
এইচ এস সি পরীক্ষা ২০২৪, সাজেশন, বাংলা ২য় পত্র
এইচ এস সি পরীক্ষা ২০২৪
সাজেশন
বিষয় : বাংলা দ্বিতীয় পত্র
(সকল বোর্ডের জন্য)
বাংলা দ্বিতীয় পত্র
বিস্তারিত সাজেশন
ব্যাকরণ অংশ : নম্বর ৩০
১। বাংলা উচ্চারণের নিয়ম: [ক থেকে ছ পর্যন্ত ১টি প্রশ্ন থাকবে] ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ২৭-৩০ নং পৃষ্ঠায়)
(ক) প্রমিত বাংলায় আদ্য ‘অ’ উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ। অথবা, স্বরধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ।
(খ) অ’ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। (রাবো,মবো-২৩, ঢা.বো. ১৬, ২২, দিবো-১৭, ঢাবো-১৭, যবো-১৭, ববো-১৭)
অথবা, অ-এর উচ্চারণ কোন কোন স্থানে ও-এর মতো বা ও-বৎ হয়। অথবা, স্বরধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লিখ।
অথবা, বাংলা ‘অ’ ধ্বনি উচ্চারণের যে কোনো ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। (কু.বো. চ. বো. ১৬)
(গ) ব-ফলা উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ।( যবো-২৩ ববো-২৩ কু.বো. ২২, রাবো-২২, সি.বো-২২)
(ঘ) ম-ফলা উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ। (ঢাবো, দিবো, -২৩
(ঙ) উদাহরণসহ প্রমিত বাংলায় অন্ত্য ‘অ’ উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ। অথবা, স্বরধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ।
(চ) মধ্য ‘অ’ উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ। অথবা, স্বরধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ।
(ছ) উদাহরণসহ প্রমিত বাংলায় ‘এ’-কার উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ। (কুবো, সিবো-২৩, ববো-২২, দিবো-২২, মবো-২২)
উত্তর নিচের লিংক-এ
(চ) নিচের যে কোনো ৫টি শব্দের প্রমিত উচ্চারণ লেখ: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৩১-৩৩ নং পৃষ্ঠায়)
অগ্রিম, অঙ্গুলি, অসহ্য, অসীম, অদ্য, অবিনাশ, অধ্যবসায়, অধ্যাপক, অধ্যক্ষ, অত্যুক্তি, অহ্ন, অক্ষাংশ, অগ্নিকাণ্ড, অনিবার্য, অনৈক্য, অত্যাচার, অনিন্দ্য, অধিকার, অন্তঃকরণ, অসময়, অনুকরণ, অনুবাদ, অনন্ত, অধ্যয়ন,অতঃপর, অনভ্যাস, অনিঃশেষ, অদ্বিতীয়, অনুকুল, অতি, অক্ষি, অভিযোগ, অভিজ্ঞ, অভিধান, অকৃতজ্ঞ, অকথ্য, অংশীদার, অংশ, অকস্মাৎ, অতীশ, অদক্ষ, অক্ষর, অক্ষ, অক্ষয়, আহবান, অতীত, অভিজাত, অত্যন্ত, অর্ঘ্য, অন্ত্য, আক্কেল, আশ্রম, আত্মহত্যা, আত্মীয়, আবৃত্তি, আবশ্যক, আত্তীকরণ, আভিজাত্য, আঞ্চলিক, আহ্নিক, আহ্লাদ, আহ্বান, আত্মা, ইতিহাস, ইত্যাদি, ইতিবৃত্ত, ঈপ্সিত, ইতঃপূর্বে, ঈশান, উক্ত, উহ্য, উজ্জীবিত, উন্মোচন, উদ্যম, উদ্যত, উদাহরণ, উদ্যোগ, উপমা, উপস্থিত, উৎকৃষ্ট, ঋতু, ঋণ,ঋতুরাজ, ঋগ্বেদ, একগুঁয়ে, এক, একক, একটি, একান্তর, একীভূত, একুশ, একাডেমি, একা, একতা, এখন, একদিন, ঐশ্বর্য, ঐশ্বর্যবান, ঐশ্বর্যশালী, ঐক্য, ঐকমত্য, ঐতিহ্য, ঐহিক, ঐচ্ছিক, ঐশ্বরিক, ওঙ্কার, ওতপ্রোত, ওজস্বী, ওপর, ওষ্ঠ্য, ওষ্ঠধ্বনি, ঔষধ, ঔপন্যাসিক, ঔপনিবেশিক, ঔজ্জ্বল্য, ঔদার্য, কক্ষ, কল্যাণ, কমল, কপট, কণ্ঠ, কর্ম, কবিতা, কর্তব্য, কেমন, কারক, কোষাধ্যক্ষ, কৃতজ্ঞ, ক্রমশ, ক্রোড়পত্র, ক্ষয়িষ্ণু, ক্ষণ, ক্ষতিগ্রস্ত, ক্ষতি, ক্ষতবিক্ষত, খ্রিস্টাব্দ, খচিত, খদ্যোতিকা, খাদ্য, খবর, খতিয়ান, খাদ্যশস্য, গণিত, গঞ্জ, গণনা, গঞ্জনা, গৌরব, গ্রাহ্য, গ্রীষ্ম, গ্রীষ্মকাল, গ্রহণ, গ্রন্থ, চৈত্র, চক্রান্ত, চিহ্নিত, চক্রবাক, চৌর্য, চলন্ত, চরিত্র, চর্যাপদ, চিহ্ন, চৌদ্দ, ছিয়াত্তর, ছোট, ছিদ্র, ছদ্মবেশী, ছাত্র, ছবি, ছন্দ, জীবন্মৃত, জ্যেষ্ঠ, জীবাশ্ম, জটিল, জয়ধ্বনি, জন্মগ্রহণ, জনৈক, জলপ্রপাত, জলজ, জনশ্রুতি, জগদ্বিখ্যাত, জ্ঞাত, জ্ঞাতি, জ্ঞানী, জ্ঞাতব্য, জ্ঞান, জিহ্বা, জ্যামিতি, জ্যৈষ্ঠ, জ্বলন্ত, জীবাত্মা, জীবাত্মা, জ্বলন্ত, তথ্য, তত্ত্ব, তীক্ষ্ণ, তটিনী, তন্ময়, তন্বী, তৎক্ষণাৎ, তত্ত্বাবধায়ক, তত্ত্বজ্ঞ, তীব্র, ত্যাজ্য, তূর্য, ত্রিকালদর্শী, তত্ত্বীয়, ত্রিকালজ্ঞ, দুঃশাসন, দই, দায়িত্বজ্ঞান, দরিদ্র, দরখাস্ত, দর্শনীয়, দন্ত, দায়িত্ব, দীনবন্ধু, দক্ষ, দুরন্ত, দুঃখ, দেহ, দ্বিপ্রহর, দগ্ধ, দিগ্বিজয়ী, দ্ব্যর্থ, দ্বিত্ব, দ্রষ্টব্য, দাহ্য, ধ্বনি, ধ্বংস, ধ্রুবতারা, ধার্য, ধন্যবাদ, নদী, ননদ, নাগরিক, নিষিদ্ধ, নিঃশর্ত, নিশ্ছিদ্র, নিঃসংশয়, নতি, নিস্ফলা, নিঃসন্তান, নিঃশ্বাস, নক্ষত্র, ন্যায্য, ন্যস্ত, নৈঃশব্দ্য, নৈসর্গিক, নব্বই, নৈরাশ্য, নিঃস্ব, নিত্য,পদ্য, পক্ষ, প্রবন্ধ, পুনশ্চ, পদ্ম, পক্ব, পরীক্ষা, পুনঃপুন, পুষ্পাঞ্জলি, পদপ্রার্থী, পরীক্ষিত, প্রারম্ভ, প্রশস্ত, প্রপঞ্চ, প্রায়শ্চিত্ত, প্রাণিজ, প্রাপ্য, পথিকৃৎ, পার্শ্বস্থ, প্রণীত, প্রত্যক্ষ, প্রাঞ্জলতা, প্রস্ফুটিত, প্রথম, প্রতিজ্ঞাপত্র, প্রত্যাখ্যান, প্রত্যঙ্গ, প্রচেষ্টা, প্রশ্রয়, প্রচণ্ড, প্রশস্তি, প্রজ্ঞা, প্রশ্ন, পঞ্চেন্দ্রিয়, ফুটন্ত, ফুলশয্যা, বিজ্ঞ, বিক্ষত, ব্যক্তিত্ব, বনবাস, বৈষ্ণব, বিজ্ঞান, বিজ্ঞপ্তি, ব্রহ্ম, বক্তব্য, বক্তৃতা, বিষবৃক্ষ, বিহ্বল, বিখ্যাত, বিভ্রান্ত, বিদ্বেষ, বিচক্ষণ, বিদ্বান, বিচ্যুত, ব্যতিক্রম, বাহ্যিক, বাঞ্ছনীয়, বর্ষিত, বহ্নি, বাহ্য, বাল্মীকি, বন্ধন, বনবাস, বন্যা, বীরাঙ্গনা, ব্যবহার, বক্ষ, ব্যাখ্যা, ব্যতীত, ব্রহ্মান্ড,ব্রাহ্মণ, বনস্পতি, বাগ্মী, বুদ্ধিজীবী, বৈশাখ, ভিক্ষুক, ভক্ষণ, ভক্ষক, ভবিষ্যৎ, ব্রহ্মা, ব্যূহ, ভ্রষ্ট, ভয়ঙ্কর, মুহূর্ত, মস্তিষ্ক, ভষ্ম, ভগ্ন, ভৌগোলিক,মাহাত্ম্য, মানচিত্র, মর্মান্তিক, মনুষ্যত্ব, মধ্যাহ্ন, মঞ্জুর, মঞ্চ, মনোজ্ঞ, মেলা, মৈত্রী, মৃন্ময়, মন, মর্যাদা, মন্তব্য, মোহিত, মৌন, মৌর্য, মৃগ, মুহ্যমান,মূঢ়, যখন, যকৃৎ, যজ্ঞ, যথাক্রমে, যক্ষ্মা, রক্ষক, রক্ষিত, রূপসী, রশ্মি, রঞ্জিত, রহস্য, রোমাঞ্চ, রৌপ্য, লক্ষ্মণ, লক্ষণ, লগ্নি, লঙ্ঘিত, লঘিষ্ঠ, লাঞ্ছিত,লাবণ্য, লভ্য, লক্ষ, লক্ষ্য, লক্ষ্মী, লাঞ্ছনা, লগ্ন, শক্তি, শিক্ষক, শ্রমসঙ্গী, শিষ্য, শাসন,শ্রুতিমধুর, শস্য, শশ্রুষা, শ্রমিক, শ্রাবণ, শ্রাব্য, শ্রম, শ্রবণ,শুদ্ধ, শ্লেষ্মা, শুল্ক, সৌন্দর্য, শয্যা, শ্বাশত, শ্রদ্ধা, ষষ্ঠ, ষান্মাসিক, ষণ্ডা, ষষ্ঠি, ষোড়শি, সদ্য, সৃজনশীল, স্বল্প, স্বাগত, স্মৃতি, স্মর্তব্য, সঠিক, সভ্য,সংবর্ধনা, সংজ্ঞা, সমীহ, সহস্র, সত্তর, সংযত, সবিনয়, সত্ত্বর, সমবেত, সমন্বয়, স্বাধীন,সই, সবিশেষ, সরণ, সহস্র, সংরক্ষণ, সংগ্রহ, সত্য, সুতীক্ষ্ণ,সুহৃদ, সুষ্ঠু, সহিষ্ণু, সঞ্চিত, সম্প্রতি, সহ্য, হিংস্র, হৃদয়, হ্রাস, হ্রস্ব, হ্রদ, হৃত। (৪৩৮ টি)
উত্তর নিচের লিংক-এ
OnlineRedingRoom || HSC প্রমিত উচ্চারণ: উচ্চারণ নির্ণয় (onlinereadingroombd.com)
বিভিন্ন বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর সমাধান গ্রন্থের ৩৪-৩৬ নং পৃষ্ঠায়
(উত্তর নিচের লিংক-এ
২। বাংলা বানানের নিয়ম : ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৩৭-৩৮নং পৃষ্ঠায়)
(ক) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানের নিয়ম অনুসারে ই-কার ব্যবহারের ৫টি নিয়ম। (দিবো-১৬,১৭)
(খ) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী অ-তৎসম শব্দের ৫টি নিয়ম লেখ। (চবো, ববো-১৬, সিবো-১৭)
অথবা, বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। (ঢাবো, মবো, রাবো, দিবো, কুবো, সিবো, যবো ও ববো-২৩)
অথবা, প্রমিত বাংলা বানানের ৫টি নিয়ম লেখ। (য. বো. ১৬, চবো-১৯) অথবা, আধুনিক বাংলা বানানের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
অথবা, বাংলা বানানের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
(গ) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে তৎসম শব্দের বানানের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। (রাবো-১৯)
(ঘ) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে বিদেশি শব্দের বানানের ৫টি নিয়ম লেখ।
(ঙ) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ‘ই’, উ, ক্ষ, শ এবং রেফ (র্ ) ব্যবহারের নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। (সবো-১৮)
(উত্তর নিচের লিংক-এ
(চ) নিচের শব্দগুলোর শুদ্ধরূপ লেখ : ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৩৯-৪০ নং পৃষ্টায়)
অদ্যবধি, অধীনস্ত, অধ্যায়ন, অনাথিনী, অনুদিত, অনুর্ধ্ব, অনুসঙ্গ, অনূসূয়া, অপোরাহ্ন, অপকর্ষতা, অপহরন, অত্যান্ত, অক্ষুন্ন, অকষ্মাৎ, অহোরাত্রি, অপরীসিম, অনুগামীনী, অপাঙ্তেয়, আদ্যান্ত, অশ্রুজল, অগ্নুৎপাত, অগ্নাশয়, আনবিক, অপ্রতুলতা, অতলস্পর্শী, অলঙ্ঘ, আকষ্মিক, আশীষ, আবিস্কার, আলচ্যমান, আশাঢ়, আত্বস্ত, আইনজীবি, আকাঙ্খা, আচরন, আদ্র, ইদুর, ইতপূর্বে, ইংরেজী,ইতোপর, ইদৃশ, আগমনি, ইদানিং, ইতমধ্যে, ইস্পিত,উপযোগীতা, উদীচি, উজ্জল, উচ্ছ্বল, উচ্ছাস, উল্লেখিত, উচীৎ, উপরোক্ত, উৎকর্ষতা, উদ্বেলিত, উর্মি, এসিস্টেণ্ট, উপাধী, উত্যক্ত, উর্ধ্ব, ঐক্যমত,ঐক্যতান, একত্রিত, এতদ্সংক্রান্ত, এতদ্বারা, উপন্যাসিক, উপনিবেশিক, ঔচিত্ত, উদ্ধত্য, ঔজ্জল্য,কথোপকোথন, কর্ণেল, কর্মজীবি, কৃচ্ছ, কৃচ্ছসাধন, কৌতুহল, কুজ্জটিকা, কলংকিত, কার্য্যালয়, কিনাঙ্ক, কল্যান, কিম্বদন্তী, কুপমন্ডুক, ক্ষিণজীবি, ক্ষতিগ্রস্থ,কৃতীত্ব, ক্ষুণ্নিবৃত্তি, কৃতিবাস, গুণীগণ, গ্রহিতা, গুণীগণ, গড্ডালিকা, গিতাঞ্জলি, গিতাঞ্জলি, গণ্ডুষ, ঘনিভূত, ঘূর্ণীয়মান, ঘুরাঘুরি, ঘ্রান, গরিয়সী,ডাষ্টবিন, ঝরণা, জৈষ্ট্য, জীবীকা, জাজ্জল্যমান, জগত, ছাত্রছাত্রীগণ, চিক্বন, চতুস্কোন, দুর্বিসহ, দুষিত, তিরষ্কার, দুঃস্ত, দারিদ্র্যতা, তরুছায়া, তীক্ষ্ম, তোরন, তেজষ্ক্রিয়, দ্বন্ধ, দোষনীয়, দূরন্ত, দূস্প্রাপ্য, দুরাবস্থা, দূরাদৃষ্ট, দিবারাত্রি, দূর্গতি, দূরবৃত্ত, নিক্কন, নুপুর, দৈনতা, নির্ভিক, নমষ্কার, ননদী,দুর্ণাম, দূর্জয়, দূরুহ, নির্গুণী, নীরোগী, নির্মীয়মান, নূন্যতম, নির্দোষী, নৈঋত, নিরব, নিশিথিনি,পরিস্কার, পানিনি, পিরিত, পীপিলিকা, পুন্যাহ, পুরষ্কার, পুরান, প্রোজ্জ্বলন, পোষ্টমাষ্টার, পৃথকন্ন, পেশাজীবি, পৈত্রিক, প্রজ্জ্বল, প্রোজ্জ্বলিত, প্রাতস্মরণী, প্রনয়ন, প্রণষ্ট, প্রতিযোগীতা, প্রতিদ্বন্দ্বীতা, প্রনয়িনি, প্রজম্ম, প্রাতকৃত্য, প্রতিদ্বন্দ্বি, প্রাণীবিদ্যা, প্রাণীজগত, প্রত্যুশ, প্রাতঃরাশ, প্রাণীতত্ত্ব, ফলপ্রষু, প্রাতঃভ্রমণ, পরজীবি, পন্য, পঁচা, ফটোষ্ট্যাট, ফাঁসী,বাঙ্গালী, বাঞ্চনীয়, বাল্মিকি, বিদূষি, বিদ্যান, বিভিষিকা, বুৎপত্তি, বুদ্ধিজীবি, ব্যতিত, ব্যপ্ত, ব্যায়, ব্যার্থ, বনম্পতি, বিভিষণ, বয়ঃজেষ্ঠ্য, বহিস্কার, বৈদগ্ধ, ভষ্ম, ভাষন, ভূবণ, ব্রাহ্মন, বৈচিত্র, ব্যাত্যয়, বৈয়াকরণিক, ভ্রুকূটি, ভুয়সী, ভূল, ভৌগলিক, ভ্রাতাগণ, মাহাত্ম, মন্ত্রীসভা, মনিজাল, মন্ত্রীত্ব, ভ্রাতুস্পুত্র, ভষ্মীভুত, ভর্তিচ্ছু, মুখরিত, মনোকষ্ট, মহত্ব, মুচ্ছর্ণা, মনঃদুঃখ, মুখস্ত, মনঃগ্রাহী, মনোক্ষুণ্ন, মহিয়সি, মনিষি, মনোপুত, মণিষা, মনমোহন, মুহ্যমান,মনযোগ, মনোপীড়া, মরীচীকা, মুহুর্মুহূ, মুহুর্ত, মনঃবাঞ্ছা, মুমুর্ষ, মনন্তর, মৌনতা,লজ্জাষ্কর, লক্ষ্মন, রেজিষ্ট্রেশন, যদ্যাপি, যক্ষা, শুধুমাত্র, শরিরীক, শ্বশুড়, লব্ধপ্রতিষ্ঠিত, শ্বাশুড়ি, শান্তনা, শষ্য, শাস-প্রসাস, শারিরীক, শ্বাশত, শুশ্রষা,শিরমণি, শ্রদ্ধাঞ্জলী, শিরশ্চেদ, শ্লেস্মা, ষষ্ঠদশ, ষান্মাসিক, শিরনাম, শ্রমজীবি,সংস্কৃতিক, সকাতর, সকৃতজ্ঞ, সধর্মচুত, সন্ধিহান, সমিচীন, সমিপবর্তিনি, সমিরন, সম্বর্দ্ধনা, সলজ্জিত, সুসম, সুস্বাগত, সহকারি, সশংকিত, স্বচ্ছল, সর্বশান্ত, সন্ন্যাসি, সাতন্ত্র, সত্যেও, সহযোগীতা, সহমর্মীতা, সামীগৃহ, স্বার্থকতা, স্বাক্ষরতা, সৌহার্য, স্বামীগৃহ, সন্ধাপ্রদিপ, স্নেহাশীষ, স্বরস্বতী,সৌজন্যতা, সুপারিস, স্মরণাপন্ন, স্বস্ত্রীক, ষ্টেডিয়াম, সম্বলিত, সখ্যতা, স্বান্তনা, স্বপরিবার, ষ্টোর, স্মরনার্থী, সম্বাদ, স্বত্ত্ব, স্বার্থক, সতস্ফুর্ত, সুষ্ঠ,সম্বাদ, স্ফুর্তি, স্থুল, স্বতঃস্ফুর্ত, সাত্মিক, ষ্টেশন, সত্ত্বা, হীনমন্যতা, হৃদস্পন্দন, হৃদপিন্ড। (৩১৬টি) (প্রয়োজনে আরো উদাহরণ পড়তে হবে।)
(উত্তর নিচের লিংক-এ
বানান শুদ্ধিকরণ: বিভিন্ন বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর সমাধান গ্রন্থের ৪১-৪৬নং পৃষ্ঠায়
(উত্তর নিচের লিংক-এ
৩। বাংলা ভাষার ব্যাকরণিক শব্দ শ্রেণি : পদ ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৪৭-৫১ নং পৃষ্ঠায়)
