
NTRCA School, ১৮তম বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (স্কুল পর্যায়), গুরুত্বপূর্ণ রচনা, স্বপ্নের পদ্মা সেতু
স্বপ্নের পদ্মা সেতু
ভূমিকা : গৌরব, অহংকার ও আত্মমর্যাদার অনন্য প্রতীক পদ্মা সেতু ৷ বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী নদী পদ্মা। এ নদীর ওপর নির্মিত সেতুই পদ্মা সেতু। বাংলাদেশের জন্য অভাবনীয় এক কীর্তি এটি। এই সেতু বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সংযোগ ঘটিয়েছে। বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু খুলে দিয়েছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। ফলে উন্নত ও সুখময় হবে মানুষের জীবনযাত্রা।
পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রেক্ষাপট : বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এদেশের বুক চিরে বয়ে চলেছে অসংখ্য নদ-নদী। এ কারণে আমাদের যাতায়াত ব্যবস্থায় প্রতিনিয়তই নৌপথের সাহায্য নিতে হয়। এতে তৈরি হয় দীর্ঘসূত্রতা ও মন্থরতা। একে গতিশীল করার জন্য প্রয়োজন হয় সেতুর। পদ্মা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নদী। এ নদী পারাপারে মানুষের দুঃখ, কষ্ট ও দুর্ভোগের সীমা ছিল না। তাই দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ পদ্মা নদীর উপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য বিভিন্ন সময়ে দাবি করে আসছিল। অবশেষে এ সেতুর সম্ভাবার কথা বিবেচনায় এনে ১৯৯৮ সালের সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সমীক্ষা যাচাইয়ের পর ২০০১ সালে এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। কিন্তু অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি না হওয়ায় তা কিছুকালের জন্য স্থগিত হয়ে যায়। ২০০৯ সালে পদ্ম সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের তৎপরতা আবার শুরু হয় ।
অর্থায়ন নিয়ে জটিলতা : ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু’র নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০১১ সালে এবং শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৩ সাল এবং ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৯২ কোটি ডলার। এটি নির্মাণে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, আইডিবি ও আবুধাবি ডেভেলপমেন্ট গ্রুপের ঋণ সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে ২৯ জুন, ২০১২ সালে বিশ্বব্যাংক ১২০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা বাতিল করে। পরবর্তী সময়ে অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাও পিছিয়ে যায়। ফলে পদ্মা সেতুর ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
প্রধানমন্ত্রীর সাহসী সিদ্ধান্ত : বাংলাদেশের মানুষ স্বপ্ন দেখে এবং তা বাস্তবায়ন করতে জানে। বিশ্বব্যাংক অর্থায়নে অসম্মতি জানালে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা এক সাহসী ও অনন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি ঘোষণা দেন পদ্মা সেতু হবে নিজস্ব অর্থায়নে।
সেতু বাস্তবায়নের রোডম্যাপ : পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করেছে AECOM। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। এটি মুন্সীগঞ্জ জেলার মাওয়া প্রান্তের সঙ্গে শরিয়তপুর জেলার জাজিরা প্রান্তের সংযোগ ঘটিয়েছে। দ্বিতল এ সেতু সম্পূর্ণভাবে কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে তৈরি হয়েছে। এর ওপর দিয়ে চলছে যানবাহন এবং নিচ দিয়ে চলবে ট্রেন। চার লেনবিশিষ্ট মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ২২ মিটার। দুই প্রান্তে সেতুর ভায়াডাক্ট ৩ দশমিক ১৮ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়ক ১২ কিলোমিটার। নদীর দুই পাড়ে নদীশাসনের কাজ হয়েছে ১৪ কিলোমিটার। মূল সেতুর মোট পিলার ৪২টি, মোট স্প্যান ৪১টি এবং মোট পাইলিং সংখ্যা ২৬৪। এর উচ্চতা ১৮ মিটার। পদ্মা সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড। পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ জুলাই, ২০০১ সালে। এ সেতুর মূল কাজ শুরু হয়েছে ২৬ নভেম্বর, ২০১৪ সালে এবং শেষ হয়েছে ২৩ জুন, ২০২২। পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ জুন, ২০২২ এবং সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে ২৬ জুন, ২০২২ থেকে।
