
NTRCA School, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায়), প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম অথবা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম
অথবা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
ভূমিকা :
“স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে,
কে বাঁচিতে চায়?
দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে?
কে পরিবে পায়?
কোনো জাতিই স্বাধীনতাহীনতায় বাঁচতে চায় না। আর চায়না বলেই সব জাতির কাছে স্বাধীনতা অত্যন্ত প্রিয়। তাই বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় ১৯৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রাম। এক সাহসী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্ররূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধ শুধু একখন্ড ভূমির অধিকার পাবার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তি দেয়ার পাশাপাশি এ সংগ্রাম অন্য জাতির সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে আমাদের রক্ষা করে জাতি গঠন ও আত্মবিকাশের সুযোগ করে দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাঙালি জাতির প্রেরণা রূপে কাজ করে যাবে যুগ যুগ ধরে। এ চেতনা বাঙালি জনগোষ্ঠীকে একতাবদ্ধ করে জাতিকে নিয়ে যেতে পারে-চিরকাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের শীর্ষদেশে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিকথা : জাতিগঠনের দিক থেকে পাকিস্তানে ছিল এক অদ্ভূত সৃষ্টি। ১৯৩২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি ভূখণ্ড নিয়ে একটি রাষ্ট্র গঠন করা হয়েছিল মূলত ধর্মীয় ঐক্যের বিচারে। রাজনৈতিক বিচারে একই রাষ্ট্রের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান এ দু অংশের জনগণের ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং মানসিক গঠনের দিক থেকে নিজস্ব আঞ্চলিক স্বাতন্ত্র্য বিদ্যমান ছিল। দেশের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি প্রবল হওয়ায় ধর্মকেই শোষণ ও বঞ্চনার হাতিয়াররূপে ব্যবহার করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিত : কয়েকশ বছর ধরে এ দেশ শাসিত হয়েছে। সোনার বাংলার অফুরন্ত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও ইংরেজ শাসনে বাঙালি মুসলমানদের ভাগ্যোন্নয়ন হয়নি। ১৯৪৭ সালের মাঝামাঝি ইংরেজ এদেশ থেকে বিদায় নিলেও স্বাধীনতার স্বাদ এ দেশের মানুষ পায়নি। পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী এক রাষ্ট্রের নামে বাংলায় তাদের রাজত্ব কায়েম করেছিল। পশ্চিম পাকিস্তানি ভিন্নভাষা ভাষী শাসক গোষ্ঠী আমাদের ভাষা শিল্প সংস্কৃতির বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্তের জাল বিস্তার করেছিল। ১৯৪৮ সাল থেকে ছাত্র সমাজ এবং বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের মধ্যে পশ্চিমা শাসক সম্প্রদায়ের বাঙালিদের প্রতি বিমাতাসুলভ ব্যবহারের কারণে অসন্তোষ ধুমায়িত হতে থাকে।
তাই মায়ের ভাষা, মুখের ভাষা বাংলাকে সে সময় বন্ধ করে দিয়ে তারা উর্দু ভাষাকে এ দেশের মানুষের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বাঙালি জনতা মায়ের ভাষা রক্ষা করেছিল জীবন দিয়ে আর সে থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ বপন হয়েছিল।
পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর চক্রান্ত : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৬৬ সালে উত্থাপিত ‘ছয়দফা’ দাবি মূলত বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবি। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী একে মেনে নিতে পারে নি। শুরু হয় সারা দেশে ধরপাকড়। দেশের নেতৃবৃন্দকে জেলে আটকে রাখা হয়। আর কর্মীদের ওপর চালানো হয় অমানসিক নির্যাতন। এমন পরিস্থিতিতে শুরু হয় জ্বালাও পোড়াও অভিযান। গণ আন্দোলন যখন তুঙ্গে ওঠে তখন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান দেশবাসীকে কিছু দিনের শান্ত রাখতে পেরেছিল। কিন্তু ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফলে আতঙ্কিত হয়ে পশ্চিমারা শুরু করে চক্রান্ত। ইয়াহিয়া খান বাঙালির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হলেন না।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের মধ্যরাত্রিতে শান্তিপ্রিয় নিরস্ত্র বাঙালির ওপর লেলিয়ে দেয়া হয় সেনাবাহিনী। গুলি আর বোমার গর্জনে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে দেশ। পৃথিবীতে এমন বিশ্বাসঘাতকতার নজির বিরল।