(ক) বিশেষ্য পদ কাকে বলে? বিশেষ্য পদ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ প্রত্যেক প্রকার বিশেষ্য পদের পরিচয় দাও। (দিবো-২০১৬ )
অথবা, উদাহরণসহ বিশেষ্য পদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। (রাবো-২৩)
অথবা, বিশেষ্য পদ কাকে বলে? উদাহরণসহ বিশেষ্য পদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। (সিবো-২৩)
(খ) আবেগ শব্দ কাকে বলে? উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও। (রাবো- ১৬, সিবো-১৭)
অথবা, আবেগ শব্দ বলতে কী বুঝো? আবেগ শব্দের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। (ঢাবো, মবো-২৩,
অথবা, আবেগ শব্দ কাকে বলে? উদাহরণসহ আবেগ শব্দের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। (কুবো-২৩)
(গ) বাংলা ক্রিয়াপদের শ্রেণিবিভিাগ দেখাও।(ঢা. বো. ১৬, দিবো-২৩)
অথবা, উদাহরণসহ ক্রিয়াপদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। (যবো-২৩)
অথবা, ক্রিয়াপদ কাকে বলে? উদাহরণসহ ক্রিয়াপদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। (ববো-২৩)
(ঘ) বিশেষণ পদ কাকে বলে? বিশেষণ পদ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ প্রত্যেক প্রকার বিশেষণ পদের পরিচয় দাও।
(ঙ) গঠন অনুযায়ী ক্রিয়া কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ এদের পরিচয় দাও।
(চ) ভাব প্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়াপদ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ এদের পার্থক্য লেখ।
(ছ) গঠনের দিক থেকে ক্রিয়াপদ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ এদের পরিচয় দাও।
(জ) সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া কাকে বলে? উদাহরণসহ এদের পার্থক্য দেখাও।
(ঝ) নিচের অনুচ্ছেদ থেকে বিশেষ্য অথবা বিশেষণ অথবা সর্বনাম অথবা ক্রিয়া অথবা ক্রিয়া বিশেষণ অথবা চিহ্নিত শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ কর।
(কিছু নমুনা প্রশ্ন নিচে দেয়া হলো)
প্রশ্ন ১ : নিচের অনুচ্ছেদ থেকে ৫টি বিশেষণ পদ বাছাই করে লেখ:
নীল আকাশ। রোদেলা দুপুর। দখিনা বাতাসে টকটকে লাল পলাশ ফুল দুলছে। সাদা মেঘের দল বলাকার মতো উড়ছে। গ্রামের মেঠো পথে ছেলেরা খেলছে।
প্রশ্ন ২ নিচের অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ নির্বাচন করো:
সকালে মা তার ঘুমন্ত শিশুকে জাগিয়ে গরম দুধ খাওয়ালেন। এরপর আড়াই বছরের অবুঝ শিশুটিকে নিয়ে বাগানে লাল লাল ফুল দেখালেন। সদ্যোজাত ফুলগুলো ছিল চমৎকার। ঝকঝকে রোদে পরিবেশও ছিল সুখবর।
প্রশ্ন ৩ নিচের অনুচ্ছেদ থেকে নিম্নরেখ পদগুলোর ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি নির্দেশ করো:
আজ সারাদিন আকাশ সাদা মেঘে ঢাকা। মৃদু বাতাস বইছে। রাজিব ভাঙা ছাতা নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে। আমি জানালায় দাঁড়িয়ে আপন মনে গান গাইছি। উহ্! বড্ড ঠান্ডা।
প্রশ্ন ৪ নিচের অনুচ্ছেদের নিম্নরেখ পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ করো:
একটু মিটমিট করিয়া ক্ষুদ্র আলো জ্বলিতেছে-দেওয়াতের ওপর চঞ্চল ছায়া, প্রেতবৎ নাচিতেছে। আহার প্রস্তুত হয় নাই-এজন্য হুকা হাতে, নিমীলিত লোচনে আমি ভাবিতেছিলাম যে, আমি যদি নেপোলিয়ন হইতাম তবে ওয়াটারলু জিতিতে পারিতাম কিনা।
প্রশ্ন ৫ নিচের অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ চিহ্নিত করো:
“আব্বু ছোটোমামা হয়েছে। আব্বু ছোটোমামা হয়েছে।” আড়াই বছরের মেয়ের সদ্য-ঘুম-ভাঙা গলায় ভাঙা ভাঙা বুলি শুনে সে চমকে ওঠে, মিন্টু কি ঢুকে পড়লো অস্ত্রশস্ত্র হাতে? এর মানে পিছে পিছে ঢুকছে মিলিটারি। তার মানে-। না, দরজার ছিটকিনি ও খিল সব বন্ধ। তাকে কি মিন্টুর মতো দেখাচ্ছে? মিলিটারি আবার ভুল করে বসবে না তো? এর মধ্যে তার পাঁচ বছরের ছেলেটা গম্ভীর চোখে তাকে পর্যবেক্ষণ করে রায় দেয়, “আব্বুকে ছোটোমামার মতো দেখাচ্ছে। আব্বু তা হলে মুক্তিবাহিনী তাই না?”
প্রশ্ন ৬ : নিচের অনুচ্ছেদ থেকে ৫টি বিশেষ্য পদ নির্বাচন কর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকায় ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৯-এ মে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি ঢাকায় বিক্রমপুরে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতার নাম হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মাতার নাম নীরদাসুন্দরী দেবী। তাঁর পিতৃপ্রদত্ত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। ডাকনাম মানিক। বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে তিনি পড়াশোনা করেন।
প্রশ্ন ৭ : নিচের অনুচ্ছেদ থেকে ৫টি বিশেষণ পদ নির্বাচন কর:
সাদা মেঘ আকাশ ছেয়ে আছে । হঠাৎ টিপ-টিপ বৃষ্টি শুরু হলো । করিম ভাঙ্গা ছাতা দিয়ে বৃষ্টি ঠেকানোর বৃথা চেষ্টা করছিল। তার বেখেয়ালি মন হালকা বৃষ্টি আর মৃদ হাওয়ায় অস্থির হয়ে উঠল।
প্রশ্ন ৮:নিচের অনুচ্ছেদ থেকে ৫টি বিশেষ্য পদ চিহ্নিত কর:
রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষার কবি, বিশ্বকবি। গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য তিনি নোবেল পান। সারা বিশ্বের বিদগ্ধজন যেমন আইনষ্টাইন, রোমা রোল্যাঁ, ইয়েটস প্রমুখের সাথে তাঁর বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল। আবার ইতালির মুসোলিনিকে নিয়ে তিনি এঁকেছিলেন ব্যঙ্গচিত্র ।
প্রশ্ন ৯: নিচের অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ শব্দ খুঁজে বের কর :
মানুষ স্বাভাবিকভাবেই সৌন্দর্যপ্রিয়, রূপপিয়াসী,কল্পনাবিলাসী। মনকে আর্কষণ করার মতো এমন অনেক কিছু প্রকৃতিজগতে ছড়িয়ে আছে। রূপালি নদী, বিল, আকাশ, সাদা মেঘের ভেলা, সবুজ বৃক্ষলতা, নানা বর্ণের ফুল, নানা রঙের ফল, মায়াবী জ্যোৎস্না যে কারো হৃদয় মুগ্ধ করবেই ।
প্রশ্ন ১০: নিচের অনুচ্ছেদ থেকে ৫টি বিশেষ্য পদ চিহ্নিত কর :
সে ছিল চমৎকার এক সুন্দরী তরুণী। নিয়তির ভুলেই যেন এক কেরানীর পরিবারে তার জন্ম হয়েছে। তার ছিল না কোনো আনন্দ, কোনো আশা । পরিচিত হবার, প্রশংসা পাওয়ার, প্রেমলাভ করার এবং কোনো ধনী অথবা বিশিষ্ট লোকের সঙ্গে বিবাহিত হওয়ার কোনো উপায় তার ছিল না। তাই শিক্ষা পরিষদ অফিসের সামান্য কেরানির সঙ্গে বিবাহ সে স্বীকার করে নিয়েছিল।
প্রশ্ন ১১ : নিচের অনুচ্ছেদ থেকে ৫টি সর্বনাম পদ চিহ্নিত কর :
আজি আমার বয়স সাতাশ মাত্র। এ জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসেবে বড়, না গুণের হিসেবে। তবু ইহার একটু বিশেষ মূল্য আছে। ইহা সেই ফুলের মতো যাহার বুকের উপর ভ্রমর আসিয়া বসিয়াছিল, এবং সেই পদক্ষেপের ইতিহাস তাহার জীবনের মাঝখানে ফলের মতো গুটি ধরিয়া উঠিয়াছে।
প্রশ্ন ১২: নিচের অনুচ্ছেদ থেকে ৫টি বিশেষণ নির্বাচন কর :
প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার একটি টেলিভিশন। সুস্থ শরীর না হলে খেলায় জয়লাভ অসম্ভব। সবুজ ঘাসের উপর হবে সাইকেল চালনা। হাসিহাসি মুখ নিয়ে বিজয় মঞ্চে উঠল ছেলেটি।
প্রশ্ন ১৩: নিচের অনুচ্ছেদ থেকে ৫টি বিশেষ্য পদ নির্বাচন কর :
রাত আটটাও বাজে নি, এর মধ্যে গনেশের হোটেল বন্ধ। নিরাময় ফার্মেসিও বন্ধ। একবার মনে হলে আমার নিজের ঘড়িই বন্ধ হয়ে আছে, রাত বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু আমি টের পাচ্ছি না।
প্রশ্ন ১৬: নিচের অনুচ্ছেদ থেকে ৫টি সর্বনাম পদ নির্বাচন কর:
সেখানকার ছেলেমেয়েরা বেশ মজা পেল। তারা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করল, ছেলেটা নিশ্চয় পাগল হবে। ঠিক আছে আমরা সবাই তাকে রাজকুমার মনে করে সম্মান দেখাই।
বিভিন্ন বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর সমাধান গ্রন্থের ৫২-৫৫ নং পৃষ্ঠায়
৪। বাংলা শব্দ গঠন: (উপসর্গ, সমাস) ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৫৬-৫৮ নং পৃষ্ঠায়)
(ক) ‘উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।’ – আলোচনা কর। (কুবো, যবো, ববো-২৩)
(খ) নিচের উপসর্গগুলো দিয়ে শব্দ তৈরি কর ও বাক্যে প্রয়োগ দেখাও: আ, অঘা, অজ, আড়, আব, নি, ভর, সু, হা, অপ, প্র, সম, নির, উৎ।
(গ) উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ প্রত্যেক প্রকার উপসর্গের পরিচয় দাও। (মবো-২৩,
অথবা, উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর। (ঢাবো, দিবো-২৩)
(ঘ) উপসর্গের সংজ্ঞা দাও। বাংলা শব্দগঠনে উপসর্গের ভূমিকা লেখ। (সিবো-২৩) অথবা,
সমাস
(ঙ) ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখ: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৫৯-৬৪ নং পৃষ্ঠায়)
শতবর্ষ, সেতার, পঞ্চবটী, ত্রিলোক, তেমোহনা, তেপান্তর, তেতালা, চৌরাস্তা, চৌমুহনী, চৌমাথা, চর্তুভুজ, চতুষ্পদী, পঞ্চরাত্র, সহস্রাব্দ, সপ্তর্ষি, পসুরি, ষড়ঋতু, সপ্তাহ, দশআনি, নবরত্ন, সপ্তডিঙ্গা, তেরোনদী, শতাব্দী, ত্রিভুবন,যথেষ্ট, গরমিল, উপজেলা, উদ্বেল, উচ্ছ্বাস, আলুনি, আরক্তিম, আমূল, মরণ, আদিগন্ত, আকর্ণ, অনুরূপ, অনুগমন, যথাসাধ্য, আকণ্ঠ, হাভাত, যথারীতি, ঘোলাটে, দুর্ভিক্ষ, উপকূল, অনুরণন, অতীন্দ্রিয়, বিশ্রী, প্রত্যক্ষ, ফিকালাল, উপবন, প্রগতি, প্রহার, প্রশিক্ষিত, প্রশান্তি, প্রভাব, প্রবচন, অতিমাত্র, প্রত্যেহ, প্রতিহিংসা, অভিমুখ, প্রভাত, প্রবাদ,দেশান্তর, দীপান্তর, গ্রামান্তর, মতান্তর, বাক্যন্তর, লোকটি, জনৈক, দিনভর, মাথাপিছু, তন্মাত্র, গৃহান্তর, রূপান্তর, যুগান্তর, কালান্তর, দর্শনমাত্র, ভাষান্তর,আদ্যোপান্ত, ক্ষুৎপিপাসা, গ্রাসাচ্ছাদন, শীতাতপ, শান্তশিষ্ট, ওষ্ঠাধর, ভরণপোষণ, বনেবাদড়ে, পথেঘাটে, আমরা, তোমরা, খোরপোশ, দোয়াত-কলম, দুধে-ভাতে, দা-কুমড়া, দম্পতি, টীকাভাষ্য, জলেস্থলে, কুশীলব, তোরা, নথিপত্র, রাজাউজির, হ্রাসবৃদ্ধি, মায়েঝিয়ে, আজকাল, গণ্যমান্য, কীটপতঙ্গ, জনমানব, সৈন্য-সামন্ত, হিতাহিত, সাত-সতের, সাপে-নেউলে, লেনদেন, হাতে-পায়ে, রক্তমাংস, অহোরাত্র, মরাবাঁচা, ক্রীড়াকৌতুক, হতাহত, সত্যাসত্য, দ্বীপ, সতীর্থ, গায়ে হলুদ, গলাগলি, গৃহস্থ, কানাকানি, কমবখত, রত্নগর্ভা, রক্তারক্তি, যুবযানি, মহাত্মা, ঊর্ণনাভ, পাঁচগজি, নীলাম্বর, নীলকণ্ঠ, অবিশ্বাস্য,আয়তলোচন, অল্পপ্রাণ, তেভাগা, চোখাচোখি, কোলাকুলি, বেহায়া, বেওয়ারিশ, দশানন, তর্কাতর্কি, প্রিয়ংবদা, নিরুদ্বেগ, নিরর্থক, কৃতবিদ্যা, ক্ষুরধারা,সাক্ষর, সদর্প, হাতেখড়ি, লাঠালাঠি, মহাত্মা, খড়মপা, মন্দভাগ্য, চন্দ্রচূড়, হাতাহাতি, সপরিবার, সলজ্জ, বিপত্নীক, সুশীল, নদীমাতৃক, সহোদর, অনাশ্রিত, গজানন, বীণাপাণি, হাভাতে, হাসাহাসি, একরোখা, মকরমুখো, শ্বাপদ, সহৃদয়, অপয়া, শতবার্ষিকী, বিশালাক্ষী, সুহৃদয়, গভীরচিত্ত, তিমিরকুন্তলা,সংখ্যাতীত, বইপড়া, দুঃখপ্রাপ্ত, চিরস্থায়ী, চিরসুখী, চিরকুমার, গুরুভক্তি, নদীশাসন, জাতিগত, আমকুড়ানো, মাহারা, ভাতরাঁধা, মাছধরা, প্রাণবধ, ক্ষাধার্ত, গুণমুগ্ধ, ঢেকিছাঁটা, পদদলিত, প্রথাবদ্ধ, বাকবিতণ্ডা, বাগদত্তা, ভিক্ষালব্ধ, মেঘলুপ্ত, রক্তাক্ত, শোকাকুল, বিদ্যাহীন, যুক্তিসঙ্গত, ছায়াশীতল, জনাকীর্ণ, কণ্টকাকীর্ণ, মধুমাখা, শ্রমলব্ধ, আইনসঙ্গত, মনগড়া, পাঁচকম, চেষ্টালব্ধ, গুরুভক্তি, ছাত্রাবাস, বসতবাড়ি, অন্নচিন্তা, জয়ন্তী, দেশপ্রেম, রান্নাঘর, হজ্বযাত্রা, খেয়াঘাট, মড়াকান্না, ফাঁসিকাষ্ঠ, চিড়িয়াখানা, তপোবন, ডাকমাশুল, মুক্তিযুদ্ধ, বিয়েপাগল,অদ্যান্ত, দেশপলাতক, পদচ্যুতি, প্রাণপ্রিয়, বিলাতফেরত, মুখভ্রষ্ট, যুদ্ধবিরতি, লোকভয়, স্বর্গচ্যুত, ঋণমুক্ত, সত্যভ্রস্ট, জন্মান্ধ, রোগমুক্ত, নীতিভ্রষ্ট, মেঘমুক্ত, লক্ষ্যভ্রষ্ট, প্রাণপ্রিয়, দুগ্ধজাত, মমতারস, বনস্পতি, উপলখণ্ড, পল্লিকবি, পাতাবাহার, পাষণস্তূপ, অশ্বপদ, খ্রিষ্টধর্ম, বিদ্যাসাগর, চা-বাগান, রাজহংস, রাজপথ, রাজধানী, রাষ্ট্রপতি, নীপবৃক্ষ, নদীতীর, রাজদণ্ড, গল্পপ্রেমিক, অশ্বডিম্ব, গৃহকর্ত্রী, কলঙ্করেখা, সূর্যালোক, খেয়াঘাট, কর্মকর্তা, রাজপুত্র, গণতন্ত্র, বিধিলিপি, ঝর্ণাধারা, সন্ধ্যাপ্রদীপ, ধর্মসংস্কার, বন্দী, রাতজাগা, রণদক্ষ, কার্যক্রম, অকালবার্ধক্য, চিন্তামগ্ন, জ্ঞানশূন্য, বনভোজন, বনজাত, গৃহপ্রবেশ, অকালমৃত্যু, রাতকানা, বিপদসঙ্কুল, সলিলসমাধি, গাছপাকা, রাতকানা, অনুচিত, অফুরন্ত, অনতিবৃহৎ, অনশন, অনাচার, অনির্বচনীয়, অনেক, অপর্যাপ্ত, অবিশ্বাস্য, নাতিশীতোষ্ণ, বেহিসাবি, অখ্যাত, অসঙ্গত, অকাতর, অসত্য, অমানুষ, অনিষ্ট, অনাশ্রিত, অনিবার্য, অক্ষত, অনাসক্ত, অনাহার, সর্বনাশা, বিস্ময়কর, ঘরছাড়া, কুম্ভকার, পঙ্কজ, উদ্বাস্তু, বাস্তুহারা, বাজিকর, গ্রন্থকার, দ্রুতগামী, বেতনভোগী, ইন্দ্রজিৎ, পকেটমার, নিশাচর, গৃহস্থ, গায়েপড়া, মৃত্যুঞ্জয়, মিরবিদারী, প্রভাকর, ধামাধরা, খেচর, মধুকর, প্রিয়ংবদা, যাদুকর, সত্যবাদী, জলচর, ঢাকেরবাঁয়া, গানেরআসর, ঘোড়ারডিম, টাকারকুমির, বুদ্ধিরঢেঁকি, হাতেছড়ি,বালিরবাঁধ, চোখেরবালি, সোনার প্রতিমা, সোনারবাংলা, খেলারমাঠ, কলুরবলদ, শ্বেতপত্র, কুকর্ম, সৎলোক, ক্রীতদাস, গণ্যমান্য, গোলাপফুল, নবপৃথিবী, নবযৌবন, নবান্ন, নীলপদ্ম, প্রাণচঞ্চল, মহাজন, মহাপৃথিবী, মরানদী, ছিন্নবস্ত্র, রাঙ্গামাটি, সজ্জন, বেগুনভাজা, কদাচার, মৃদুমন্দ, ষড়যন্ত্র, মিঠেকড়া, গিন্নিমা, অলসতন্দ্রা, লালগোলাপ, মহাকবি, আয়কর, খেয়াঘাট, ঘরজামাই, জয়পতাকা, জ্যোৎস্নারাত, ধর্মঘট, ফৌজদারিআদালত, বিরানব্বই, শিক্ষামন্ত্রী, সিংহাসন, হাঁটুজল, একাদশ, জয়মুকুট, ঊর্ণাজাল, জীবনবিমা, মমতারস, পানাপুকুর, ছায়াতরু, বাদপত্র, প্রাণভয়, ঈগলপাখি, নাতজামাই, পলান্ন, দ্বাদশ, অলসতন্দ্রা, জীবনবারি, প্রাণভোমরা, ভবনদী, মনমাঝি, মোহনিদ্রা, যৌবনসূর্য, দিলদরিয়া, পরানপাখি, বিষাদসিন্ধু, ক্ষুধানল, কালচক্র, জীবনপ্রদীপ, জীবন-নদী, অরুণরাঙা, কচুকাটা, বকধার্মিক, বজ্রকঠোর, শশব্যস্ত, কাজলকালো, তুষারধবল, কুসুমকোমল, গজমূর্খ, মিশকালো, করপল্লব, চরণকমল, চাঁদমুখ, দেহলতা, পদ্মআঁখি, ফুলকুমারী, ব-দ্বীপ, সিংহপুরুষ, বজ্রকণ্ঠ, বাহুলতা, মনবিহঙ্গ, মুখচন্দ্র, ওলকপি, রক্তকমল। (436)
