তিন (শ, স, য}-এর পরিবর্তে ‘শ' উচ্চারণ হলেও ‘র’ স্থলে ল' উচ্চারণ বাংলায় নেই। অতএব মাগধী ও বাংলার যে শ’ বিষয়ক সাদৃশ্য তা মাগধী ভিন্ন অন্য প্রাকৃতের মধ্য দিয়েও বাংলায় আসতে পারে। সুতরাং কেবল ‘শ’ কারত্ব দেখে ধ্বনির দিক হতে বাংলাকে মাগধী প্রাকৃত হতে উদ্ভব তা বলা যায় না। তাছাড়া মগধ এলাকা হচ্ছে বিহারে যেখানে দন্ত্য স-এর উচ্চারণ যেখা যায়। এছাড়া বাংলা ভাষার শ’কারত্ব অনেক পরবর্তী যুগের স্বত্বঃ উৎপন্ন, যেমন-- পূর্ববঙ্গ ও আসামের (শ, স, ষ)-এর স্থলে হকার আরও পরের সময়ের।
এই মত অনুসারে দাবী করা হয় বাংলা ভাষার শ-কারত্ব মাগধী ভাষা থেকে এসেছে। এই মত সত্য হলে বাংলার সহোদরা ভাষা আসামি, উড়িয়া এবং বিহারিতেও এই প্রবণতা দেখা যেত। কিন্তু উড়িয়া, বিহারিতে স-কার, আসামিতে হকার রূপ লাভা করে।
কর্তৃকারকের এ-কার প্রবণতাও মাগধী প্রাকৃতের বিশেষ লক্ষণ বলে দাবী করা হয়। কিন্তু এ দাবী সত্য নয়। অশোকের প্রাচ্য অনুশাসনে মধ্য মাগধীর আদিযুগ অর্থাৎ অর্ধমাগধীতেও এ-কার দেখা যায়। সকর্মক ক্রিয়ার কর্তায় এ-কার আসামী ভাষায় নিয়মিত রূপে দেখা যায়। কিন্তু অকর্মক ক্রিয়ার কর্তায় বিভক্তি লোপ হয়। যেমন- রামে বোলে - রাম বোলে। পূর্ব বাংলায় কোন কোন উপভাষাতেও এরূপ প্রয়োগ আছে। উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, কর্তায় এ-কার করণ কারকের এ-কার থেকে এসেছে। সংস্কৃত ‘রামেন দৃষ্টম' থেকে সাদৃশ্য দ্বারা বাংলায় ‘রাম দেখে’ প্রয়োগ এসেছে। সুতরাং এর সাথে মাগধী কর্তার এ-কারের কোন সম্পর্ক নেই।
মাগধী প্রাকৃতে আর একটি বিশেষ লক্ষণ হল সংস্কৃতের বগীয় ‘জ’ স্থলে 'য' হয়। যেমন: সংস্কৃত ‘জল’ মাগধী প্রাকৃতে হয় ‘যল'। কিন্তু বাংলায় জল, আজ, কাজ এরূপ দেখা যায়। কেবল ‘আই’ শব্দ মাগধী প্রাকৃত থেকে এসেছে। একে কৃতঋণ বলা যায়।
প্রাচীন বাংলায় উত্তম পুরুষের এক বচনে ইউ বা হাঁউ রূপ মাগধী প্রাকৃতের হকে বা হগে রূপ থেকে বা সংস্কৃত অহকম> হকম> অহম রূপ থেকেও আসে নি। এটি অশোকের প্রাচ্য লিপি অহং>অহকম> অহম থেকে এসেছে।
লোহিত মশ্চ — মাগধী প্রাকৃত
রোহিত মচ্ছ — মহারাষ্ট্রী প্রাকৃত
রুহি মাছ—প্রাচীন বাংলা
রুই মাছ—আধুনিক বাংলা
দেখা যাচ্ছে লোহিত মশ্চ থেকে রুই মাছ-এর উৎপত্তির চেয়ে ‘রোহিত মচ্ছ উৎপত্তি হয়েছে বলাই যুক্তিযুক্ত।
সং-অদ্য
মাগধী প্রাকৃত-- অয্য
মহারাষ্ট্রী প্রাকৃত – অজু
বাংলা- আজ
এক্ষেত্রে অয্য অপেক্ষা অজু’ থেকে ‘আজ’ শব্দটি এসেছে বলাই যুক্তিযুক্ত।
কালিদাস তাঁর শকুন্তলা নাটকে রাজা, মন্ত্রী প্রভৃতি উচ্চবিত্তের সংলাপে সংস্কৃত ভাষা ব্যবহার করেছেন। সম্ভ্রান্ত পাত্রপাত্রীদের সংলাপে মাগধী প্রাকৃত এবং নিম্নশ্রেণীর পাত্রপাত্রীদের সংলাপে মহারাষ্ট্রী প্রাকৃত ব্যবহার করেছেন। এ থেকে বলা যায় যে, মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি নয়।
তৃতীয় মত বিচার: তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বের সাহায্যে গৌড়ী প্রাকৃতের কয়েকটি বিশিষ্ট লক্ষণ পাওয়া যায়।