ভাষার সংগ্রাম : ভাষা আন্দোলন-স্বাধীনতা চেতনার ভিত্তিভূমি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ক্রমধারায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। এ আন্দোলনের মাধ্যমেই স্বাধীনতা আন্দোলনের বীজ উপ্ত হয়েছিল। ভাষা জাতীয় চেতনার প্রধান ধারক। তাই পশ্চিম পাকিস্তানিরা দেশ বিভাগের পর পরই আঘাত হানে আমাদের ভাষার ওপর। ১৯৪৮ সালে কেবল উর্দুভাষাকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা দেয়া হলে দেশপ্রেমিক পূর্ব পাকিস্তানি বাঙালি সদস্যরা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি উত্তাল গণ-আন্দোলনে বাংলাদেশ বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে। আন্দোলন স্তব্ধ করে দেবার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায়। সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ আরো অনেক তরুণের উষ্ণ শোণিতের বিনিময়ে মাতৃভাষা বাংলা অন্যতম রাষ্ট্রভাষারূপে স্বীকৃত হয়।
নিপীড়ন, নির্যাতন এবং আন্দোলনের ধারাক্রম : ইংরেজ শাসনের শৃঙ্খলা থেকে মুক্ত হলেও ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসনামলে বাঙালি বঞ্চিত এবং অত্যাচারিতই থেকে গিয়েছে। পাকিস্তানি শাসকদেরও ছিল সেই একই উপনিবেশিক দৃষ্টিভঙ্গি। ভাষা-আন্দোলনের প্রত্যক্ষ প্রভাব লক্ষ করা যায় ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে। সেবার যুক্তফ্রন্টকে নির্বাচিত করে বাঙ্গালি নতুন সমাজ গঠনের পক্ষে রায় দেয়। এতে মুসলিম লীগ পরাজয় বরণ করে। পাকিস্তানের প্রায় দুই যুগের শাসন ইতিহাস শোষণ ও বঞ্চনার কালিমায় ভরপুর। প্রথম পরিকল্পনায় মোট বিনিয়োগের মাত্র ২৬% পূর্ব বাংলায় খরচ করা হয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পরিকল্পনায় তা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছিল মাত্র। শিক্ষা, সামরিক ক্ষেত্র, বিনিয়োগ, আমদানি-রপ্তানি, কর্মসংস্থান সর্বক্ষেত্রে বৈষম্য ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট। ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান ২২৪০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করলেও সে সময়কালে এখানে আমদানির জন্য খরচ করা হয়েছিল মাত্র ১৬৩০ কোটি টাকা। অন্যদিকে পশ্চিম পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পরিমাণ ছিল ১৭৫৯ কোটি টাকা অথচ সেখানে আমদানির জন্য ব্যয় করা হয়েছিল ৩৭৯৯ কোটি টাকা। সামরিক খাতে উক্ত সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যয় হয় ১৮০ কোটি টাকা সেখানে পশ্চিম পাকিস্তানে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৭১৮ কোটি টাকা। বৈদেশিক সাহায্য ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সে একই বঞ্চনার চিত্র দেখা যায়। এক্ষেত্রে অর্ধেকের বেশি প্রাপ্য হলেও মাত্র এক-তৃতীয়াংশ অর্থ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল।
এ শোষণ ও বঞ্চনা বাঙালির মনে বিক্ষোভ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ তথা স্বাধীনতা সংগ্রামী মনোভাব জাগিয়ে তোলে। ৫২-এর ভাষা আন্দোলনেই বাঙালি থেমে থাকেননি এরপর একে একে ১৯৬২-র ছাত্র আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যূত্থান পাকিস্তানি শাসকদের শঙ্কিত করে তুলেছিল। এছাড়া ১৯৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ বাঙালির স্বাধিকারের দাবিতে ‘ছয় দফা’ উত্থাপন করে। ১৯৭০-৭১ সালের ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাতে বাঙালির স্বাধিকার চেতনার প্রতিফলন ঘটে। এখানে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের ১৬৯টি আসনের ১৬৭টিতে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। পাকিস্তানি শাসকদের ষড়যন্ত্রে ৩ মার্চ আহুত জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করা হয়। তখনই বাঙালি বুঝে নেয় স্বাধীনতা আন্দোলন ছাড়া নিজেদের অধিকার রক্ষার আর কোন উপায় নেই।