সমাস: বিভিন্ন বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর সমাধান গ্রন্থের , ৬৫-৭১ নং পৃষ্ঠায় ]
৫। বাক্যতত্ত্ব: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৭৬-৭৮ নং পৃষ্ঠায়)
(ক) বাক্য কাকে বলে? একটি সার্থক বাক্যের কী কী গুণ থাকা আবশ্যক? উদাহরণসহ লেখ। (রাবো-১৯, ২৩, সিবো-১৯ )
(খ) গঠন অনুযায়ী বাক্য কত প্রকার ও কী কী? প্রত্যেক প্রকার বাক্যের পরিচয় দাও। (দিবো-১৯, ঢাবো-১৯, ১৭,১৪,০৫,০৩, ববো-১৭,১২, সিবো, ববো-২৩)
অথবা, বাক্য কাকে বলে? গঠন অনুসারে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করো। (মবো-২৩, দিবো-২৩)
অথবা, গঠনরীতির আলোকে বাক্যের প্রকারভেদ আলোচনা কর। (কুবো-২৩)
(গ) অর্থ অনুযায়ী বাক্য কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ প্রত্যেক প্রকার বাক্যের পরিচয় দাও। (ববো-১৯, চবো-১৯)
অথবা, অর্থ অনুসারে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ উদাহরণসহ আলোচনা কর। (ঢাবো, যবো-২৩)
(ঘ) প্রদত্ত বাক্যগুলো নির্দেশ অনুযায়ী রূপান্তর কর: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৭৯-৮১ নং পৃষ্ঠায়)
|
সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্য |
|
|
সত্যবাদীকে সকলেই ভালবাসে। |
দরিদ্র হলেও তিনি সুখী। |
|
মিথ্যাবাদীকে কেউ বিশ্বাস করে না। |
দরিদ্র হলেও তিনি উদার। |
|
ভিক্ষুককে দান কর। |
গুণবান ব্যক্তি বিনয়ী হয়। |
|
পরিশ্রম করলেই পরীক্ষায় সফল হবে। |
আপনি গেলে আর ভাবনা কি? |
|
নদী তীরে বসলেই কুল কুল ধ্বনি শুনি। |
অসুস্থ হলেই তিনি ডাক্তার ডাকেন। |
|
দুর্নীতিবাজের মনে সুখ থাকে না। |
|
|
মিশ্র বা জটিল বাক্য থেকে সরল বাক্য |
|
|
যে মিথ্যা বাদী তাকে কেউ বিশ্বাস করে না। |
যদি পরিশ্রম না কর, তবে পাসের আশা বৃথা। |
|
যে ব্যক্তি ধার্মিক তিনি নির্ভয়ে থাকতে পারেন। |
যদি আমার কথা না শুন, ভবিষ্যতে অনুতাপ করবে |
|
যারা নির্বোধ তারা এ কথা বিশ্বাস করবে। |
যতদিন জীবন থাকবে ততদিন পরের দাসত্ব করব না। |
|
যারা ধার্মিক, তারা সুখী। |
|
|
সরল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্য |
|
|
সন্ধাবেলায় আমরা বাড়ি ফিরলাম |
তিনি ধনী হয়েও সুখী ছিলেন না। |
|
সত্য কথা না বলে বিশ্বাস হারা হয়েছি। |
গুরু মহাশয় আমাকে উপদেশ দিয়ে বিদায় করলেন। |
|
দোষ করায় তোমাকে শাস্তি পেতে হবে। |
কম বয়সের জন্য তোমাকে ক্ষমা করলাম। |
|
দরিদ্র হলেও লোকটি সৎ। |
আমি বহু কষ্টে অর্থ উপার্জন করেছি। |
|
যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্য |
|
|
লোভ পরিত্যাগ কর, তুমি সুখে থাকবে। |
তিনি ধনী ছিলেন, কিন্তু সুখী ছিলেন না। |
|
লোকটির বয়স হয়েছে কিন্তু বুদ্ধি হয়নি। |
আমার কথায় বিশ্বাস কর, তোমার মঙ্গল হবে। |
|
পড়াশুনা কর তবে জীবনে উন্নতি করতে পাবে। |
আমরা মাঠে গেলাম এবং খেলতে লাগলাম। |
|
তিনি সচ্চরিত্র, এজন্যে সবাই তাঁকে মানে। |
|
|
মিশ্র বা জটিল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্য |
|
|
লোকে যা বলে তাতে কান দিও না। |
যদি বন্দুক দাও তা হলে আমি বাঘ মারব। |
|
যেহেতু এটা তার কাজ সেহেতু আমি হস্তক্ষেপ করব না। |
যদি পরিশ্রম কর, তবে ফল পাবে। |
|
যেটা আমি দেখেছি সেটা অবিশ্বাস করব না। |
যখন বিপদ আসে তখন দুঃখও আসে। |
|
যদিও তিনি ধনী তথাপি তিনি অসুখী। |
|
|
যৌগিক বাক্য থেকে মিশ্র বা জটিল বাক্য |
|
|
সে দরিদ্র বটে কিন্তু সত্যবাদী। |
তাঁর ধন আছে কিন্তু মান নেই। |
|
সাধনা কর, সিদ্ধিলাভ হবে। |
ছেলেটির বয়স অল্প কিন্তু বেশ বুদ্ধিমান। |
|
দোষ করেছ অতএব শাস্তি পাবে। |
চরিত্র অমূল্য সম্পদ, কিন্তু অনেকেই চরিত্রহীন। |
|
অপরাধ স্বীকার কর, তোমার কোন শাস্তি হবে না। |
|
|
অস্তিবাচক বাক্য থেকে নেতিবাচক বাক্য |
|
|
লোকটি সত্যবাদী। |
তাসনীমের স্বাস্থ্য ভাল। |
|
ভাগ্যে এমন নমুনা কদাচিৎ চোখে পড়ে। |
খাদ্যে ভেজাল দেওয়াই সবচেয়ে জাতীয়তা বিরোধী অপকর্ম। |
|
প্রতিভা যে দেবপ্রদত্ত এ কথা আংশিক সত্য। |
করিম স্বদেশ হিতৈষিকতায় বিশ্বাসী ছিলেন। |
|
প্রকৃত সৎ লোকের খুবই অভাব। |
আজকাল সব জিনিসই দুর্লভ। |
|
দরিদ্র সেবাই শ্রেষ্ট ধর্ম। |
অল্প লোকই বেদের অর্থ বুঝত। |
|
নেতিবাচক বাক্য থেকে অস্তিবাচক বাক্য |
|
|
যে জাতির অতীত নেই, তার ভবিষ্যৎও নেই। |
কমলাকান্তের মনের কথা এ জন্মে বলা হল না। |
|
প্রতিভা যে দেবপ্রদত্ত এ কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা নয়। |
এমন কোন লোক নেই যিনি দেশকে ভালবাসেন না। |
|
তোমার এরূপ ব্যবহার উচিত হয়নি। |
এটি অপেক্ষা সুন্দর বস্তু আর নেই। |
|
তুমি ছাড়া কেউ চুরি করেনি। |
এখানে আমি অনেক দিন আসিনি। |
|
কলিকাতায় আমি খুব বেশি দিন আসিনি। |
|
|
নির্দেশক বাক্য থেকে প্রশ্নবোধক বাক্য |
|
|
স্যারদের ভ্রম হয়। |
ছাত্রজীবনে অধ্যায়নই তপস্যা |
|
মহাত্মা গান্ধী অহিংসার পূজারী ছিলেন। |
কাজেই আর উপায় নেই। |
|
পরিণামে ধর্মের জয়। |
আমি তোমাকে এ কথা বলিনি। |
|
নবকুমারকে ব্যাঘ্রে হত্যা করেছে। |
আমি তখন জাগ্রত ছিলাম। |
|
টাকায় সবই হয়। |
অন্যায়ের দ্বারা ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা হয় না। |
|
প্রশ্নবোধক বাক্য থেকে নির্দেশক বাক্য |
|
|
শরৎচন্দ্র মহাশয়ের নাম কে শোনেনি? |
কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে? |
|
ভুল কার না হয়? |
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কি মহাপুরুষ নন? |
|
ফুল কে-না ভালবাসে? |
আমার বাস কি কেবল বাংলাদেশেই? |
|
জাতি গঠনের কাজ কি সমাপ্ত হয়েছে? |
আমরা পতঙ্গ না তো কি? |
|
কে জানে সে কবে আসবে? |
আপনি কি এ রকম কথা বলেননি? |
|
ইচ্ছাসূচক বাক্য থেকে নির্দেশক বাক্য |
|
|
সুখী হও। |
এমন অন্যায় কাজ যেন না কর। |
|
সৎ পথে তার মৃত্যু হোক। |
আল্লাহর নাম জপ কর। |
|
নতুন ধানে হউক নবান্ন। |
আল্লাহ সকলের মঙ্গল করুন। |
|
জীবনে শান্তি লাভ কর। |
আল্লাহ তোমার ভাল করুন। |
|
জয় হোক তব জয়। |
আলম, তুমি দীর্ঘজীবী হও। |
|
অনুজ্ঞানসূচক বাক্য থেকে নির্দেশক বাক্য |
|
|
সদুপায়ে জীবিকা অর্জনের চেষ্টা করো। |
তুমি আজ বিদ্যালয়ে যাও। |
|
মন দিয়ে লেখাপড়া করিও। |
চুপ কর। |
|
বিপদে ধৈর্য ধর। |
গুরুজনদের মান্য করিও। |
|
দুর্জনকে দূরে রাখিও। |
এখনই এখান থেকে যাও। |
|
তুমি সেখানে যাও। |
এই স্থান ত্যাগ কর। |
|
নির্দেশক বাক্য থেকে বিস্ময়সূচক বাক্য |
|
|
যা দেখলাম তা ভুলবার নয়। |
দৃশ্যটি বড় করুণ। |
|
পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ের দৃশ্যগুলো বড় অপূর্ব। |
গলাটি অতি চমৎকার। |
|
নিতুর গানের গলা খুব মিষ্টি। |
এই জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী কত অমায়িক ছিলেন। |
|
দৃশ্যটি বড় চমৎকার। |
এ তো ভয়ানক দুঃখের কথা। |
|
বিস্ময়সূচক বাক্য থেকে নির্দেশক বাক্য |
|
|
সেই বাড়িটি কী অপূর্ব ! |
কী সুন্দর খেলা! |
|
সে রাত্রি কী ভয়ানক! |
আহা! ছেলেবেলায় যদি ফিরে যেতে পারতাম। |
|
ত্যাগের কী অপূর্ব মহিমা! |
আহা! কী মিষ্টি গলা। |
|
কী সুন্দর রং! |
আজ কী আনন্দ! |
|
কী সুন্দর দৃশ্য! |
|
|
নেতিবাচক থেকে প্রশ্নবাচক |
|
|
মানুষটা সমস্ত রাত খেতে পাবে না। |
তাদের গ্রামে ফিরিয়া আসা চলে না। |
|
তাহারা পাষাণ নয়। |
এতে দোষ নেই। |
|
তারা বাধা দিলেও কিছু করার নেই। |
এ খবর আমরা কেহই জানিতাম না। |
|
প্রশ্নবোধক বাক্য থেকে অস্তিবাচক বাক্য |
|
|
সেটা কি আমাদের মত সঙ্কচিত বিস্ফোরিত হয় না? |
চলিত ভাষায় কি আর শিল্পনৈপুণ্য হয় না? |
|
যার মনে প্রত্যয় জন্মে না সে কি আপত্তি জানাবে না? |
খাঁচার মধ্যে থেকেই পাখি কি গান গায় না? |
|
পরোপকার কি সকল সময়েই সকল অবস্থাতেই ধর্ম নয়? |
এই পুরাতন ভারতবর্ষ আবার জাগিবে না? |
বাক্যরূপান্তর: বিভিন্ন বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর সমাধান গ্রন্থের ৮২-৮৯ নং পৃষ্ঠায়
৬। বাংলা ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ:
(ক) নিচের বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ লেখ: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৯০-৯৩ নং পৃষ্ঠায়)
|
µg |
প্রদত্ত বাক্য |
ক্রম |
প্রদত্ত বাক্য |
|
1 |
সেখানে গেলে তুমি অপমান হবে। |
৭১ |
ব্যাপারটা আমার আয়ত্তাধীন নয়। |
|
2 |
সে চমৎকার হয়েছে। |
৭২ |
বৃক্ষটি সমূলসহ উৎপাটিত হয়েছে। |
|
3 |
সূর্য উদয় হয়েছে। |
৭৩ |
বিশ্বে বাংলা ভাষাভাষীর সংখ্যা প্রায় ত্রিশ কোটি। |
|
4 |
সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়েছে। |
৭৪ |
বিদেশি অতিথিদের সুস্বাগত জানানো হলো। |
|
5 |
বিধি লঙ্ঘন হয়েছে। |
৭৫ |
তার দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল। |
|
6 |
বস তোমার প্রতি ক্রোধ হয়েছেন। |
৭৬ |
তৎকালীন সময়ে সরকারের ভূমিকা সমালোচিত হয়। |
|
7 |
তোমার যুক্তি খণ্ডন হয়েছে। |
৭৭ |
ছেলেটি দারুণ সুবুদ্ধিমান। |
|
8 |
ঘটনা বর্ণনা হয়েছে। |
৭৮ |
চোরটি বমালসুদ্ধ ধরা পড়েছে। |
|
9 |
গৌরব লোপ পেয়েছে। |
৭৯ |
কেবলমাত্র দুর্নীতিই এ সংকটের জন্য দায়ী। |
|
10 |
আমার কথা শুনে সে বিস্ময় হয়েছে। |
৮০ |
ইদানিংকালে ইংরেজি ধাঁচে বাংলা বলার অপচেষ্টা হচ্ছে। |
|
11 |
আমার কথা প্রমাণ হয়েছে। |
৮১ |
আলোচ্যমান অংশটুকু রবীন্দ্রনাথের কবিতা থেকে নেওয়া। |
|
12 |
আমাদের আচরণে তারা সন্তোষ হলো। |
৮২ |
আমাদের দেশ এক সময় ব্রিটিশদের অধীনস্থ ছিল। |
|
13 |
আমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে। |
৮৩ |
আপনার তথ্য গ্রাহ্যযোগ্য নয়। |
|
14 |
আমরা প্রতিপালন হচ্ছি। |
৮৪ |
আকন্ঠপর্যন্ত ভোজনে স্বাস্থ্যহানি ঘটে। |
|
15 |
চোরটা যেন মাগুর মাছের প্রাণ; দু-চার ঘায়ে কিছু হবে না। |
৮৫ |
বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। |
|
16 |
যেমন বুনো কচু তেমনি বাঘা চালতা। |
৮৬ |
পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান। |
|
17 |
মাস্টার সাহেব কারো সাতেও নেই সতেরোতেও নেই। |
৮৭ |
তিনি স্বস্ত্রীক রংপুরে থাকেন। |
|
18 |
মাখনের পুতুলটা কি তোমাদের সঙ্গে অতদূর যেতে পারবে? |
৮৮ |
তিনি মোকদ্দমায় সাক্ষী দেবেন। |
|
19 |
পরীক্ষা এলে অনেকেই চোখে হলুদ ফুল দেখে। |
৮৯ |
তাহার সাংঘাতিক আনন্দ হইল। |
|
20 |
নিজের চরকায় মোবিল দাও, অন্যের কথা ভাবতে হবে না। |
৯০ |
ছেলেটি ভয়ানক মেধাবী। |
|
21 |
দশচক্রে ঈশ্বর ভূত। |
৯১ |
কুপুরুষের মতো কথা বলো না। |
|
22 |
তার খোদার উপর কারসাজি করার অভ্যাস গেল না। |
৯২ |
এত পরিশ্রম আমার সাধ্যায়ত্ত নয়। |
|
23 |
সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম। |
৯৩ |
এটা হচ্ছে ষষ্ঠদশ বার্ষিক সাধারণ সভা। |
|
24 |
ওরা এক ঝাঁকের মাছ তো, তাই চালচলনও একরকম। |
৯৪ |
এই ফুলের রক্তিমতা চোখে পড়ার মতো। |