বিস্তর কর্মযজ্ঞ: বিস্তর ও বিচিত্র কর্মযজ্ঞের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে পদ্মা সেতু। মূল সেতুর তৈরির পাশাপাশি মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে সংযোগ সড়ক নির্মাণ, ভূমিগ্রহণ ও পুনর্বাসন, নদীশাসনের কাজ, পরিবেশ রক্ষা কার্যক্রমে বৃক্ষরোপণ ও বাগান তৈরি, নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা, সেনাবাহিনীর তদারকি ইত্যাদি ।
বিশাল এ কর্মযজ্ঞে অংশগ্রহণ করেছেন বহুসংখ্যক প্রকৌশলী, পরামর্শক, বিভিন্ন খাতে বিশেষজ্ঞ এবং হাজার হাজার শ্রমিক। প্রথম দিকে ২০০ বিদেশিসহ প্রায় দুই হাজার লোক এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। পুরোদমে কাজ শুরু হলে দুই হাজার বিদেশি প্রকৌশলী ও কর্মী এবং প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী এতে যুক্ত হন।
কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে মূল সেতু ও নদীশাসন কাজের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছে। সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়ার পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছে সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন। আবদুল মোনেম লিমিটেড করেছে সার্ভিস এরিয়া, সংযোগ সড়ক ও টোল প্লাজার কাজ। চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড মূল সেতু নির্মাণের কার্যাদেশ পাওয়ার পর চীন থেকে আসতে শুরু করে ৪ হাজার টন ওজনের বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রেনসহ ভারী যন্ত্রপাতি ৷ ৩ হাজার টন ওজনের সবচেয়ে শক্তিশালী হ্যামার আসে জার্মানি থেকে। পাইলিং হলো সেতুর জটিল ও কঠিন কাজ। এটি শুরু হয় মাওয়া থেকে জাজিরা প্রান্তে। নদী শাসন ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজও পাশাপাশি চলে। স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হয় জাজিরা প্রান্তে পাইলিংয়ের কাজ শেষ হলে । একইভাবে মাওয়া প্রান্তে পাইলিং শেষে স্প্যান বসানো শুরু হয়। এরপর শুরু হয় পিচ ঢালাইয়ের কাজ। পাশাপাশি দ্বিতল সেতুর নিচের অংশে রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজও শেষ হয়। সেতুর দুই প্রান্তের সড়ক, টোল প্লাজা এবং নির্মাণ অবকাঠামোর কাজ শেষ হলে সড়কের দুপাশে বৃক্ষরোপণসহ সড়কদ্বীপে তৈরি করা হয় ফুলের বাগান। সেতুতে বসে সবকটি ল্যাম্পপোস্ট, সড়ক বাতিতে দেওয়া হয় বিদ্যুৎ সংযোগ। রোড মার্কিংয়ের কাজ শেষে যানবাহন চলাচলের জন্য পদ্মা সেতু প্রস্তুত হয়ে ওঠে। কেবল নিচের অংশে রেললাইনের কংক্রিট ঢালাইয়ের পর হিসাব অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বর নাগাদ পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলবে।
সেতু নির্মাণ ব্যয় বরাদ্দ : পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রথমে ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। ২০১১ সালে সেতুর নির্মাণ ব্যয় ২০ হাজার ৫০৭ কোটি ২০ লাখ টাকায় উন্নীত করে একনেকে অনুমোদন পায়। ২০১৬ সালে আবারও ৮ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি পায়। সর্বশেষ আরও ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বেড়ে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।
পদ্মা বহুমুখী সেতুর বর্ণিল উদ্বোধন : শুধু বাংলাদেশে নয় বিশ্বের স্থাপনা নির্মাণ ইতিহাসে মাইলফলক পদ্মা সেতু। বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে প্রাণের উচ্ছ্বাসে পদ্মাপাড় জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মুহুর্মুহু পুরো এলাকায় ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয় 'জয় বাংলা”, “জয় বঙ্গবন্ধু' । বাতাসে ওড়ে রঙিন আবির, বিমান থেকে ছাড়া হয় রঙিন ধোঁয়া, হেলিকপ্টার থেকে ঝরে রং-বেরঙের জরি, শিল্পীদের কণ্ঠে ‘থিম সং-এ প্রাণের আবেগের ছোঁয়া। প্রত্যেকটি মানুষের হৃদয়ে নৃত্যের ছন্দ, মুখমণ্ডলে গৌরবের আবেশ; প্রত্যেকের পোশাকে, সাজসজ্জায় তারই স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ।
সুইচ টিপে পদ্মা সেতুর ফলক উন্মোচন করে সেতুর উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘড়ির কাঁটা তখন ঘোষণা করে আজ ২৫ জুন, ২০২২ বেলা ১১টা ৫৮ মিনিট।
বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পদ্মা সেতুর গুরুত্ব : বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পদ্মা সেতুর গুরুত্ব, তাৎপর্য ও উপযোগিতা অপরিসীম। নিচে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পদ্মা সেতুর আর্থ-সামাজিক গুরুত্ব তুলে ধরা হলো-