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অহিংস অসহযোগ আন্দোলনে সারা বাংলার জীবন স্তব্ধ হয়ে গেল। পাকিস্তানি স্বৈরাচারদের দুরভিসন্ধি বুঝতে পেরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করলেন-“এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” ২৫শে মার্চ রাতে সামরিক শাসকের পেটোয়া বাহিনী ঘুমে অচেতন বাঙালির উপর আক্রমণ চালানো শুরু করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। ২৬ মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি অত্যাচারে গোটা বাংলাদেশে সংগ্রামের আগুন জ্বলে ওঠে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালি দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বাংলার শ্রমিক, জনতা, ছাত্র, তথা সাধারণ মানুষ মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে। দেশের অনেক লোক নিরূপায় হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় গ্রহণ করে। সেখানে গড়ে ওঠে ত্রাণ শিবির এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। সুদীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ চলল। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে বাঙালি ছিনিয়ে নিল বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার সূর্য। লক্ষ বাঙালির হাতে সেদিন শোভা পেয়েছিল লাল সবুজের মাঝে হলুদ মানচিত্র খচিত জাতীয় অহঙ্কার ও স্বাধীনতার প্রতীক জাতীয় পতাকা। এভাবেই বিশ্বের বুকে সেদিন নতুন রাষ্ট্র সগৌরবে তার অস্তিত্ব ঘোষণা করে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা : মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাঙালিকে শোষণ ও অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছে। ধর্মীয় কুসংস্কারের উর্ধ্বে উঠে হাজার বছরের বাঙালি পরিচয়কে প্রধান বিবেচনা করে হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান একই পতাকাতলে সমবেত হয়েছে। এ একতা দেশ গঠনে বাঙালিকে নতুন প্রেরণা দান করে।
মুক্তিযুদ্ধ আমাদের আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নতুন প্রাণময়তা সৃষ্টি করে। স্বাধীনতার পর কাব্য, উপন্যাস, নাটক সর্বক্ষেত্রে অনেক আশার প্রতিফলন দেখা যায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের সাহিত্য-সাংস্কৃতিক, অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করে তুলতে সহায়তা করেছে। মুক্তিযুদ্ধের প্রায় তিন দশক পরে দেখা যায়, স্বাধীনতা প্রাপ্তি একই সঙ্গে আমাদের আনন্দের এবং দুঃখের ইতিহাস। একটি মর্যাদাবান জাতি হিসেবে বিশ্বের কাছে নিজেরদের উপস্থাপন করা, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার লাভ-এ সবই সম্ভব হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের কল্যাণে, পাশাপাশি একথাও সত্য যে মুক্তিযুদ্ধের ফসল আমরা যথার্থভাবে তুলে নিতে পারিনি।
আমাদের অর্থনৈতিক পশ্চাদপদতা দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করবার পেছনে একটি বড় অন্তরায়। আর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে পিছিয়ে রেখেছে জাতীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে মতানৈক্য এবং সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের নানা অস্থিরতা। অন্যদিকে অনেক সময় সাম্প্রদায়িকতা ক্ষতিগ্রস্ত করছে শুভ চেতনাকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের এসব দুরবস্থা থেকে মুক্তি দিয়ে জাতীয় সংহতি এবং নৈতিকতাকে সুদৃঢ় করতে পারে। ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতি যে দেশপ্রেম, অকুতোভয় সাহস এবং সুদৃঢ় একতা নিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়েছিল সেই চেতনাকে জাগ্রত রাখতে পারলে জাতীয় ঐক্য এবং সংহতি দৃঢ়তা অর্জন করবে। দেশের সব শ্রেণির মানুষের কাছে স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে হলে আর্থ-সামাজিক দিক থেকে অগ্রগতি অর্জন করতে হবে। দেশপ্রেম এবং জাতীয় সংহতি এক্ষেত্রে অত্যাবশ্যক। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই পারে আমাদের সব বিভেদ ভুলিয়ে দেশপ্রেমিক বাঙালি হিসেবে লাল-সবুজ পতাকার তলে সমবেত করতে। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হওয়া আজ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
(অনুরূপ রচনা : আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম, জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা)
******************************
ড. এ. আাই. এম. মুসা
অধ্যাপক-বাংলা
www.onlinereadingroombd.com
+88 01713 211 910