|
25 |
ও তো ঢোলের বাঁয়া, সঙ্গে থাকাও যা না থাকাও তা। |
৯৫ |
আসামির অনুপস্থিতে বিচার চলছে। |
|
26 |
আমি বসে আছি, যদি ময়লা ফেলতে ভাঙা কুলোর ডাক পড়ে। |
৯৬ |
আমার সাবকাশ নাই। |
|
27 |
অনেক হয়েছে, গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না। |
৯৭ |
আমরা চাই শিক্ষা ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রকরণ করতে। |
|
28 |
সবিনয়পূর্বক বিষয়টি জানতে চাই। |
৯৮ |
আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত। |
|
29 |
সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করবে। |
৯৯ |
আগত রবিবারে তারা যাবে । |
|
30 |
সকৃতজ্ঞ চিত্তে সে আমার দিকে তাকালো। |
১০০ |
অসুস্থবশত সে কলেজে আসতে পারে নি। |
|
31 |
বাংলাদেশ এখন আনন্দে মুখরিত। |
১০১ |
অন্যায়ের প্রতিফল দুর্নিবার্য। |
|
32 |
প্রফুল্লিত চিত্তে সে কথাটি বলল। |
১০২ |
সমুদয় পক্ষীরাই নীড় বাঁধে। |
|
33 |
দেশের উন্নয়নে আমরা সবাই সচেষ্টিত হবো। |
১০৩ |
সভায় অনেক ছাত্রগণ এসেছিল। |
|
34 |
তোমরা একত্রিত গমন করো। |
১০৪ |
সকল দর্শকমণ্ডলীকে স্বাগত জানাই। |
|
35 |
তার সলজ্জিত ভঙ্গি সবাইকে মুগ্ধ করেছে। |
১০৫ |
সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়। |
|
36 |
তার সচিত্রিত প্রতিবেদন আমাদের মুগ্ধ করেছে। |
১০৬ |
যাবতীয় প্রাণীবৃন্দ এই বসুন্ধরার বাসিন্দা। |
|
37 |
তার সকাতর আবেদনে আমার মন গলে গেল। |
১০৭ |
নূতন নূতন ছেলেগুলো বড় উৎপাত করিতেছে। |
|
38 |
তার সকরুণ আবেদনে আমার মন গলে গেল। |
১০৮ |
অন্যান্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে। |
|
39 |
তার আকুলিত আবেদন আমাকে মুগ্ধ করেছে। |
১০৯ |
তাহারা যেন সবাই ভুল করিবার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। |
|
40 |
খবরটি শুনে আমি উদ্বেলিত হয়েছি। |
১১০ |
তাহারা বাড়ি যাচ্ছে। |
|
41 |
আবশ্যকীয় বিষয়ে কার্পণ্য ভালো নয়। |
১১১ |
তাহার সৌজন্যে মুগ্ধ হয়েছি। |
|
42 |
mg„×kvjx evsjv‡`k Avgv‡`i GKvšÍ Kvg¨| |
১১২ |
তাসনীমের চিঠি দেখে তিনি অবাক হইলেন। |
|
43 |
mg„×gvb cwiev‡i Zvi Rb¥| |
১১৩ |
তারা শ্মশানে শব পোড়াচ্ছে। |
|
44 |
ev›`ieb cve©Zxq GjvKv| |
১১৪ |
তাকে কলেজে যাইতে হইবে। |
|
45 |
cywjk Acivax m¤ú‡K© wbtmwÜnvb| |
১১৫ |
মিরাজের বোলিং-এ বৈচিত্র আছে। |
|
46 |
cÖavb wkÿ‡Ki cwieviwU G GjvKvi m¤£všÍkvjx cwievi| |
১১৬ |
লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে দেশের মানুষ আজ সুন্দর স্বপ্ন দেখছে। |
|
47 |
bx‡ivMx †jvK cÖK…Z myLx| |
১১৭ |
ভালো-মন্দের স্বাতন্ত্রতা সে বুঝতে পারে না। |
|
48 |
Avgv‡`i †`k DbœZkxj †`k| |
১১৮ |
বিবাদমান দুই পক্ষই সন্ধি করতে রাজি হয়েছে। |
|
49 |
Avek¨Kxq e¨‡q Kvc©Y¨ AbywPZ| |
১১৯ |
বাহ্যিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হওয়া উচিত নয়। |
|
50 |
Avcbvi m‡½ †Mvcb civgk© Av‡Q| |
১২০ |
বই কেনার বিষয়ে আমার কোনো কার্পণ্যতা নেই। |
|
51 |
Abvek¨Kxq e¨vcv‡i †KŠZznj fv‡jv bq| |
১২১ |
পরীক্ষার হলে পরস্পর কথা বলা দোষণীয় বিষয়। |
|
52 |
†m †h ai‡Yi AvPiY K‡i‡Q Zv Kw_Ze¨ bq| |
১২২ |
তিনি আমাদের সবার কাছে মান্যনীয় ব্যক্তি। |
|
53 |
সদাসর্বদা তোমার উপস্থিত প্রার্থনীয়। |
১২৩ |
তার সুরের মাধুরিমা সবাইকে মুগ্ধ করেছে। |
|
54 |
দুর্বলবশত তিনি আসতে পারেননি। |
১২৪ |
তার গানের সুরে আমি মুহ্যমান হয়ে আছি। |
|
55 |
তিনি উদ্ধতপূর্ণ আচরণ করছেন। |
১২৫ |
তার আচরণে সৌজন্যতা প্রকাশ পেয়েছে। |
|
56 |
ইহার আবশ্যক নাই। |
১২৬ |
তাদের মধ্যে বেশ সখ্যতা গড়ে উঠেছে। |
|
57 |
সেই সাধক নারীর কথা কে না জানে। |
১২৭ |
চিন্তার দৈন্যতা জাতিকে গ্রাস করেছে। |
|
58 |
লটারি জিতেছেন এই ভাগ্যবান নারী। |
১২৮ |
এই সিদ্ধান্তে আমরা ঐক্যমত হতে পেরেছি। |
|
59 |
রাহেলা এই বাড়ির কর্তা। |
১২৯ |
অসহ্যনীয় যন্ত্রণায় সে কষ্ট পাচ্ছে। |
|
60 |
মন্ত্রী মহাশয় পাপিষ্ঠ চাকরানিকে শাস্তি দিলেন। |
১৩০ |
মাহিমামণ্ডিত এই জয় সমস্ত জাতিকে সম্মানিত করেছে। |
|
61 |
বর্তমানে বিদ্বান নারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। |
১৩১ |
মাতাজাতিকে সবার সম্মান করা উচিত। |
|
62 |
তাসনিমের মতো বুদ্ধিমান বালিকা এ অঞ্চলে নেই। |
১৩২ |
ভ্রাতাবৃন্দ আপনাদের আগমনে আমি আজ পুলকিত। |
|
63 |
কিশোর বালিকা কাতর অভিমানে ভেঙে পড়ল। |
১৩৩ |
নীরোগী মানুষ দেশের সম্পদ। |
|
64 |
এই মহান নারীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। |
১৩৪ |
নির্দোষী মানুষ যেন সাজা না পায়। |
|
65 |
আজ তার কনিষ্ঠ বোনের বাগদান অনুষ্ঠান |
১৩৫ |
নির্জ্ঞানী ব্যক্তি মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারে না। |
|
66 |
আজ করিম সাহেবের জ্যেষ্ঠ কন্যার বিয়ে। |
১৩৬ |
নির্গুণী মানুষ মানুষের সম্মান পায় না। |
|
67 |
হীন চরিত্রবান লোক পশুরও অধম। |
১৩৭ |
নিরপরাধী হয়েও করিম সাজা পেল। |
|
68 |
সশঙ্কিতচিত্তে সে কথাটা বলল। |
১৩৮ |
ধনী-নির্ধনী সবাই এই সুযোগ পাবে। |
|
69 |
সবিনয়পূর্বক নিবেদন জানাই। |
১৩৯ |
তার মতো নিরহঙ্কারী মানুষ এই সমাজে নেই। |
|
70 |
শুধুমাত্র গায়ের জোরে কাজ হয় না। |
১৪০ |
অহর্নিশি দেশের কথাই ভাবি। |
(খ) নিচের অনুচ্ছেদগুলো শুদ্ধ করে লেখ: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ৯৪-৯৭ নং পৃষ্ঠায়)
প্রশ্ন -১ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
আজিকাল বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্ররাই অমনোযোগি। বানান শুদ্ধতম করে লিখার ব্যাপারে তাহারাত সচেষ্টিত নহেই, বরং অবস্থা দৃষ্টিতে মনে হয়, তাহারা যেন ভূল করিবার প্রতিযোগীতায় অবতির্ন হইয়াছে। এ যথার্থ লজ্জাস্কর ব্যাপার। সুতরাং বিদ্যান হবার জন্য চেষ্টা কর।
প্রশ্ন -২ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
জাহিন ও মাহিন পড়াশুনায় ভীষণ ভালো। তাদের মধ্যে খুব সখ্যতা গড়ে উঠেছে। কলেজ থেকে দু’জনকে সমুচিত পুরষ্কার দেয়া হবে। রহিম দীর্ঘদিন শিরোপীড়ায় ভুগছে। করিম তার সেবা শশ্রূসা করছে।
প্রশ্ন -৩ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
তরু সুবুদ্ধিমান ছেলে। কিন্তু সংসারের দৈন্যতায় পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। উদয়াস্ত পর্যন্ত পরিশ্রম করে। তবু দারিদ্র্যতা দূর হয় না। আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন সে কখনও করতে পারেনি।
প্রশ্ন -৪ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
বৃষ্টি চলাকালীন সময়ে তপু ফিরে এল। সে খুবই সুবুদ্ধিমান। তার আপাদমস্তক পর্যন্ত ভেজা। পোশাক পাল্টানো আবশ্যকীয়। কিন্তু প্রথমেই সে আকণ্ঠ ভোজন করিল। তা দেখে তপুর মা বিষ্মিত হলো। তবে তপু নিঃসন্দিহান যে, তার অসুখ হবে না।
প্রশ্ন -৫ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
এমন লজ্জাস্কর ব্যাপার কখনো দেখি নাই। ছেলেটি বংশের মাথায় চুনকালি দিয়েছে। ওর বাবা-মায়ের আর বাঁচার স্বাদ নেই। তারা খুবই অপমান হয়েছেন। সবাই ওকে সচ্চরিত্রবান মনে করত।
প্রশ্ন -৬ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
অফিস চলাকালীন সময়ে রাহাত সাহেব বাসায় ফিরে এলেন। তিনি খুবই সুবিচক্ষণ ব্যক্তি। তাঁকে দেখে তাঁর স্ত্রী বিষ্ময়ে হতবাক হলেন। রাহাত সাহেব বসায় ফিরেই আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন করলেন । স্ত্রীর কোনো কথায় জবাব না দিয়ে পোশাক বদল করে আবারও বেরিয়ে গেলেন। তাঁর স্ত্রী নিঃসন্দিহান যে, তাঁর কোনো বিপদ ঘটেনি।
প্রশ্ন -৭ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
একটি লজ্জাস্কর ব্যাপর। সশঙ্কিত চিত্তে সে বলিল। আজকাল বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্ররাই অমনোযোগি। বানান শুদ্ধ করে লেখার জন্য তারা ত সচেষ্টিত নয়, বরং অবস্থা দেখে মনে হয় তাহারা যেন সবাই ভুল করার প্রতিযোগীতায় নেমেছে।
প্রশ্ন -৮ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
শুধুমাত্র তোমার কথায় আমি রাজি হয়েছি। সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অনেকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। আজ সভায় অনেক সিদ্ধান্ত হয়েছে। সদা সর্বদা তোমার উপস্থিতি প্রার্থনীয়।
প্রশ্ন -৯ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
ক্লাস চলাকালীন সময়ে কনক ফিরে আসল। সে সুবুদ্ধিমান নয়। তার এভাবে ভীত হওয়া আবশ্যকীয় নয়। ক্লাসের নতুন নতুন ছেলেগুলো উৎপাত করছে। এ কথা শুনে কনকের মা বিষ্মিত হয়েছেন। তবে কনক নিঃসন্দিহান যে, তারা তাকে কিছুই করতে পারবে না।
প্রশ্ন -১০ : নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
শহরের বাজারে তরিতরকারী ফলমূলের দাম উচ্চ চড়া। গাঁ থেকে টাকায় কিনে যদি বাজারে গিয়ে বেচে আসে তারা, কিছু রোজগার হবে। নিজের একা মাসির ভরসা হয় না সালতি বেয়ে অতদূরে যেতে, আসা যাওয়া একার দ্বারা হবে না তার। পিসি সম্মত হয়েছিল।
প্রশ্ন -১১: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
মিলিটারিরা এখন যাবতীয় সকল গাড়ি থামাচ্ছে। গাড়ির সব প্যাসেঞ্জারদের নামিয়ে দাঁড় করিয়ে দেয় রাস্তার ধারে। অন্য আরেক দল মিলিটারি স্টেনগান তাক করেরিয়ে রেখেছে এই মানুষদের সাড়ির ওপর। অন্য একটি দল ফের ওই সব লোকের জামাকাপড় ও শরীরের গোপন জয়গা তল্লাসি করে। মিলিটারি যাদের পছন্দ করছে তাদের ধরে ঠেলে দিচ্ছে পেছেনে দাঁড়ানো একটা লরির দিকে।
প্রশ্ন -১২: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
আফসানা বিদ্বান, দেখতেও সুন্দর। তার মতো বুদ্ধিমান তরুণী এই তল্লাটে নেই। কিন্তু তার কনিষ্ঠ বোন তার মতো সুবুদ্ধিমতি নয়। তাদের মা মারা যাওয়াতে তারা এখন চোখে হলুদ ফুল দেখছে।
প্রশ্ন -১৩: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
সত্য পথে থাকলে দারিদ্র আসবে। কিন্তু দারিদ্র কখনো ব্যক্তিত্বকে আঘাত করতে পারে না। ব্যক্তিত্ববান মানুষকে সকলে সম্মান করে। অপরদিকে তুমি যদি বিত্তবান হয়েও ব্যক্তিত্ববান হতে না পার তাহলে তোমাকে সবাই ঘৃণা প্রকাশ করবে।
প্রশ্ন -১৪: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
আমাদের ক্লাসের রতন সূর্যগ্রহনের কারন পরিস্কারভাবে বলতে না পারায় পুরষ্কারটা হারাইল। অথচ দ্বাদশ শ্রেণিত তেত্রিশ জন ছাত্র আছে, তার মধ্যে রতন সবচেয়ে ভালো। গতকালের এই অনুষ্ঠানে সকল শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিল। আজকের অনুষ্ঠানে আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
প্রশ্ন -১৫: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
জীবনে স্বার্থকতা লাভের জন্য পাঠে মনোযোগি হওয়া জরুরী। মনিষিদের জীবনি পাঠ করিলে, বিদ্যান ব্যক্তিদের সান্ন্যিধ্যে আসিলে জীবনে সফল হওয়ার পথ খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রশ্ন -১৬: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
উন্নতশীল বাংলাদেশের এক অসহায় কৃষক রমজান। দারিদ্রতা তার নিত্য সঙ্গী। অহোরাত্রি পরিশ্রম করেও অধীনস্থ সকল সদস্যবৃন্দের মুখে খাদ্য তুলে দিতে সে অক্ষম।
প্রশ্ন -১৭: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
আহাদ জরিনার ভাতুষ্পুত্র। তার বাহু দুটি আজানু পর্যন্ত লম্বিত। গতকাল সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয় সে। উন্নত চিকিৎসা ও সেবা শুশ্রুসার জন্য সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে হাসপাতালের এক ডাক্তার তাকে অনেক সুপরামর্শ দেন।
প্রশ্ন -১৮: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
বাল্মিকি রামায়ণই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। যে সকল লোকসমূহ এ গ্রন্থ পাঠ করিয়াছে তাহারা ছাড়াও অনেক অশিক্ষিত জনগণ এর কাহিনি জানেন বা শোনেছেন। বিদ্যাদেবী স্বরস্বতীর শুভাশীষে ইদানিংকালে অনেক ছাত্রছাত্রীরাই এ গ্রন্থের কাহিনি সম্পর্কে কিছুট ধারণা লাভ করে থাকে। ফলে শুধুমাত্র সাহিত্য-সংস্কৃতিতে নয়, পৌরনিক বিষয় জানার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা পারদর্শীতার পরিচয় দিচ্ছে।
প্রশ্ন -১৯: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