ক. শিল্প ও ব্যবসায়-বাণিজ্য প্রসার: পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে বিভিন্ন জেলায় ইতোমধ্যে নানা শিল্প ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার তৎপরতা দৃষ্টি গোচর হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারও পদ্মার চরাঞ্চলে অলিম্পিক ভিলেজ, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সিটি, হাইটেক পার্ক, আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র, বিমানবন্দর ইত্যাদি প্রকল্পের কথা ভাবছে। পদ্মা সেতুর কাছেই গড়ে উঠছে শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি। খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীতে জাহাজ নির্মাণ শিল্প দ্রুত বিকশিত হবে। ইতোমধ্যে নানা ধরনের এসএমই উদ্যোগ স্থাপনের হিড়িক পড়েছে। পোশাক শিল্প, অ্যাগ্রো প্রসেসিং শিল্প গড়ে তোলার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
ক. যাতায়ত ও যোগাযোগ : পদ্মা সেতু চালু হাওয়ার পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ খুব সহজে এবং অল্প সময়ে রাজধানী ঢাকায় এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যাতায়াত করতে পারছে। তাদের উৎপাদিত নানা সমাগ্রী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনায়াসে সরবরাহ করতে পারছে। পায়রা ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যোগাযোগের ক্ষেত্রে পদ্মা সেতু হবে সূতিকাগার। এছাড়া বেনাপোল, ভোমরা ও দর্শনা স্থলবন্দরের সঙ্গে বিভিন্ন জেলার মধ্য দিয়ে আন্তর্দেশীয় যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে ।
খ. পর্যটন শিল্পের বিকাশ : পদ্মা সেতু নির্মাণের পর পর্যটনের উৎকৃষ্ট কেন্দ্র হবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। দক্ষিণাঞ্চলে রয়েছে মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থান কুয়াকাটা, সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ মসজিদ, টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি, পায়রা সমুদ্রবন্দর। মানুষ একটু অবকাশ পেলেই ছুটে যাবে এগুলো পরিদর্শনে।
ঘ. কৃষিউন্নয়ন : পদ্মা সেতুর কারণে দক্ষিণ অঞ্চলের কৃষিপণ্য রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য স্থানে বিপনন সহজ হবে। ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকার কৃষক, মৎস্যজীবী, তাঁতি ও অন্যান্য কৃষি সংশ্লিষ্ট মানুষ মানসম্পন্ন কৃষিদ্রব্য চাষ, আহরণ ও উৎপাদনে উৎসাহী হবে। পটুয়াখালী, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, খুলনা ও সাতক্ষীরা থেকে মাছ ও অন্যান্য কৃষিজ পণ্য দেশের বিভিন্ন এখন সহজেই বাজারজাত করা সহজ হবে। অন্যদিকে ন্যায্য দাম পাওয়ার কারণে শরিয়তপুর, মাদারীপুর, নড়াইল, যশোর, ফরিদপুরের আম, লিচু, কালোজিরা, ধনে, তিল, তিসি, সরিষা, পিয়াজ, মধু, দই ও ঘিয়ের মতো কৃষিজ সামগ্রীর উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
ঙ. দারিদ্র্য দূরীকরণ : কৃষি, শিল্প, পর্যটন প্রসারের ফলে দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে। এতে দারিদ্র্য দূরীকরণ কার্যক্রম বেগবান হবে। দক্ষিণ অঞ্চলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এই সমস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়ে এলাকার মানুষ তাদের দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারবে।
জিডিপি : জাতীয় জিডিপিতে ১.২৬ শতাংশ প্রতিবছর যোগ হবে বলে অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন। তাছাড়া পদ্মা সেতু আমাদের আঞ্চলিক জিডিপিতে যোগ করবে ৩.৫ শতাংশ। জাতীয় জিডিপিতে আরও ১ শতাংশ যোগ হবে পদ্মা সেতুতে রেল চালু হলে। দক্ষিণ অঞ্চলে প্রতিবছর দারিদ্র্য কমবে ১.০৪ হারে। আর জাতীয় পর্যায়ে দারিদ্র্য কমবে ০.৮৪ শতাংশ হারে। ৷
উপসংহার : কীর্তিনাশা পদ্মার ওপর নির্মিত এ সেতু বাংলাদেশের এক অতুলনীয় কীর্তি । এটি আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ ও সামগ্রিক পারঙ্গমতার প্রতীক। স্বাধীনতার পর এটাই আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। জাতীয় গৌরবের মুকুটে এটি একটি অনন্য ও নতুন পালক। এ গৌরব বঙ্গবাসীকে উৎসাহিত করবে, অনুপ্রাণিত করবে নিরন্তর।
******************************
ড. এ. আাই. এম. মুসা
অধ্যাপক-বাংলা
www.onlinereadingroombd.com
+88 01713 211 910