১. পৈশাচী প্রাকৃতের ন্যায় গৌড়ী প্রাকৃতে কেবল দন্ত্য 'ন'-এর প্রয়োগ দেখা যায়। মূর্ধন্য ‘ণ’এর ব্যবহার অনুপস্থিত।
২. শব্দের আদিতে কেবল বগীয় ব’-এর ব্যবহার পাওয়া যায়। অন্তস্থ ব’-এ। প্রয়োগ নেই।
৩. মহারাষ্ট্র প্রাকৃতের ন্যায় শব্দের আদিতে য, জ এবং অনাদিভূত দ্য, জ্য, র্য্য প্রভৃতি স্থলে জ'-এর1 প্রয়োগ দেখা যায়।
৪. প্রায় সর্বত্রই র’ ধ্বনির কোন পরিবর্তন হয় না।
৫. সম্ভবত মহারাষ্ট্র প্রাকৃতের ন্যায় (শ, স, ষ)-এর স্থলে কেবল দন্ত্য স'-এর প্রয়োগ দেখা যায়।
৬. উপরে বর্ণিত গৌড়ী প্রাকৃতের বৈশিষ্ট্যের সাথে শুধু পৈশাচী ও মহারাষ্ট্রী প্রাকৃত ছাড়া অন্য কোন প্রাকৃতের কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। এই গৌড়ীয় প্রাকৃতের পরবর্তী স্তর গৌড়ী অপভ্রংশ এবং এ থেকেই বাংলা ভাষার উৎপত্তি। প্রাকৃত বৈয়াকরণ মার্কন্ডো যে ২৭টি অপভ্রংশের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে গৌড়ী অপভ্রংশের নাম রয়েছে। কাহ্নপা ও সরহ পা-এর দোহাকোষে এবং প্রাকৃত পৈঙ্গলে গৌড় অপভ্রংশের ব্যবহার দেখা যায় ।
গৌড়ী অপভ্রংশের বিশেষ লক্ষণ হল-
১. কর্তায় ও কর্মে সাধারণত বিভক্তি লুপ্ত হয়- যেমন, বুদ্ধ ঘোড় দেকখই (বুদ্ধ ঘোড়া দেখে)।
২. নামযুক্ত বাক্যে কর্তায় ও বিধেয় বিশেষণে কখনও কখনও অ-কারন্ত শব্দে এ-কার যুক্ত হয়। এই গচ্ছে বল্ডে (এই গাছ বড়)
৩. সম্বন্ধপদ বিশেষণের ন্যায় সম্বন্ধীয় বিশেষ্যের চিহ্ন গ্রহণ করে। রামকের বাড়িও বহুত্ত গৃছানি আছন্তি (রামের বাড়িতে বহু গাছ আছে।
৪. অতীত ও ভবিষ্যৎ কালের সকর্মক ক্রিয়ায় কর্মের লিঙ্গ বিভক্তি যুক্ত হয় । মই তেন্তিলী খাইল্লী (আমি তেঁতুল খাইলাম)।
৫. অতীত ও ভবিষ্যৎকালের অকর্মক ক্রিয়ায় কর্তার লিঙ্গ বিভক্তি যুক্ত হয় । বহিনী ঘরে গইল্লী ( বোন ঘরে গেল)।
অতীত কালের ক্রিয়ায় ইল্ল, ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়ায় ইব্ব বিভক্তির প্রয়োগ দেখা যায়।
করণ কারকে ‘এ’, সম্বন্ধে কর’ ক
সম্প্রদানে ‘ক’ অপাদানে হু’
অধিকরণে এ, ও, হি বিভক্তির প্রয়োগ দেখা যায়
প্রাচীন বাংলার (চর্যাপদের ভাষার বৈশিষ্ট্য ও লক্ষণগুলো মিলিয়ে দেখলে দেখা যাবে যে, উপযুক্ত গৌড়ী প্রাকৃত ও গৌড়ী অপভ্রংশের লক্ষণগুলোই প্রাচীন বাংলায় অধিকাংশ অনুসৃত হয়েছে। তাই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতকে মেনে নিয়ে বলা যায় যে, গৌড়ী প্রাকৃতের পরবর্তী স্তর গৌড়ী অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি। এজন্য বাংলা ভাষাকে এক সময় গৌড়ীয় ভাষা বলা হতো।

সুতরাং উল্লিখিত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষা থেকে জন্ম নিয়েছে বা সংস্কৃতের দুহিতা এই বক্তব্য অযৌক্তিক। অন্যদিকে ড. সুনীতিকুমারের বক্তব্য কোনো কোনো বিষয়ে যুক্তিপূর্ণ হলেও কিছু কিছু বিষয়ে গড়মিল রযেছে। তাই আমরা বলতে পারি ড. মুহম্মদ শহীদুল্রাহর মতামতই যথার্থ।
ড. এ. আই. এম. মুসা
অধ্যাপক - বাংলা
www.onlinereadingroombd.com
+88 01713 211 910