রাহেলা দেখতে খুব সুন্দরী, বুদ্ধিতেও প্রখর। সে আজ সংকট অবস্থা পার করছে। কেননা পরিবারে ঐক্যতা নেই। বিশেষ করে স্বামীর আচরণ লজ্জাস্কর হয়ে উঠল। লোকটা কুপুরুষের মতো কথা বলছে।
প্রশ্ন -২০: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
পূর্বদিকে গ্রামের বাহিরে জেলে পাড়া। চারদিকে ফাঁকা জায়গার শেষ নাই, কিন্তু জেলে পাড়ার বাড়িগুলো গায়ে গায়ে ঘেষিয়া জমাট বেধে আছে। প্রথম দেখলে মনে হয়, এই বুঝি তাহাদের অনাবশ্যিক সংকীর্ণতা, উন্মুক্ত উদার পৃথিবীতে দারিদ্র মানুষগুলো নিজেদের প্রবঞ্চনা করিতেছে। তাহার পর ভাবিয়া দেখলে ব্যাপারটা বুঝিতে পারা যায়, স্থানের অভাব এ জগতে নেই, তবু মস্তক গুঁজিবার ঠাই এদের ওইটুকুই।
প্রশ্ন -২১: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
দেশে বানান ভূলের মহড়া চলছে। দূরাবস্থা এমনই যে রাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়েও উদাসীন্য পরিলক্ষিত হয়। কেউ ইংরেজী বানানে দূর্বল হলে আমরা তাকে ইংরেজীতে দক্ষ মনে করি না অথচ বাংলা বানান না জানাটাই যেন স্বাভাবিক। ইংরেজী হোক, বাংলা হোক শুদ্ধ বানানে লেখতে পারা ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক।
প্রশ্ন -২২: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
কর্মমূখী শিক্ষার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই শিক্ষার প্রধান বৈশিষ্ট্য হইতেছে এটা গ্রহণ করিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো অত ব্যাপক সময়ের প্রয়োজনীয়তা হয় না। অর্থাৎ সীমীত সময়ের মধ্যে সীমীত অর্থ ব্যায়ে এই শিক্ষা অর্জন সম্ভব। এই শিক্ষা গ্রহণে বয়সের কোনো বাধাধরা নিয়ম নাই। এই শিক্ষা স্কুল কলেজের ছেলে হইতে শুরু করে প্রৌড় ব্যক্তি পর্যন্ত লইতে পারেন এবং এই শিক্ষা নারী পুরুষ যে কেউ লইতে পারেন।
প্রশ্ন-২৩: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
এখন হেমন্তকাল, মুষলধারে মেঘ হচ্ছে। আজ ক্লাসে যেতে হবে না তাই বাবুল আনন্দ চিত্তে কাথামুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে। বাবুলের মা চিতই পিঠা বানিয়ে তাহাকে খেতে ডাকলেন।
প্রশ্ন-২৪: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
আমাদের বঙ্গভূমি সুজলা সূফলা শষ্য শ্যামল তবু চাষার উদরে অন্ন নাই কেন? ইহার উত্তর শ্রদ্ধাশীল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দিয়েছেন ধান তার বসুন্ধারা যার। তাই তো অভাগা চাষাবৃন্দ কে? সে কেবল মাত্র ক্ষেতে ক্ষেতে পুইড়া মরবে হাল বহন করিবে আর পাট উৎপন্ন করিবে। তাহা হইলে চাষার ঘরে যে মোরাই ভরা ধান ছিল গোয়াল ভরা গরু ছিল উঠান ভরা মুরগি ছিল একথার অর্থ কি?
প্রশ্ন-২৫: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
বিদ্বাজনেরা সাধারণত সংস্কৃতিপ্রিয়। সৌহার্দতা আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ। কিন্তু দিন দিন তা ম্লান হওয়ায় আমরা সশঙ্কিত। তবুও নিরাশায় ডুবে থাকলে চলবে না । এক্ষেত্রে যে কোনো শুভ উদযোগকে জানাই সুস্বাগত।
প্রশ্ন-২৬: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
রাত জেগে ফেসবুক দেখে অনেক ছাত্ররা নিজেদের শরীরের ক্ষতি করছে। এতে তারা যেমন মানসিক দৌর্বল্যতায় ভুগছে তেমনি পড়াশুনায় হচ্ছে অমনোযোগী। তাছাড়া আবশ্যকীয় প্রস্তুতির অভাবে কাক্সিক্ষত ফলাফল অর্জন করতে না পেরে অনেকে চোখে সর্ষে পুষ্প দেখে।
প্রশ্ন-২৭: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
সেদিন স্যার রাগিয়া বললেন, তোমরা এস. এস. সি. পাস করিলে কিভাবে? মনিষি, সমিচীন, লবন, আকাংখা, শান্তনা বিদ্যান, সংস্কৃতিবান ইত্যাদি বানান পর্যন্ত ভুল করছ। এ জন্য তোমাদের অনুতপ্ত হওয়া উচিত।
প্রশ্ন-২৮: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
আজিকাল বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্ররাই অমনোযোগী। বানান শুদ্ধতম করে লেখার ব্যাপারে তাহারা তো সচেষ্টিত নয়ই, বরং অবস্থাদৃষ্টিতে মনে হয় তাহারা যেন সর্বদাই ভুল করার প্রতিযোগীতায় অবতির্ণ হয়েছে।
প্রশ্ন-২৯: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
ইদানীংকালে ইংরেজি ধাঁচে বাংলা বলার অপচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। বিশ্বে বাংলা ভাষাভাষীর সংখ্যা প্রায় পঁচিশ কোটি। শুধুমাত্র গায়ের জোরে কাজ হয় না। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি অমনোযোগী থাকে বলে বানান ভুল করে। সরকারি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে হবে।
প্রশ্ন -৩০: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে গিতাঞ্জলী কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কারে ভুশিত হন। তার পুরুস্কারপ্রাপ্তিতে ছিদ্রাম্বেশিরা যে খুব খুশি হয়েছিলেন তা বলা যায় না। রবীন্দ্রনাথকে কেউ কেউ ছোটো করার অপপ্রয়াস চালিয়েছিল।
প্রশ্ন-৩১: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
বিদ্যান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর। জীবনে স্বার্থকতা লাভ করতে হইলে পাঠে মনোযোগি হইতে হবে। দূরাবস্থা আকাক্সক্ষার অন্তরায়। দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়। এটি লজ্জাস্কর ব্যাপার।
প্রশ্ন-৩২: নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
ভূলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়। কোনো ভূল করিয়াছি বুঝতে পারলেই আমি প্রাণ খুলে তা শিকার করে নেব। কিন্তু না বুঝেও নয়, ভয়েও নয়। ভুল করছি বা না করেছি বুঝেও শুধু জেদের খাতিরে বা গো বজায় রাখবার জন্য ভুলটাকে ধরে থাকব না। তাহলে আমার আগুণ সেই দিনই নিভে যাবে।
বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ:
বিভিন্ন বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর সমাধান গ্রন্থের ৯৮-১১২ নং পৃষ্ঠায়
খ বিভাগ (নির্মিতি অংশ)
২০২৪ সালের জন্য নতুন বিন্যাসকৃত সিলেবাস এবং প্রশ্নের ধারা ও
মানবণ্টন
|
নির্মিতি : ৭০ নম্বর |
নম্বর বিভাজন |
|
পারিভাষিক শব্দ এবং অনুবাদ |
১০ |
|
দিনলিপি লিখন এবং প্রতিবেদন রচনা |
১০ |
|
বৈদ্যুতিন চিঠি এবং আবেদন পত্র |
১০ |
|
সারাংশ ও সারমর্ম এবং ভাবসম্প্রসারণ |
১০ |
|
সংলাপ এবং খুদে গল্প রচনা |
১০ |
|
প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখন, বিষয়সমূহ: নৈতিকতা ও মূল্যবোধ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জাতীয় চেতনা শিল্প ও অর্থনীতি, সাম্প্রতিক বিষয়। |
২০ |
|
মোট= |
৭০ |
বিস্তারিত সাজেশন:
৭। পারিভাষিক শব্দ ও অনুবাদ: (পারিভাষিক শব্দ অথবা অনুবাদ থেকে উত্তর করতে হবে, নম্বর - ১০)
(ক) নিচের শব্দগুলোর পরিভাষা লেখ: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১১৩-১১৬ নং পৃষ্ঠায়)
Abbreviation, Abolition, Academic, Academic year, Account, Acknowledgement, Acting, Acting editor, Ad hoc, Adaptation, Address of welcome, Adjust, Administration, Adult education, Administrative, Admit card, Admission, Adviser, Affidavit, Agenda, Agent, Agreement, Aid, Air conditioned, Air-mail, Allegation, Allotment, Anatomy, Analysis, Anticorruption, Appendix, Architecture, Article, Assembly, Attestation, Audio, Auditor, Author, Autograph,Bacteria, Badge, Bail, Ballot, Ballot paper, Banker, Bankrupt, Banquet, Basic, Basic pay, Bearer, Bio-data, Bidder,Biography, Black-out, Blueprint, Bond, Book post, Booklet, Boy Scout, Boycott, Bibliography, break of study,Brand, Broadcast, Broker, Bulletin, Bureau, Bureaucracy, By-election, By-law, Background, Bench,Cabinet, Calendar, Campus, Capital, Capitalist, Caption, Carbon di-oxide, Care-taker, Cargo, Cartoon, Catalogue, Ceiling, Current Account, Census, Chancellor, Cheque, chief, Chief Whip, Circle, civil war, Client, Coordinator,Code, cold storage, Council, Conduct, Conference, Constitution, Copy, Copy right, Cordon, Correspondent,Corruption, Counsel, Credit, Crown,Democracy, Defense, Deed of gift, Deed, Debit, Debate, Death certificate, Death penalty, Dead lock, Data, ividend, Demonstrator, Diplomacy, Dialect, Diagnosis, Design, Deputy Secretary, Deputation, Deputy, Deposit, Discount, Debenture, Discharge,Diplomat, Dynamic, Duel, Dowry, Donor, Documentary, Donation,Enquiry, Encyclopedia, Embargo, Editorial, Editor, Edition, Executive, Excuse, Exchange, Ethics, Equation,Equality, Eye-Witness, Eye-wash, xternal, Export, Expert, Exit,Flat rate, Fine arts, File, Fiction, Face Value, Free-market, Format, Forecast, Follow-up, Farce, Famine, Faculty, Fact, Feudal, Fundamental,Gunny, Global, Gist, Get-up, Geology, Gazette, Galaxy, Garrison, Godown, Grade, Governing body, Goods, Goods, Good will, Glossary, Grant, Guard, Green room, Green house, Gratuity, Graph,Highway, Heroin, Hearing, Headline, Hand bill, Hostage, Hood, Honorary, Honorarium, Home Ministry, Harbour,Hostile, Hypocrisy, Hygiene, Humanity,Index, Impeachment, Immigrant, Idiom, Interview, Internal, Interpreter, Initial, Inflation, Irrigation, Invoice,Investigation,Justice, Judge, key-word,Leap-year, Lease, Legal, Legend, Lien, light year, Limited, Lender, Literal, literate, literature, Lion,Myth, Museum, Misconduct, Ministry, Mineral, Market Value, Mayor, Mass Education, Marketing, Manuscript,Manifesto, Measure, Migration, Method, Mercury, Memorandum, Medical College, Millennium,National Assembly, Nationality, Nationalization, Neutral, Note, Nomination, Notice board, Nursery, Nominee,Oath, Obedient, Obligatory, Occupation, Octave, Office bearer, Option, Optional, Organ,Pay order, payee, Penal Code, Phonetics, Plosive, Pollution, Postmark, Prepaid, Prescription, President, Prime,Principal, Public, Public fund, Public opinion, Public relations, Public works, Publication, Para, Paradox, Parliament,Parole, Passport, Pass-word, Pay, Pay-slip, Paybill,Quack, Quarantine, Quarterly, Query, Queue, Quorum, Quota, Quote, Quetionnarie, Record room, Referendum, Reform, Refugee, Regiment, Registration, Renew, Republic, Revenue, Routine,Racism, Rank, Ratio, Reality, Recommend,Sabotage, Salary, Sanction, Saving certificate, Scale, Secondary, Service, Session, Sestet, Settlement, Signal, Sir,Skull, Specialist, Spokesman, Sponsor, Stock market, Study, Subsidy, Surplus, Satellite,Tribunal, Telecast, Transparency, Treaty, Termination, Terminology, Tax, Telecommunication, Token, Tradition, Theory, Thesis,Urban, Urbanization, Universal, Unclaimed, Undertaking, Union, Unskilled, Up-to-date, Ultimatum,Vice-versa, Virus, Vision, Vocabulary, Vocation, Vacation, Valid, Validity, Valuation, Violation, Vehicle, Venue,Viva-voce, Vice Chancellor, Vice-Chairman,Witness, Worship, Warship, Walk, Walk-out, War crime, War-criminal, White paper, Will,Year Book, Zigzag, Yard, Zone, Yard, Zone. (413)
পারিভাষিক শব্দ: বিভিন্ন বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর সমাধান গ্রন্থের ১১৭-১২২ নং পৃষ্ঠায়
অথবা, (খ) নিচের অনুচ্ছেদগুলো বাংলায় অনুবাদ কর: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১১২৩-১২৬ নং পৃষ্ঠায়)
1. Liberty does not descend upon a people; a people must raise themselves to it. It is a fruit that must be earned before it can be enjoyed. That freedom means freedom only from foreign rule is an outworn idea. It is not merely government that should be free, but people themselves should be free. And no freedom has any real value for the common man or woman unless it also means freedom from want, disease and ignorance.
2. We live in an age of science. We can see the influence of science in all fields. Science is a constant companion in our daily life. We have made the impossible possible with the help of science. Present civilization is the glorious achievement of science. Poverty and disease have to be conquered with the help of science. Science has to be employed in the greater welfare of mankind.
3. We live in society. So we must learn to live in peace and amity with others. We have to respect other’s live and property. We have a lot of duties and responsibilities to the society.
4. This is our homeland. Her name is Bangladesh. How beautiful our Bangladesh is! The sky assumes a golden colour in morning and evening. The silvery moon appears at night. Golden crops covered fields and her villages are green.
5. We are the citizens of an independent country. Independence is the birth-right of man. But no nation can achieve independence without efforts. Again, the people of a country must be determined to preserve that independent. It is the sacred duty of every citizen to preserve the independence of this motherland.
6. Poverty is a great problem in our country. But we hardly realize that this miserable condition is our creation. Many do not try to better their condition by hard labour and profitable business. They only curse their fate.
7. Punctuality is to be cultivated and formed into a habit. This quality is to be acquired through all our works from our boyhood Boy hood is the seed-time. The habit formed at this time will continue all through our life. Everything at the right time should be our motto.
8. Man cannot live alone. So he likes to keep company. He cannot do without the help of others even for a day. For this reason men have been living together for many days. This is called social life. None can act according to his sweet will in society.
9. Man is the architect of his own fortune. If he makes a proper division of his time and does his duties accordingly, he is sure to improve and prosper in life, but is he does otherwise, he is sure to repent when it is too late and he will have to drag a miserable existence from day to day.
10. Our total environment influences our life and our way of living. The main elements of our human environment are men, animals, plants, soil, air and water. There are relationships between these elements. When these relationships are disturbed, life becomes difficult or impossible.
11. The proverb says that Allah helps those who help themselves. A man who relies on his own ability and does his work by himself is helped by Allah. Such a man is always crowned with success. The great virtue creates in him the confidence which is essential for success in life. It is a self-confident man who only reaps the fruit of his labour in full.
12. People addicted to smoking often suffer from various diseases including cancer. Cancer is a fatal disease which takes a heavy toll of human lives every year all over the world. Medical science is yet to find out a cure for it. Besides, smoking irritates the eyes and offends the nose, So all of us, young or old, should give up this dangerous habit.
13. Poverty is a great problem in our country. But we hardly realize that this miserable condition is our creation. Many do not try to better their condition by hard labour and profitable business. They only curse their fate. We must shake off this inactivity and aversion to physical labour. Man is the maker of his own fortune.
14. We live in society. So we must learn to live in peace and amity with others. We have to respect others life and property. We have a lot of duties and responsibilities to the society. Education should aim at making each individual fully aware of these duties and responsibilities. It is true that one has to learn how to earn one’s bread. But man does not live for bread alone.
15. A newspaper is the store house of knowledge. We can know the conditions, manner and customs of other countries of the world from a newspaper. It is, in fact, the summary of all current history. It supplies information’s to all classes of people. The businessman can find the condition of the world market about his goods. The sportsman can see the results of important games in different parts of the world.
16. Truthfulness is the greatest of all the virtues which make a man really great; if we do not cultivate the habit of speaking the truth, we will never win the respect of others. A lie never lies hidden for long. Today or tomorrow it comes to light. Then the real character of the liar is revealed and nobody trusts him.
17. Japan is called the Children’s Paradise. Japanese parents are very good to their children and train them to be polite and kind to teach other. Indeed, they are among the most polite children in the world. While making fun and games, they rarely quarrel or while making fun and games, they rarely quarrel or while making fun and games, they rarely quarrel or fight. In a country where the houses are chiefly made of wood, where lamps and letters are so much used as in Japan, terrible fires often take place.
18. A patriot is a man who loves his country. Works for it, and is willing to fight and die for it. Every soldier is bound to do his duty, but the best soldiers do more than this. They risk their lives because they love the country. They are the best friends of the people.
19. A garden is not a source of beauty only, it is also a source of income to men. Men of their great love of flowers decorate their homes with them on different occasions. Men love flower for they are the symbol of beauty and purity A village home without a garden looks bare and poor.
20. A language never stands still. It is always changing and developing. Their changes are rapid in primitive societies; but slow in advanced ones because the invention of printing and the spread of education have fixed a traditional usage. The only important change that English has undergone since the sixteenth century is a very large increase in its vocabulary.
21. A good teacher is one of the most important people in any country. Bangladesh needs good teachers. A good teacher makes lessons interesting. He discovers the treasure hidden inside each student.
22. Bengali language has a glorious tradition. In this country, Students and people laid down their lives to keep the honour of our language. Those martyrs are the pride of our nation and history.
23. Bangladesh is a democratic country. In a democratic country any boy or girl can become the most important person. He does not need money. He does not need powerful friends. He needs the three things-ability, integrity and hard work. Bangladesh also needs people with three things.
24. Bangladesh is not a very big country. But it is one of the most densely populated countries in the world. About one hundred and forty millions people live in this small country. Its population is still on the increase. If the present rate of increase continues uncontrolled her population will be doubled within next twenty years.
25. Early rising is beneficial to health. The boy who rises early can enjoy the excellent air of the morning. He can take a walk by the river side or in the open field. He can enjoy the sweet songs of the birds and see the beautiful sight of the sunrise. All these make him healthy and cheerful.
26. Gardening is my hobby. I grow only flowers in my garden. Many people produce vegetables in the garden. I do not like this when flowers bloom on the plants, my heart is filled up with Joy.
27. English is an international language. There is hardly any country in the world where English is not taught. If one once finds interest in it, one cannot but learn it. We should learn English with a view to enriching Bengali. Don’t you like speaking English?
28. Honesty is the best policy. An honest man is respected by all. Every body trusts him. No one can prosper in life if he is not honest. An honest shop-keeper is liked very much by his customers. All go to his shop and buy things from him. They begin to trust him. His credit grows and his business flourishes.
29. Education is the backbone of a nation. No progress can be made possible without education. Ignorance is similar to darkness. So the light of education is necessary for society. Everybody will have to appreciate this truth. Students both boys and girls must be conscious of their responsibility. Otherwise the nation will not be able to see the light of hope.
30. Health is wealth. A good health is a guarantee for happiness. A healthy poor man is happier than a sick moneyed man. A healthy man is an asset both to his family and to the nation. A sick man, on the other hand, is not only a liability to his family but also to the society.
31. He who loves his country is a patriot. The patriots loves their native land more dearly then their own life. They are ready to lay down their lives for the welfare of their country. Everybody honours them. They live even after death.
32. It was the 16th December, 1971. On that day the Pakistani soldiers surrendered their arms. It will go down in history as a memorable day. Seventy-five million people of Bangladesh achieved freedom after nine months struggle. The man who deserves the greatest credit for this is Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman.
33. It is known to all that present age is an age of science. The more a nation is skilled in science and technology the more it is developed. Though our Bangladesh is small in area it is prosperous in manpower. If we try we can also acquire competence in science and technology. We canbuild up our Sonar Bangla of our dreams.
34. Illiteracy is a great problem of our country. No development efforts can succeed unless illiteracy is eradicated. eradication of illiteracy in a country like Bangladesh with so vast population is undoubtedly a gigantic task. No individual community, organization not even the government is capable of solving this huge problem in a single handed, It is the social responsibility of all the literate people to make some concerted efforts to remove illiteracy from the country.
৮। দিনলিপি ও প্রতিবেদন :
(এই দুইটি বিষয় থেকে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। দিনলিপি লিখন থেকে ১টি ও প্রতিবেদন থেকে একটি প্রশ্ন থাকবে। একটি প্রশ্নের উত্তর দিতেদ হবে।)
Ë দিনলিপি লিখন: (উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১২৭-১৩১ নং পৃষ্ঠায়)
(ক) তোমার জীবনে কোনো স্মরণীয় ঘটনা ঘটেছে, তার উল্লেখপূর্বক একটি দিনলিপি লেখ।
(খ) তুমি কলেজ থেকে শিক্ষা সফরে গিয়েছো, তার বর্ণনা দিয়ে একটি দিনলিপি লেখ।
(গ) তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত কর। (সকলবোর্ড-১৮)
(ঘ) তোমার এসএসসি বা মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনের একটি দিনলিপি লেখ। (কুবো-১৯)
(ঙ) তোমার কলেজ জীবনের বিশিষ্ট কোনো দিনের উল্লেখপূর্বক দিনলিপি লেখ।
(চ) বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন বিষয়ে একটি দিনলিপি লেখ। (দিবো, যবো-২৩, সিবো-২০১৬, ববো-১৭)
(ছ) তোমার কোনো এক জন্মদিন উদযাপনের বর্ণনা দিয়ে একটি দিনলিপি লেখ।
(জ) তোমার কলেজে ‘বসন্তবরণ’ পালিত হয়েছে। এই দিনের বর্ণনা দিয়ে একটি দিনলিপি লেখ। (ঢাবো-২৩)
অথবা, তোমার কলেজে ‘বসন্তবরণ’ উৎসব-এর একটি দিনলিপি লেখ। (ববো-২৩)
(ঝ) কোনো একটি ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের দিনলিপি লেখ। (মবো-২৩)
(ঞ) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তোমার অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি লেখ। (কুবো-২৩)
অথবা, তোমার কলেজে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের একটি দিনলিপি লেখ। (সিবো-২৩)
(জ) একজন সাধারণ ছাত্রের দিনলিপি লেখ।
(ঝ) বই মেলার বিবরণ দিয়ে একটি দিনলিপি লেখ।
অথবা, একটি বইমেলা তোমার জীবনে স্মরণীয় হয়ে আছে। এর উল্লেখ করে একটি দিনলিপি লেখ।
A_ev
³ প্রতিবেদন : ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১৩২-১৩৬ নং পৃষ্ঠায়)
(ক) তোমার কলেজের গ্রন্থাগার সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন লেখ (দিবো ২০১২, কুবো ২০১২, সিবো ২০১৫, চবো-২০১৬, ঢাবো-১৯)
(খ) তোমার এলাকার গ্রন্থাগারের অবস্থা সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা কর। (ঢাবো-২৩)
(গ) ‘খাদ্যে ভেজাল ও প্রতিকার’ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর। (যবো ২০১৩, দিবো ২০১৫, সিবো-২০১৬, যবো-১৯)
অথবা, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যে সাম্প্রতিক ভেজাল মিশ্রণ প্রবণতা বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা কর। (যবো-১৯, সিবো-১৭)
অথবা, ‘খাদ্যে ভেজাল ও প্রতিকার’ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর। (ঢাবো-১৪, যবো-১৩, সিবো-১৬, দিবো-১৫)
অথবা, ‘বাজারে খাদ্যে ভেজাল ও বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা কর। (কুবো-১৫)
(ঘ) সড়ক দুর্ঘটনা ও তার প্রতিকার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর। (মবো, ববো-২৩)
(ঙ) তোমার কলেজে একুশে ফেব্রুয়ারি উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান মালার বিবরণ দিয়ে একটি প্রতিবেদন লিখ।
(চ) মহান স্বাধীনতা উদযাপন উপলক্ষে কলেজে উদযাপিত অনুষ্ঠানমালার উপর একটি প্রতিবেদন রচনা কর। (ববো ২০১৩, রাবো ২০১৬)
(ছ) বর্তমানে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
অথবা, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি সম্পর্কে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন লিখ। (রাবো, কুবো-২৩)
অথবা, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণ ও এর প্রতিকার সম্বন্ধে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা কর। (সিবো-২৩)
অথবা, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি’ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর। (দিবো-২৩)
(জ) ‘যানজট একটি ভয়াবহ সমস্যা’ এই শিরোনামে একটি প্রতিবেদন রচনা কর। (সিবো ২০১২)
অথবা, তোমার শহরে যানজট সমস্যার উপরে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
(ঝ) বন্যাদুর্গত এলাকার বিপর্যস্ত জনজীবনের বিবরণ দিয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
অথবা, সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় তোমার এলাকায় যে বিরাট ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তা জানিয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
অথবা, ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত একটি এলাকার বিপর্যস্ত জনজীবন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন লেখ। (দিবো ২০১৩)
(ঞ) তোমার এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদ লিখ।
(ট) ‘বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।
(ঠ) কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া অনুস্ঠান সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন লিখ।
(ড) তোমার কলেজ এ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার বিবরণ দিয়ে একটি প্রতিবেদন লিখ।
(ঢ) তোমার কলেজে অনুষ্ঠিত সাহিত্য-সাংস্কৃতি প্রতিযোগিতার উপর একটি প্রতিবেদন লিখ।
(ণ) ‘পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য চাই বৃক্ষরোপণ’ এই শিরোনামে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
৯। পত্রলিখন: আবেদনপত্র ও বৈদ্যুতিন চিঠি:
(বৈদ্যুতিন চিঠি [ই-মেইল] অথবা আবেদনপত্র থেকে ১টি করে ২টি প্রশ্ন থাকবে। এখান থেকে মোট ১টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।)
² আবেদনপত্র ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১৩৭-১৪৫ নং পৃষ্ঠায়)
(ক) একটি বে-সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রাপ্তির জন্য আবেদন পত্র রচনা কর। (ববো-১৪, ববো-২৩)
অথবা, কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকপদে নিয়োগ প্রাপ্তির জন্য আবেদনপত্র রচনা কর। (রাবো-০৭, কুবো-১৭, চবো-৫, সিবো-১৭, ০৬, ববো-১৭)
অথবা, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক পদে নিযুক্তি লাভের জন্য দরখাস্ত লেখ। (ঢাবো-০৭, রাবো-১৪, ০২, কুবো-০৫, ববো-১৫)
অথবা, কোনো বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে নিয়োগের জন্য একটি আবেদন রচনা কর।
অথবা, কোনো মাধ্যমিক স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য একজন প্রার্থী হিসেবে আবেদন জানিয়ে একটি দরখাস্ত লেখ। (যবো-০৮, দিবো-১৯, ০৯, সিবো-১৯)
অথবা, কোনো (সরকারি/বেসরকারি) মাধ্যমিক অথবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদনপত্র রচনা কর।
(চবো ২০১৩, সিবো ২০১৬, রাবো-২০১৬, সিবো-১৭, ববো-১৭, কুবো-১৭, সিবো-১৯, দিবো-১৯ দিবো-২৩)
(খ) একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী/স্টোরকিপার পদে নিয়োগ প্রাপ্তির জন্য আবেদনপত্র রচনা কর। (দিবো ২০১৩, সিবো-২৩)
(গ) কোনো কলেজে প্রভাষক পদে নিয়োগ প্রাপ্তির জন্য আবেদন পত্র রচনা কর। (সিবো ২০১৩)
(ঘ) তোমার এলাকায় বিশুদ্ধ পানির অভাব/যানজট নিরসন/রাস্তা সংস্কার/বন্যার্তদের সাহায্য/ মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং/সন্ত্রাসী কার্যক্রম/আইন শৃঙ্খলার অবনতি সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের জন্য সংবাদপত্রের সম্পাদকের নিকট একটি পত্র রচনা কর। (কুবো ২০১৩, /ববো ২০১৩, ঢাবো-১৭, যবো-১৭, ববো-১৯, চবো-১৯)
(ঙ) শিক্ষা সফরে যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করে অধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদনপত্র রচনা কর। (রাবো-২৩, যবো-২৩)
(চ) বিনা বেতনে অধ্যয়নের জন্য অধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদন পত্র রচনা কর।
(ছ) রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে একটি আমন্ত্রণপত্র রচনা কর। (কুবো- ০৩,০৬, ১৯, ঢাবো-০১, রাবো-৩, ১৩)
(জ) নজরুল জয়ন্তী/ সাংস্কৃতিক সপ্তাহ/একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন উপলক্ষে একটি আমন্ত্রণপত্র রচনা কর। (রাবো ২০১৩, চবো-১৭, কুবো-১৯, যবো-১৯)
¶ বৈদ্যুতিন চিঠি : ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১৪৬-১৫১ নং পৃষ্ঠায়)
(ক) ইন্টানেট ব্যবহারের সুফল ও কুফল জানিয়ে ছোট ভাইকে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি লেখ। (রাবো-২০১৬, ববো-১৭, যবো-১৯, ববো-২৩)
(খ) বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বন্ধুকে একটি ই-মেইল প্রেরণ কর। (চবো-২০১৬, রাবো-১৭, মবো, কুবো, সিবো-২৩)
(গ) পিতার মৃত্যুতে শোকগ্রস্ত বন্ধুকে সান্ত্বনা দিয়ে একটি বৈদ্যুতিন (ই-মেইল) চিঠি লেখ। (রাবো-২৩)
(ঘ) বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনের বৈচিত্র্য তুলে ধরে প্রবাসী বন্ধুকে পাঠানোর জন্য একটি ই-মেইল প্রস্তুত কর। (কুবো-২০১৬)
(ঙ) স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে তোমার বন্ধুকে একটি ই-মেইল প্রেরণ কর। (ঢাবো-২০১৭)
(চ) এইচ এস সি পরীক্ষায় চমৎকার ফলাফলের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে বন্ধুকে একটি বৈদ্যুতিন (ই-মেইল) চিঠি লেখ।
(ছ) ছোট ভাইকে নিয়মিত পড়াশোনা করার পরামর্শ দিয়ে একটি বৈদ্যুতিন (ই-মেইল) চিঠি লেখ। (যবো-২৩)
(জ) সদ্য পড়া কোনো বই সম্পর্কে মতামত জানিয়ে বন্ধুকে বৈদ্যুতিন (ই-মেইল) চিঠি লেখ।
(ঝ) জরুরি রক্তের প্রয়োজনের কথা জানিয়ে বন্ধুকে একটি ই-মেইল পাঠাও। (সিবো-২০১৬)
(ঞ) তোমার দেখা বাংলাদেশের কোনো একটি গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনা দিয়ে প্রবাসী বন্ধুকে একটি ই-মেইল পাঠাও। (কুবো-১৯)
(ট) মোবাইল ফোনের অপব্যবহারের ক্ষতিগুলো উল্লেখ করে বন্ধুদের প্রেরণের জন্য একটি ই- মেইল রচনা কর। (ববো-১৯)
(ঠ) তোমাদের কলেজে অনুষ্ঠিতব্য সাহিত্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়ে একজন দেশবরেণ্য ব্যক্তিত্ব/একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা বরাবর একটি ই-মেইল রচনা কর। (ঢাবো-২০১৬)
(ড) শিক্ষাসফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে বন্ধুকে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি লেখ। (ঢাবো-২৩)
(ঢ) তোমার বোনের বিয়েতে আমন্ত্রণ জানিয়ে বন্ধুকে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি লেখ। (দিবো-২৩
[ বি. দ্র. মনে রাখবে, আবেদনপত্র বা নিমন্ত্রণপত্র’ পড়ার বা মুখস্থ করার কিছু নেই, এগুলো লিখে লিখে অনুশীলন করতে হয়।]
10| mvivsk, সারমর্ম, সারসংক্ষেপ ও ভাবসম্প্রসারণ: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১৫২-১৫৫ নং পৃষ্ঠায়)
(২০২৩ সালের পরীক্ষায় সারাংশ, সারমর্ম ও সারসংক্ষেপ থেকে ১টি এবং ভাবসম্প্রসারণ থেকে ১টি করে মোট ২টি প্রশ্ন থাকবে; ১টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।)
mvigg©
১
এই সব মূঢ় স্লান মূক মুখে
দিতে হবে ভাষা; এই-সব শ্রান্ত শুঙ্ক ভগ্ন বুকে
ধ্বনিয়া তুলিতে হবে আশা; ডাকিয়া বলিতে হবে-
‘মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে;
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা-চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।
যখনি দাঁড়াবে তুমি সামনে তাহা তখনি সে
পথকুক্কুরের মতো সংকোচে সন্ত্রাসে যাবে মিশে।
দেবতা বিমুখ তারে, কেহ নাহি সহায় তাহার;
মুখে করে আস্ফালন, জানে যে হীনতার আপনার
মনে মনে
২
আমি যে দেখেছি গোপন হিংসা কপটরাত্রি-ছায়ে
হেনেছে নিঃসহায়ে।
আমার যে দেখেছি-প্রতিকারহীন, শক্তের অপরাধে
বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে।
আমি যে দেখিনু তরুণ বালক উন্মাদ হয়ে ছুটে
কী যন্ত্রণায় মরেছে পাথরে নিষ্ফল মাথা কুটে
কণ্ঠ আমার রুদ্ধ আজিকে, বাঁশি সংগীতহারা,
অমাবস্যার কারা
লুপ্ত করেছে আমার ভুবন দুঃস্পনের তলে।
তাই তো তোমায় শুধাই অশ্রুজলে-
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?
৩
শৈশবে সদুপদেশ যাহার না রোচে,
জীবনে তাহার কভু মূর্খতা না ঘোচে।
চৈত্র মাসে চাষ দিয়া না বোনে বৈশাখে,
কবে সেই হৈমন্তিক ধান্য পেয়ে থাকে?
সময় ছাড়িয়া দিয়া করে পণ্ডশ্রম,
ফল কহে সেও অতি নির্বোধ অধম।
খেয়াতরী চলে গেলে বসে থাকে তীরে,
কিসে পার হবে তারা না আসিলে ফিরে
৪
জোটে যদি মোটে একটি পয়সা
খাদ্য কিনিও ক্ষুধার লাগি।
দুটি যদি জোটে তবে অর্ধেকে
ফুল কিনে নিও,হে অনুরাগী।
বাজারে বিকায় ফল ও তন্দুল;
সে শুধু মিটায় দেহের ক্ষুধা
হৃদয় প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল
দুনিয়ার মাঝে সে-ই তো সুধা! (মবো-২৩)
৫
অদ্ভুদ আঁধার এক এসছে এ পৃথিবীতে আজ,
যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা;
যাদের হৃদয়ে কোন প্রেম নেই-প্রাতী নেই-করুণার
আলোড়ন নেই অচল তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
যাদের গভীর আস্থা আছে মানুষের প্রতি
এখানো যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়
মহৎ সত্য ও রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা
শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয়।
৬
আমার একার সুখ, সুখ নহে ভাই
আমার সুখ সখা, সুখ শুধু তাই।
আমার একার আলো সে যে অন্ধকার,
যদি না সবারে অংশ দিতে আমি পাই।
সকলের সাথে বন্ধু, সকলের সাথে,
যাইব কাহারে বলো, ফেলিয়া পশ্চাতে।
একসাথে বাঁচি আর একসাথে মরি,
এসো বন্ধু, এ জীবন সুমধুর করি।
৭
আসিতেছে শুভ দিন-
দিনে দিনে বহু বাড়িতেছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ ৷
হাতুড়ি, শাবল, গাঁইতি চালায়ে ভাঙিল যারা পাহাড়,
পাহাড়-কাটা সে পথের দুপাশে পড়িয়া যাদের হাড়,
তোমাদের সেবিতে হইল যাহারা মজুর, মুটে ও কুলি,
তোমারে বহিতে যারা পবিত্র অঙ্গে লাগাল ধূলি
তারাই মানুষ, তারাই দেবতা, গাহি তাহাদের গান
তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান ।
৮
সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে,
সার্থক জনম মাগো তোমায় ভালবেসে।
জানি না তোর ধন-রতন আছে কিনা রাণীর মতন
শুধু জানি আমার অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে।
কোন্ বনেতে জানিনে ফুল গন্ধে এমন করে আকুল,
কোন্ গগনে উঠেরে চাঁদ এমন হাসি হেসে।
আঁখি মেলে তোমার আলো প্রথম আমার চোখ জুড়ালো,
ওই আলোতেই নয়ন রেখে মুদব নয়ন শেষে ।
৯
পুণ্যে পাপে দুঃখে সুখে পতনে-উত্থানে
মানুষ হইতে দাও তোমার সন্তানে
হে স্নেহার্ত বঙ্গভূমি— তব গৃহক্রোড়ে
চিরশিশু ক'রে আর রাখিয়ো না ধরে।
দেশ-দেশান্তর মাঝে যার যেথা স্থান
খুঁজিয়া লইতে দাও করিয়া সন্ধান ।
পদে পদে ছোটো ছোটো নিষেধের ডোরে
বেঁধে রাখিয়ো না ভালো ছেলে করে।
প্রাণ দিয়ে, দুঃখ স'য়ে, আপনার হাতে
সংগ্রাম করিতে দাও ভালো-মন্দ-সাথে।
১০
নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো,
যুগ জনমের বন্ধু আমার আঁধার ঘরের আলো ।
সবাই মোরে ছাড়তে পারে বন্ধু যারা আছে,
নিন্দুক সে ছায়ার মতো থাকবে পাছে পাছে ।
বিশ্বজনে নিঃস্ব করে পবিত্রতা আনে,
সাধকজনে নিস্তারিতে তার মতো কে জানে?
বিনামূল্যে ময়লা ধুয়ে করে পরিষ্কার,
বিশ্ব মাঝে এমন দয়াল মিলবে কোথা আর?
নিন্দুক, সে বেঁচে থাকুক বিশ্বহিতের তরে,
আমার আশা পূর্ণ হবে তাহার কৃপা ভরে ।
১১
'ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই
সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই ৷
আমিত্বকে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ করো যদি
পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি।
নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,
তবেই পাইরে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি।'
১২
দৈন্য যদি আসে আসুক, লজ্জা কিবা তাহে?
মাথা উঁচু রাখিস ।
সুখের সাথী মুখের পানে যদি না চাহে
ধৈর্য ধরে থাকিস ।
রুদ্ররূপে তীব্র দুঃখ যদি আসে নেমে,
বুক ফুলিয়ে দাঁড়াস্ ।
আকাশ যদি বজ্র নিয়ে মাথায় পড়ে ভেঙে
ঊর্ধ্বে দু'হাত বাড়াস ।
১৩
ছোটো ছোটো বালু কণা, বিন্দু বিন্দু জল,
গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল ।
মুহূর্তে নিমেষ কাল, তুচ্ছ পরিমাণ,
গড়ে যুগ যুগান্তর-অনন্ত মহান ।
প্রত্যেক সামান্য ত্রুটি, ক্ষুদ্র অপরাধ,
ক্রমে টানে পাপপথে, ঘটায় প্রমাদ !
প্রীতি-করুণার দান, স্নেহপূর্ণ বাণী,
এ ধারায় স্বর্গসুখ নিত্য দেয় আনি ।
১৪
জলহারা মেঘখানি বরষার শেষে
পড়ে আছে গগনের এক কোণ ঘেষে।
বর্ষাপূর্ণ সরোবর তারি দশা দেখে
সারাদিন ঝিকিমিকি হাসে থেকে থেকে।
কহে, ওহে লক্ষ্মীছাড়া, চালচুলা হীন, .
নিজেরে নিঃশেষ করি, কোথায় বিলীন।
আমি দেখো চিরকাল থাকি জলভরা ।
সরোবর, সুগভীর নাই নড়াচড়া ৷
মেঘ কহে, ওহে বাপু, করো না গরব
তোমার পূর্ণতা সে যে আমারই গৌরব।
১৫
কোথায় স্বৰ্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?
মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।
রিপুর তাড়নে যখনই মোদের বিবেক পায় গো লয়,
আত্মগ্লানির নরক অনলে তখনই পুড়িতে হয় ।
প্রীতি ও প্রেমের পুণ্য বাঁধনে যবে মিলি পরস্পরে,
স্বর্গ আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরই কুঁড়েঘরে।
১৬
একদা ছিল না জুতা চরণ যুগলে,
দহিল হৃদয় মন সেই ক্ষোভানলে ।
ধীরে ধীরে চুপি চুপি দুঃখাকুল মনে,
গেলাম ভজনালয়ে ভজন কারণে।
সেথা দেখি একজন পদ নাহি তার,
অমনি জুতার খেদ ঘুচিল আমার ।
পরের দুঃখের কথা করিলে চিন্তন,
আপনার মনে দুঃখ থাকে কতক্ষণ?
সারাংশ
১
ক্রোধ মানুষের পরম শত্রু। ক্রোধ মানুষের মনুষ্যত্ব নাশ করে। যে লোমহর্ষক কাণ্ডগলি পৃথিবীকে নরকে পরিণত করিয়াছে, তাহার মূলে রহিয়াছে ক্রোধ। ক্রোধ যে মানুষকে পশুভাবাপন্ন করে তাহা একবার ক্রুদ্ধ ব্যক্তির মুখের প্রতি দৃষ্টিপাত করলেব স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়। যে ব্যক্তির মুখখানা সর্বদা হাসিমাখা, উদারতায় পরিপূর্ণ, দেখলেই তোমার মনে আনন্দ ধরে, একবার ক্রোধের সময় সেই মুখখানির দিকে তাকাইও; দেখিবে, সে স্বর্গের সুষম আর নাই-নরকাগ্নিতে বিকট রূপ ধারণ করিয়াছে। সমস্ত মুখ কি এক কালিমায় ঢাকিয়া গিয়াছে। তখন তাহাকে আলিঙ্গন করা দূরে থাকুক, তাহার নিকটে যাইতেও ইচ্ছা হয় না। সুন্দরকে মুহূর্তের মধ্যে কুৎসিত করতে অন্য রিপু ক্রোধের ন্যায় কৃতকার্য হয় না।
২
মানুষের মূল্য কোথায়? চরিত্রে, মনুষ্যত্বে, জ্ঞানে ও কর্মে। বস্তুত চরিত্র বলেই মানুষের জীবনের যা কিছু শ্রেষ্ঠ তা বুঝতে হবে। চরিত্র ছাড়া মানুষের গৌরব করার আর কিছুই নেই। মানুষের শ্রদ্ধা যদি মানুষের প্রাপ্য হয়, মানুষ যদি মানুষের শ্রদ্ধা করে, সে শুধু চরিত্রের জন্য, অন্য কোন কারণে মানুষের মাথা মানুষের সামনে এত নত করার দরকার নেই। জগতে যে সকল মহাপুরুষ জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের গৌরবের মূলে এই চরিত্রশক্তি। তুমি চরিত্রবান লোক, এই কথার অর্থ এই নয় যে, তুমি লম্পট নও। তুমি সত্যবাদী, বিনয়ী এবং জ্ঞানের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ কর; তুমি পরদুঃখ কাতর, ন্যায়বান এবং মানুষের স্বাধীনতাপ্রিয়; চরিত্রবান মানে এই।
৩
সমাজের কাজ কেবল টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া নয়, মানুষকে বড় করে তোলা, বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনের আগ্রহ জাগিয়ে দেওয়া। স্বল্পপ্রাণ, স্থুল বুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ। তাদের কাজ নিজের জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলা নয়। অপরের সার্থকতার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করা। প্রেম ও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি বলে এরা নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি। এদের একমাত্র দেবতা অহংকার। পারিবারিক অহংকার, জাতিগত অহংকার-এ সবরে নিশান উড়ানোই এদের কাজ।
৪
মানুষের জীবনকে একটি দোতলা ঘরের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। জীবসত্তা সেই ঘরের নিচের তলা আর মানবসত্তা বা মনুষ্যত্ব উপরের তলা। জীবসত্তার ঘর থেকে মানবসত্তার ঘরে উঠতে মই হচ্ছে শিক্ষা। শিক্ষাই আমাদের মানবসত্তার ঘরে নিয়ে যেতে পারে।অবশ্য জীবনসত্তার ঘরেও যে কাজ করে; ক্ষুৎপিপাসায় বাস্তবিক করে তোলা তার অন্যতম কাজ। কিন্তু তার আসল কাজ হচ্ছে মানুষকে মনুষ্যত্বলোকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। অন্য শিক্ষার যেমন প্রয়োজনের দিক আছে, তেমনি অ্রেয়োজনের দিকও আছে। আর অপ্রয়োজনের দিকই তার শ্রেষ্ঠ। সে শেখায় কী করে জীবনকে উপভোগ করতে হয়। কী করে মনের মালিক হয়ে অনুভূতি ও কল্পনার রস আস্বাদন করা যায়।
৫
কিসে হয় মর্যাদা? দামি কাপড়, গাড়ি-ঘোড়া, ‘না ঠাকুর দাদার কালের উপাধিতে? না মর্যাদা এই সব জিনিসে নাই। আমি দেখতে চাই, তোমার ভিতর, তোমার বাহির, তোমার অন্তুর। আমি জানতে চাই, তুমি চরিত্রবান কি-না। তুমি সত্যের উপাসক কিনা। তোমার মাথা দিয়ে কুসুমের গন্ধ বেরোয় কিনা, তোমায় দেখলে দাস-দাসী দৌড়ে আসে, প্রজার তোমায় দেখে সন্ত্রস্ত হয়, তুমি মানুষের ঘাড়ে চড়ে হাওয়া খাও, মানুষকে দিয়ে জুতা খোলাও, তুমি দিনের আলোতে মানুষের টাকা আত্মসাৎ কর। বাপ-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি তোমায় আদর করেন; আমি তোমায় অবজ্ঞায় বলবো যাও।
৬
জাতি শুধু বাইরের ঐশ্বর্য-সম্ভার, দালান-কোঠার সংখ্যা বৃদ্ধি কিংবা সামরিক শক্তির অপরাজেয়তায় বড় হয় না, বড় হয় অন্তরের শক্তিতে, নৈতিক চেতনায় আর জীবন পণ করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ক্ষমতায়। জীবনের মূল্যবোধ ছাড়া জাতীয় সত্তার ভিত কখনো শক্ত আর দৃঢ়মূল হতে পারে না। মূল্যবোধ জীবনাশ্রয়ী হয়ে জাতির সর্বাঙ্গে ছড়িয়ে পড়লে তবেই জাতি অর্জন করে মহত্ব আর মহৎ কর্মের যোগ্যতা। সব রকম মসূল্যবোধের বৃহত্তর বাহন ভাষা তথা মাতৃভাষা, আর তা ছড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব লেখক আর সাহিত্যিকদের।
৭
আজকের দুনিয়াটা আশ্চর্যভাবে অর্থের বা বিত্তের উপর নির্ভরশীল। লাভ ও লোভের দুর্নিবার গতি কেবল আগে যাবার নেশায় লক্ষ্যহীন প্রচণ্ড বেগে শুধূ আত্মবিনাশের পথে এগিয়ে চলেছে। মানুষ যদি এই মূঢ়তাকে জয় না করতে পারে, তবে মনুষ্যত্ব কথাটিই হয়তো লোপ পেয়ে যাবে। মানুষের জীবন আজ এমন এক পর্যায়ে এস পৌঁছেছে সেখানে থেকে আর হয়তো নামবার উপায় নেই। এবার উঠবার সিঁড়ি না খুঁজলেই নয়। উঠবার সিঁড়িটা না খুঁজে পেলে আমাদের আত্মবিনাশ যে অনিবার্য তাতে আর কোন সন্দেহ থাকে না। (দিবো-২৩)
৮
রূপার চামচ মুখে দিয়ে জন্মায় আর কটি লোক। শতকরা নিরানব্বইটি মানুষকেই চেষ্টা করতে হয়, জয় করে জিততে হয় তার ভাগ্যকে। বাঁচে সেই-যে লড়াই করে প্রতিকূলতার সঙ্গে। পলাতকের স্থান জগতে নেই সমস্ত কিছুর জন্যই চেষ্টা দরকার। চেষ্টা ছাড়া বাঁচা অসম্ভব। সুখ চেষ্টারই ফল-দেবতার দান নয়। তা জয় করে নিতে হয়। আপনা এটা পাওয়া যায় না। সুখের জন্য দু’রকম চেষ্টা দরকার, বাইরের আর ভিতরের। ভিতরের চেষ্টায় মধ্যে বৈরাগ্য একটি। বৈরাগ্য ও চেষ্টার ফল, তা অমনি পাওয়া যায় না। কিন্তু বাইরের চেষ্টার মধ্যে বৈরাগ্যের স্থান নাই।
৯
মাতৃস্নেহের তুলা নাই। কিন্তু অতি স্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনায়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তারের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ের মমতার প্রাবল্যের মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তি মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না। দুর্বল, অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না-অলসকে সে প্রাণিপাত করিয়া সেবা করে- ভীরুতার দুর্দশা কল্পনা করিয়া বিপদের আক্রমণ হইতে ভীরুকে রক্ষা করিতে ব্যপ্ত হয়।
১০
Bj¡l¡ ®RmL ú¤m LmS f¡¢Wu i¡¢h ®k, ¢nr¡ ®cu¡l pjÙ¹ LaÑhÉ f¡me Llm¡jz hvpll fl hvpl f¡p Ll ®NmC A¢ii¡hLl¡ kbø a¡¢lg Lle z ¢L¿º a¢mu ®cMe e¡, ®k ®Lhm f¡p LlmC ¢hcÉ¡SÑe qu e¡z h¡Ù¹¢hL fr R¡œl h¡ p¿¹¡el je ‘¡e¡e¤l¡N h¡ ‘¡e fТa Be¾cSeL nÐÜ¡l EâL qµR ¢Le¡, a¡C ®cMh¡l ¢S¢epz ‘¡e QQ¡Ñl jdÉ ®k HL flj lp J BaÈfÐp¡c BR, a¡l ü¡c ®L¡e ®L¡e ¢nr¡b£Ñ HL¢h¾c¤J f¡u e¡z
১১
A‡b‡K e‡jb , ¯¿x‡jv‡Ki D”P wk¶vi cÖ‡qvRb bvB| †g‡qiv Pe©¨‡Pvl¨ ivuwa‡Z cv‡i, wewea cÖKvi †mjvB Kwi‡Z cv‡i, `yB PvwiLvbv Dcb¨vm cvV Kwi‡Z cv‡i, BnvB h‡_ó| Avi †ewk Avek¨K bvB| wKš‘ Wv³vi e‡jb †h, Aek¨K Av‡Q, †h‡nZz gvZvi †`vl¸Y jBqv cyÎMY aivav‡g AeZxY© nq| GB Rb¨ †`Lv hvq †h, Avgv‡`i †`‡k A‡bK evjK wk¶‡Ki †eÎZvobvq Kɯ’ we`¨vi †Rv‡i Gd. G. we. G. cvm nq e‡U wKš‘ evj‡Ki gbUv Zvnvi gvZvi mwnZ ivbœvN‡iB Nywi‡Z _v‡K|
১২
j¡e¤o pª¢øl ®nÐù fСZ£ z SNal AeÉ¡eÉ fСZ£l p¢qa j¡e¤ol f¡bÑLÉl L¡lZ j¡e¤o ¢hhL J h¤¢Ül A¢dL¡l£z HC ¢hhL h¤¢Ü J ‘¡e e¡C h¢mu¡ Bl pLm fСZ£ j¡e¤o Afr¡ ¢eLªøz ‘¡e J je¤oÉaÅl EvLoÑ p¡de L¢lu¡ j¡e¤o SNal h¤L Aru L£¢aÑ ÙÛ¡fe L¢lu¡R, SNal LmÉ¡Z p¡de L¢laR, a¡C föhm J AbÑhm j¡e¤oL hs h¡ jqv L¢la f¡l e¡z j¡e¤o hs qu ‘¡e J je¤oÉaÅl ¢hL¡n; ‘¡e J je¤oÉaÅl fÐLªa ¢hL¡n S¡¢al S£he Eæa quz fÐLªa j¡e¤oC S¡a£u S£hel fТaù¡ J Eæue Be¡ue prjz
(১৩) নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের………তাইতো আত্মা। (সিবো ২০০৩)
(১৪) জাতি শুধু বাইরের ঐশ্বর্যসম্ভার…..কর্মের যোগ্যতা।
(যবো ২০০৩)
(১৫) রাজার ছেলের সঙ্গে……শ্রেণতে পড়ে যেতে হবে।
(ঢাবো ২০০৩)
(১৬) যতটুকু আবশ্যক কেবল তাহারই মধ্যে……থাকিয়া যায়। (কুবো ২০০১)
(১৭) যে জাতির লক্ষ্য ‘সত্য’ নহে……দেওয়া হবে (রাবো ২০০৯)
(১৮) বার্ধক্য তাহাই….মতো প্রদীপ্ত যৌবন। (ঢাবো-২৩)
(১৯) মানুষের জীবনকে একটা দুতলা ঘরের…..আস্বাদন করা যায়। (ঢাবো ২০০১)
(২০) অদ্ভূত আঁধার এক এসেছে……তাদের হৃদয়। (ঢাবো ২০০১, চাবো ২০১৬)
(২১) অতীত কে ভুলে যাও। অতীতের…. দৈনিক জীবন নিয়ে বাঁচতে হবে। (কুবো-০৫)
(২২) বৃক্ষের দিকে তাকালে… জীবন্ত দৃষ্টান্ত আর নাই।(চবো ২০০৪)
(২৩) জীবনে যত পূজা…….হয়নি হারা। (চাবো ২০০৪) (আরো উদাহরণ অনুশীলন করতে হবে)
১১। ভাবসম্প্রসারণ : ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১৫৬-১৬৩ নং পৃষ্ঠায়)
(ক) স্বদেশের উপকারে নেই যার মন
কে বলে মানুষ তারে ? পশু সেই জন। (সিবো-১৭, ২৩)
(খ) সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। (কুবো-২০১৬) অথবা, পুষ্প আপনার জন্য ফোটে না।
(গ) স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে, স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন। (ঢাবো-১১, রাবো-১৪, ১৫, ১২, যবো-১২, চবো-১০, সিবো-১৩,৭, ববো-১৭)
(ঘ) অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে
তব ঘৃণা যেন তারে তৃণ-সম দহে।
(ঙ) স্বার্থমগ্ন যে জন বিমুখ/ বৃহৎ জগত হতে সে কখনো শিখে নি বাঁচিতে। (চবো-২০১৬)
(চ) দণ্ডিতের সাথে/দণ্ড দাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে/সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার।
(ছ) মানুষ বাঁচে কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়। (ঢাবো, রাবো, যবো-১৭, ঢাবো-১৯)
অথবা, কীর্তিমানের মৃত্যু নাই
(জ) জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।
(ঝ) বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।
(ঞ) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।
(ট) প্রয়োজনে যে মরিতে প্রস্তুত, বাঁচিবার অধিকার তাহারই।
(ঠ) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।
অথবা, ভোগে সুখ নাই, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ।
(ড) ধনের মানুষ মানুষ নয়, মনের মানুষই মানুষ।
অথবা, প্রাণ থাকলে প্রাণী হয়, কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় না। (ববো-১৯, যবো-২৩)
(ঢ) সুশিক্ষিত লোকমাত্রই স্বশিক্ষিত। (দিবো-১৭, চবো-১৭)
(ণ) জন্ম হোক যথাতথা কর্ম হোক ভালো। অথবা, নহে আশরাফ যার আছে শুধু বংশ পরিচয়/ সেই আশরাফ যার জীবন পুণ্যকর্মময়।
(ত) মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন, ধন বিলাস নহে।
(থ) রাত যত গভীর হয়, প্রভাত তত নিকটে আসে। (সিবো-১৯)
১২। সংলাপ ও ক্ষুদেগল্প রচনা: ( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১৬৪-১৬৯ নং পৃষ্ঠায়)
(সংলাপ রচনা থেকে ১টি এবং ক্ষুদে গল্প রচনা থেকে ১টি করে মোট দুটি প্রশ্ন থাকবে; ১টির উত্তর দিতে হবে। নম্বর-১০)
² সংলাপ রচনা:
(ক) সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ( রাবো-২০১৯, সিবো-১৯)
(খ) সম্প্রতি পড়া কোনো বই নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। (রাবো-১৬,ববো-২৩)
অথবা, বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।(দিবো-১৯)
(গ) বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। (ঢাবো-২০১৬, যবো-১৭)
অথবা, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপোকথন রচনা কর। (ঢাবো-২০১৬)
(ঘ) বাংলা নববর্ষের উদযাপন বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। (ববো-২০১৬)
(ঙ) নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর। (রাবো-১৭)
অথবা, নারী শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা কর। (কুবো-২৩)
(চ) উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। (সিবো-২০১৬)
(ছ) সাম্প্রতিক ‘জঙ্গিবাদ’ সমস্যা প্রসঙ্গে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের সংলাপ রচনা কর। (সিবো-১৭)
(জ) সমাজ সেবী এক বন্ধুর সঙ্গে অন্য বন্ধুর সংলাপ। অথবা, একজন উদ্যোক্তা বন্ধুর সঙ্গে অন্য এক বন্ধুর সংলাপ।
(ঝ) সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিষয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে সংলাপ।
অথবা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিষয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা কর। (যবো-২০১৬)
(ঞ) সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ।
(ট) ফেইস বুকের সুফল ও কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।(কুবো-১৯)
(ঠ) ইন্টারনেট ব্যবহারের সুফল ও কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। (সিবো-২৩)
|
বাংলায় এ+ নিশ্চিত করতে আজই সংগ্রহ কর: মুসা স্যারের ‘বাংলা ১ম পত্র সাজেশন ও সমাধান’
|
(ড) ইভটিজিং বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ।
(ঢ) আসন্ন এইচ এস সি পরীক্ষা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।
(ন) কোনো এলাকার লোডশেডিং নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।
(প) জীবনের লক্ষ্য নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।
(ফ) অমর একুশে বই মেলা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। (ঢাবো-২৩)
² ক্ষুদে গল্প রচনা :
(ক) প্রকৃত বন্ধুত্বের উপর একটি গল্প রচনা কর।
(খ) মানুষের স্বার্থপরতার উপর একটি ক্ষুদে গল্প লেখ।
(গ) প্রকৃতি প্রেমের উপর একটি ক্ষুদে গল্প রচনা কর।
(ঘ) ব্যক্তি-স্বাধীনতার উপর একটি ক্ষুদে গল্প লেখ।
(ঙ) মানবতাবোধের উপর একটি ক্ষুদে গল্প লেখ।
(চ) ভেবেচিন্তে কাজ করা উচিৎ- এই বোধের উপর একটি ক্ষুদে গল্প লেখ।
(ছ) অসম্প্রদায়িক চেতনার উপর একটি ক্ষুদে গল্প লেখ।
(জ) অন্যকে ঠকালে নিজে ঠকতে হয়- এই চেতনার উপর একটি ক্ষুদে গল্প লেখ।
(ঝ) একতাই বল, বিভেদে পতন- এই চেতনার উপর একটি ক্ষুদে গল্প লেখ।
(ঞ) মানুষে-মানুষে বৈষম্যহীনতার উপর একটি ক্ষুদে গল্প লেখ
(ট) প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসারে ক্ষুদে গল্প রচনা কর:
(বি. দ্র. উল্লিখিত বিষয়গুলোর উপর উদ্দীপকও থাকতে পারে। উদ্দীপককে আশ্রয় করেও ক্ষুদে গল্প রচনা করা যেতে পারে।)
১২। নিচের যে কোন একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা কর :
( উত্তর : সমাধান গ্রন্থের ১৭০-১৯৫ নং পৃষ্ঠায়)
অ-গুচ্ছ : বিজ্ঞান বিষয়ক রচনা
(ক) আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ।/ স্মার্ট বা ডিজিটাল বাংলাদেশ । (ঢবো, দিবো, ববো-২০১৬, কুবো, রাবো-১৭ রাবো-১৬,১৯, সিবো, চবো-১৯)
(খ) কৃষি কাজে বিজ্ঞান (সিবো-২০১৬,যবো, ববো-১৭, কুবো-১৯)
(গ) আধুনিক জীবন ও বিজ্ঞান/বিজ্ঞানের জয়যাত্রা/মানব কল্যাণে বিজ্ঞান। (যবো,ববো, চবো-২০১৬)
আ-গুচ্ছ : বাংলাদেশ : প্রধান প্রধান সমস্যা ও সম্ভাবনা কেন্দ্রিক রচনা :
(ঘ) পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার; (চবো, সিবো, দিবো-১৫, চবো-১৬, কুবো, চবো-১৭, ববো-১৯)
(ঙ) অথবা, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ
(চ) জলবায়ুর পরিবর্তন ও বাংলাদেশ/বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও বাংলাদেশ/জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন/জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব/বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন; ( যবো-১৬, সিবো, ববো-১৫ ঢাবো-১৬, ১৯ কুবো-১৫,১৯,)
(ছ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প : সমস্যা ও সম্ভাবনা ; (সিবো, রাবো-১৭, কুবো, চবো, দিবো, ববো-১৬, ঢাবো, দিবো, রাবো, ববো-১৫, দিবো-২৩)
(জ) পোশাক শিল্প: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ; (ঢাবো-১৭,ঢাবো, সিবো, রাবো-১৬, কুবো-১৯, সিবো-১৯)
(ঝ) মাদক আসক্তি কারণ ও প্রতিকার।
ই-গুচ্ছ : বাংলাদেশ ও জাতীয় চেতনা বিষয়ক রচনা :
(ঞ) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা (সববোর্ড -১৮, কুবো-১৯, দিবো-২৩)
(ট) একুশের চেতনা/ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস/ একুশ আমার অহংকার; (কুবো, দিবো-১৫, সিবো, ববো-১৭, ঢাবো-১৯, চবো-১৯)
(ঠ) রূপসী বাংলা;
(ড) স্বদেশ প্রেম।
ঈ-গুচ্ছ : ভাব-প্রধান রচনা :
(ঢ) বই পড়ার আনন্দ (ববো-২০১৬, কুবো, ববো-১৯)
(ণ) শিষ্টাচার বা শুদ্ধাচার (কুবো-২০১৬)
(ত) শীতের সকাল (যবো-২০১৬)/একটি ঝড়ের রাত্রি।
[ বি. দ্র. : অ, আ, ই, ঈ এই চারটি গুচ্ছ থেকে একটি করে রচনা থাকবে। তাই অ ও আ গুচ্ছের রচনাগুলো পড়লে একটি রচনা অবশ্যই কমন থাকবে। নির্দিষ্টভাবে বললে বলা যায় (গুরুত্বেরক্রমানুসারে) : ক, খ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ট নম্বর রচনা পড়লে একটি রচনা অবশ্যই কমন থাকবে।]
মডেল প্রশ্ন গ্রন্থের ১৯৬ – ১৯৮- নং পৃষ্ঠায়
(ঢাকা, দিনাজপুর বোর্ডের ২০২৩ সালের বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন গ্রন্থের ১৯৯-২০০)
(মুসা স্যার)
বাংলা
+88 01713 211 910